Saturday, 23 October 2021

এত চাকরি এরপরেও আত্মহত্যা কেন?


 পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলা চুক্তির ভিত্তিতে খাদ্য দফতরে চাকরি দেবে। তবুও তো কাজ দেবে, এর পরেও চাকরি না পেয়ে আত্মহত্যা করেছেন কেন? আত্মহত্যা সমাধানের পথ নয়। পথ হচ্ছে এই সিস্টেম এর বিরুদ্ধে লড়াই আন্দোলন করা হতাশা গ্রাস করে জানি কিন্তু আত্মহত্যা সমাধান নয়। কখনো কোন অবস্থাতেই আত্মহত্যা করা উচিত নয়। আত্মহত্যা মানে এই অব্যবস্থা কে মেনে নেওয়া। এটা কখনই চলতে পারে না, আজ না হয় কাল এই দূর্বিসহ যন্ত্রণা থেকে মুক্তি আসবে। আমি জানি বেকার ছেলে মেয়ে দের যন্ত্রণা, হতাশা এলে বেশি করে বন্ধু বান্ধবের সাথে মেশ নিজের কষ্টের কথা তাদের সাথে ভাগ করে নাও তবুও আত্মহত্যা নয়। মন কে অন্য দিকে নিয়ে যাও, আমি জানি চাকরি তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও চাকরি নেই অনেকেই অনশন করছেন, এবং নানা ভাবে আন্দোলন করেছে কোর্টে কেস করেও চাকরি হয় নি। এ সরকার কোর্টের রায় মানে না। আর এই সরকার কোন দিন কাউকে ঘুষ ছাড়া চাকরি দেবে না। সে শিক্ষক থেকে শুরু করে, আই সি ডি এসের কর্মী এমন কি আশা কর্মী হতে হলেও ঘুষ দিতে হবে। যার ঘুষ দেওয়ার ক্ষমতা নেই সে কোন দিন কোন সরকারী চাকরী পাবে না। আর বেসরকারি তার অবস্থা খুব খারাপ, কারন কম্পিউটার বা তথ্য প্রযুক্তি নিয়ে পড়া শোনা করা ছেলে মেয়ে গুলো চলে যাচ্ছে অন্য রাজ্যে এই রাজ্যের সরকার উইপ্রো, ইনফোসিস কে জায়গা দেয় নি। অটো মোবাইল সে বাদ দাও টাটা চলে যাবার পর আর কোন বড়ো শিল্প এখানে আসেনি, উল্টো হয়েছে হিন্দ মোটর বন্ধ হয়ে গেছে। তবে সরকার একটা কাজ করছে, অনেক শ্রী আর ভাণ্ডার দিচ্ছে জিনিস পত্রের দাম কত কমিয়ে দিয়েছে। 2008 সাল থেকে কম দামে সব জিনিস পত্র কেনা যাচ্ছে। চাকরি সে তো কথাই নেই, কেন্দ্রীয় সরকারের বছরে 2 কোটি x 7 বছর = 14 কোটি আর রাজ্যের 2 লক্ষ x 11 বছর = 2 2 লক্ষ এখন পর্যন্ত মোট 14 কোটি 22 লক্ষ ছেলে মেয়ে চাকরি পেয়েছে। আবার মাঝে মাঝে এই রকম আছে, চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগ কত চাকরি। লক্ষী ভাণ্ডারে পাঁচ শ টাকা। এখন এই রাজ্যে বেকার থাকার কথা নয়, একটু বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ করতে হবে। একশ দিনের কাজ, পঞ্চায়েত প্রধান এর পাশে থেকে একটু বুদ্ধি লাগানো ব্যস আর যায় কোথায়। জিনিস পত্র সে তো জলের দাম মাসে মাত্র পাঁচ শ টাকা খরচ করে সব কেনা যাবে। আরে এই কারণেই মি ডে মিলের রাঁধুনী দের বেতন 1500 টাকা দু জনের টাকা এলে দলের সদস্যরা সবাই ভাগ করে নেয়। তিন জন হলে 1000 টাকা আর ছ জন হলে 500 টাকা। এতেই এত বছর চলে গেছে এখন এতো জিনিস পত্র জলের দাম এতে চলবে না। তাই বলছি আত্মহত্যা কোনো পথ নয়, হতাশ হয়ে এই কাজ টি করো না, জীবন একটাই লড়াই করে বেঁচে থাকা ছাড়া উপায় নেই। কারণ যে দিকে তাকিয়ে দেখি কেবল মিষ্টি খাবার টাকা কেবল তোয়ালে মুড়ে নিতে হবে এই যা। 

Thursday, 21 October 2021

পশ্চিমবঙ্গে ও মূর্তি ভাঙা মন্দিরে গোমাংস রাখা শুরু হয়েছে।

 

কি দাদা ভাবছেন এটা বাংলাদেশ না এটা পশ্চিমবঙ্গের ঘটনা তবে এখানে কোন মুসলমান কিছু করেন না। তারা তাদের ধর্ম পালন করেন নিষ্ঠার সাথে হিন্দু বাঙালি ও তাদের ধর্ম পালন করে আসছে যুগ যুগ ধরে গণ্ডগোল বাধে না। অনেক সময় ঈদ এবং পূজো একসাথে পরেছে কোন অসুবিধা বা গণ্ডগোল বাধে নি। তাহলে করছে কারা দাদা আর এস এস আছে না, বাম আমলে গোটা রাজ্যে ছিল ৪০ থেকে ৫০ টা প্রশিক্ষণ শিবির বা কেন্দ্র এখন হয়েছে কয়েক হাজার। এর বেশিরভাগ সদস্য হনুমান ভক্ত বা বজরংবলী ভক্ত, আগে কেবল কলকাতায় বিভিন্ন জায়গায় হনুমান মন্দির ছিল এখন পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সর্বত্র পাওয়া যাবে। আরেকটা ব্যাপার খেয়াল করে দেখুন এরা বাঙালির এই যে সারা বছর নানা ধরনের পুজো বা ধর্মীয় অনুষ্ঠান এটা ঠিক মেনে নিতে পারে না। এদের লক্ষ্য হচ্ছে যে কোন ভাবে বাঙালি জাতি টাকে ধ্বংস করে বাংলার এই অংশটা কে পূর্ব বিহার তৈরি করা, সেই কারণেই যেন তেন প্রকারে অশান্তি লাগানোর চেষ্টা, এরা খুব প্রশিক্ষিত এরা হিন্দু পাড়ায় মুসলিম সেজে গণ্ডগোল লাগায় আর মুসলিম পাড়ায় হিন্দু, এরা মন্দিরে গো মাংস রাখে আর মসজিদে গিয়ে শুয়োরের-মাংস এসব করে কারণ একটাই যে কোন ভাবে দাঙ্গা লাগানো এদের লক্ষ্য। আবার শান্তিপুরে ভোট আছে ওখানে তো এরকম ঘটনা ঘটাবে তবে যেভাবে ছবিটি আছে ওখানে দুর্গা পুজো হয়েছে বলে মনে হচ্ছে না। আর লক্ষীপূজো যদি বুধবার মানে 20/10 /21 বৃহস্পতিবার 21/10 /21 ওখানে ঘট ও অন্যান্য জিনিস থাকার কথা এবং আমার তো মনে হয় ওটা দুর্গা প্রতিমার সাথে বিসর্জন করা লক্ষী তুলে এনে ওখানে বসিয়ে ছবি তোলা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন, আবার উপ নির্বাচন ও শাসক দলের জয় নিশ্চিত কারণ এক দু নম্বরি বিহারি পি কে আছে, নকল অফিসার, ইভিএম পাল্টে যেমন করে হোক জিতিয়ে তবে ছাড়বে এই লোক টা ভারতীয় গনতন্ত্র কে টাকার বিনিময়ে শেষ করে দিল। কোটি কোটি টাকা নেয় আর যতরকম ভাবে পদ্ধতি তে কারচুপি করা যায় সব ব্যবহার করে। ই ভি এমে ভোট ও দিদির জয় নিশ্চিত কেউ কিছু করতে পারবে না। এখন যে সব এলাকায় ভোট মিটে গিয়েছে একবার কান পেতে শুনে নিন একটা কথা শুনতে পাবেন আমরা ভোট দিলাম না জিতল কি করে? 

রাজ্য সরকারের ডি এ সে ডুমুরের ফুল।

বাজার দর বৃদ্ধির সাথে সাথে ডি এ অর্থাৎ মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হয় সরকারি কর্মীদের। কিন্তু বর্তমানে রাজ্যের সরকার সরকারি কর্মীদের ডি এ কেন্দ্রীয় সরকারের হারে তো দূরের কথা সাধারণ ভাবেও দেন না। সব রকম শ্রী ভাণ্ডার সব ঘোষণা করা হয়, কিন্তু ডি এ নয়। জানি না এ কেমন অর্থনীতি বিদ, মানুষের হাতে টাকা পৌঁছে দেওয়া একটা মাধ্যম এই ডি এ কারণ সরকারি কর্মীরা বেতন টি বাজারে খরচ করেন তাতে সাধারণ মানুষের কাছে টাকা বা অর্থ পৌঁছে যায়। কিন্তু এই সরকার মনে করেন, পুজো কমিটি, ক্লাব, কন্যা শ্রী, যুবশ্রী, রূপশ্রী, ধর্ষণ শ্রী, বিধবা ভাতা, পুরোহিত ভাতা, লক্ষী ভাণ্ডার ইত্যাদির মাধ্যমে বছরের একবার পাঁচ শ, হাজার এবং বছরে একবার ক্লাব গুলো কে এক লক্ষ কোন সময় পাঁচ লক্ষ টাকা এবং পূজো কমিটি গুলো কে বছরে একবার পঁচিশ বা পঞ্চাশ হাজার টাকা দিয়ে কীভাবে রাজ্যের মানুষের কাছে টাকা পৌঁছে দিচ্ছে, জানা নেই, এই ভাবে যে কোন রাজ্যের অর্থনীতি সচল থাকে সেটা অর্থনীতি বিদ না হলেও বোঝা যায়। কারণ বাজারে গিয়ে দেখা যায় জিনিস পত্রের দাম এত মানুষ জিনিস পত্র ক্রয় করতে পারছে না। দোকান বাজার গুলো সব ফাঁকা, এত বড়ো পুজো গেল কাপড়ের দোকান থেকে অন্যান্য সব দোকান দার সারাদিন খুলে বসেই ছিল যদি একটা খরিদার আসে। কিন্তু না সে ভাবে বিক্রি নেই কারণ মানুষের কাছে টাকা নেই, তবে টাকা আছে এক শ্রেণির দলীয় নেতা মন্ত্রী কাছে। আর এই সব ভাতা, শ্রী, ভাণ্ডার ও দান ঐ সব নেতা মন্ত্রী দের আরও অসৎ করে তুলেছে। এবারে একটা পূজো কমিটি লোক বাড়ি বাড়ি ঘুরে চাঁদা তুলেছিলেন, কম করে পাঁচশ সর্বোচ্চ দশ হাজার অথচ তারা সরকারি পঞ্চাশ হাজার টাকা পেয়েছে। যখনই জিজ্ঞেস করা হল ঐ পঞ্চাশ হাজার টাকা দিয়ে কি হবে? সোজাসুজি উত্তর বেড়াতে যাওয়া হবে, কারণ টাকাটা ঐ শর্তে এক নেতা করে দিয়েছে। আমি তো অর্থনীতি বিদ নই তবুও বুঝি সরকারি কর্মীদের ডি এ না হলে, সাধারণ মানুষের হাতে টাকা আসবে না। এই কারণেই কেন্দ্রীয় সরকার এতো তাড়াতাড়ি ডি এ ঘোষণা করেন। আর এই রাজ্য সরকারের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি বিদ আরও ভালো বুঝেছেন সেই কারণেই গত 2011 সালে ক্ষমতায় আসার আগে প্রতিশ্রুতি কেন্দ্রীয় সরকারের ডি এ ঘোষণার সাথে সাথে ডি এ দেওয়া হবে। দারুন প্রতিশ্রুতি পুরোন বকেয়া 56% ও আর মিলল না। আর এখন 2019 পে কমিশন হওয়ার পর থেকে গত বছর 1 লা জানুয়ারি থেকে 3% ডি এ দিয়েছে আর এখন কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে ফারাক  31% আঠাশ শতাংশ। ভারতের অন্যান্য রাজ্য সরকার তারা কেন্দ্রীয় সরকারের হারে ডি এ বৃদ্ধি করে যাচ্ছে। কেবল এই রাজ্যে টাকার অভাব অথচ টাকা বিলিয়ে দেওয়ার সময়ে টাকার অভাব নেই। আবার উনি নাকি কথা দিয়ে কথা রাখেন, তাহলে 2011 সালের ক্ষমতা আসার আগে কথা বা প্রতিশ্রুতি আর রাখেন নি। যদিও পৃথিবীর সেরা মিথ্যাবাদী, মিথ্যে কথা বলার জন্য যদি নোবেল পুরস্কার থাকত তবে আমাদের দেশে দুটি পুরষ্কার একেবারে বাঁধা ছিল। একটা দিল্লির আরেকটা আমাদের রাজ্যের। 

Wednesday, 4 March 2020

পাঠক দের প্রতি।

পাঠক দের প্রতি আমার একটা আবেদন যারা রিমি তোমাকে চাই, শাশুড়ির কীর্তি, সমীর বুল্টি, কেন এমন হয়। মেয়েদের একই অঙ্গে কতরূপ টিপাই ও তাতাই টিপাই এর ইচ্ছা আসামের আসামী, ঠাকুরমা পাকাল নাতি কে ইত্যাদি, আর যে সব গল্প পড়তে চান তারা। www.Adimkhel. blogspot.com খুলে পড়তে পারবেন।এছাড়া ঐ খানে আরও নতুন নতুন গল্প পাবেন, আমার লেখা পড়ুন। আশাকরি আনন্দ পাবেন, ভালো থাকবেন। গ্রাম বাংলার কথার অনেক লেখা anulekhon.com এ পাবেন আস্তে আস্তে গ্রাম বাংলার কথা বন্ধ করে হয়ে যাবে, বা ডিলিট হয়ে যাবে। যারা লেখা গুলো পড়ছেন তাদের অনুরোধ করছি আপনারা anulekhon.com খুলেও পড়তে পারেন।আমি জানি ব্লগে পাঠক বাড়াতে হলে উত্তেজনা মূলক গল্প চাই। যারা ভাবছেন এসব খারাপ তাদের বলি ইউ টিউব দেখুন এই সব আছে। সেখানে ভিউ বেশি কিন্তু আমার মতো ছোট খাটো লেখকের গল্প কেউ পড়ে না। বা ব্লগ টা খুলেও দেখে না। আর এপার বাংলায় ব্লগে লেখার চল নেই, সেই জন্যই আবার বলছি যারা উপর উক্ত গল্প গুলো পড়তে চান তারা বা যারা এই ব্লগে পড়তেন। তারা অন্তত Adimkhel. Blogspot.com খুলে পড়তে পারবেন ।সকল কে ধন্যবাদ সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। 

Friday, 20 September 2019

মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী তথা আমাদের প্রিয় দিদি কে অসংখ্য ধন্যবাদ।

আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা আমাদের প্রিয় দিদি দিল্লি থেকে ফিরে এসে জানিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে NRC হচ্ছে না, অযথা আতঙ্কিত হবেন না, সরকারি যে কাজ গুলো চলছে যেমন রেশন কার্ড সংশোধন ও ভোটার তালিকা তৈরি ঐ কাজ গুলো করে ফেলুন। দিদর উপর ভরসা রেখে বলছি যাদের পুরাতন রেশন কার্ড জমা দিয়েছে নতুন কার্ড পাওয়ার জন্য এখনও পাইনি তাদের জন্যে কি ব্যবস্থা আছে, রেশনের জিনিস দরকার নেই কিন্তু ডিজিটাল কার্ডের জন্য নিজের পুরাতন কার্ড ও আধার কার্ডের জেরক্স সমেত জমা নেওয়া হয়েছে, আজ ছ মাসের উপর এখনও পর্যন্ত কোনও কার্ড পায় নি। আমিও আবেদন করেছিলাম কিন্তু দুর্ভাগ্য এখনও পর্যন্ত কোনও কার্ড ঝোটেনি আদৌ পাব কিনা জানি না। কারণ আমার কাছে কোন প্রমাণ নেই আবেদনের আমার কার্ড গেল নতুন পেলাম না পুরনো সেটাও জমা নিয়ে নেওয়া হয়েছে। আপনি এই লেখাটা পড়বেন কিনা জানি না, তবুও লিখছি। 

Saturday, 10 August 2019

বিলম্বে বোধদোয়।

পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হয়ে প্রথম মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছিল, যখন 2013 সালে সামনে এসে ছিল। সারদা চিটফাণ্ডের মাধ্যমে গরীব মানুষের কয়েক হাজার কোটি টাকা লুঠ করে নেওয়া হয়েছে। কারা জড়িত না বড়ো বড়ো সব রাজনৈতিক দলের নেতা মন্ত্রী দূর্ভাগ্য বশত তারা শাসক দলের। 2013 আগে পর্যন্ত আমি অন্তত গর্ব করে বলেছি, বিভিন্ন রাজ্যের নেতা মন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কিছু ক্ষেত্রে বড়ো সর কেলেঙ্কারি যার জন্য এক সময় আমাদের মুখ্যমন্ত্রী বাজপেয়ী মন্ত্রী সভা ছেড়ে চলে এসেছিলেন। তিনি তখন বলেছিলেন, মন্ত্রীত্ব তার কাছে 40 টাকার হাওয়াই চটি, সেই নেত্রী অনেক জঙ্গী আন্দোলন করে এবং সিঙ্গুর থেকে টাটা কে তাড়িয়ে মিথ্যে বলে, 2011 সালে ক্ষমতায় এলেন আর 2013 সালে। ভারত তথা বিশ্বের কাছে, বাঙালির মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছিল বাঙালি নেতা মন্ত্রীরা চোর। কারণ এর আগে স্বাধীনতার পর থেকে পশ্চিমবঙ্গের কোন সরকারের কোন নেতা মন্ত্রী চুরির দায়ে জেলে যায়নি। আমাদের বর্তমান শাসক দলের সাথে সেই সময় অনেক অভিনেতা অভিনেত্রী ঘুরে বেড়াতেন। মুম্বই এরও বেশ কিছু অভিনেতা অভিনেত্রী এই দলের কাজ কর্মে জড়িয়ে পড়েন। আমাদের রাজ্যের টালিগঞ্জ অভিনেত্রী শতাব্দী রায় তার মধ্যে একজন, আরেক অভিনেতা জেল খেটে এসেছেন, তার নাম নিতে চাই না। তার মুখের ভাষা ভালো নয়, বর্তমানে সিনেমা সিরিয়ালে কোন কাজ নেই, অনেক অভিনেতা অভিনেত্রী এ ভাবে টাকা রোজগার করতে নাম লেখাছেন। আমি এখনো পর্যন্ত এদের টেলিভিশন চ্যানেলে কোন সিনেমা দিলে বা মুখ দেখালে বন্ধ করে দিই। কারণ এরা চোরের দল থেকে ভোটে নির্বাচিত, বাঙালির এত অধঃপতন আমি ভাবতে পারি না। আমি জানি এই বাঙালি জাতি এক সময় স্বাধীনতার জন্যে গোটা ভারত বর্ষ কে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এটাও এই বাঙালি জাতির মধ্যে অনেক বেইমান ছিল, যারা ব্রিটিশদের চর হিসেবে কাজ করে টাকা উপার্জন করত। আমার মনে হয় এখন তাদের বংশধর বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে শাসন করছে। জনগণের কয়েক হাজার কোটি টাকা লুঠ করে বেমালুম বলে দিতে পারেন যা গেছে তা যাক, কত গরীবের চোখের জল বেশ কয়েক জন তো আত্মহত্যা করে ফেলেছেন। আবার এই টাকা ফেরত দিতে শ্যামল সেন কমিটি পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দাদের বেশি করে সিগারেট খেতে বলা। শ্যামল সেন কমিটির চেক কয়েক জন পেল যাদের বেশি টাকা তারা বাদ, অনেকে চেক আর পেল না। তারপর একে একে সামনে আসতে থাকে আরও নানা চিটফাণ্ড কেলেঙ্কারি, আরও কয়েক লক্ষ হাজার কোটি টাকা হজম করে ফেলেছে এরা। অদৃষ্টের নির্মম পরিহাস, যারা টাকা তুলে দিল বা টাকা তুলতে সাহায্য করল তারা জেলে, আর যারা টাকা হজম করলে তারা জেলের বাইরে। চোরের উপর বাটপারি করা হয়েছে। যা হোক এর আগেও মিঠুন চক্রবর্তী তার বোধহয় হয়ে ছিল, তিনি তার নেওয়া পারিশ্রমিক ফিরিয়ে দিয়ে ছিলেন। এবার আরেক জন, নাম নিচ্ছি না, উপরে ছবি দেওয়া আছে। আর এই ই ডি ও সি বি আই নামক সংস্থার তো কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে এরা আনন্দ পায় বাঙালির বিপর্যয় দেখলে। এদের কাছে টাকা ফেরত দিলে জানি না সাধারণ মানুষ সেই আর কোন দিন ফেরত পাবেন কি না! এরা তদন্ত করে না মানুষ কে নিয়ে মজা করে এই কিছুদিন আগে এক অফিসার কে ঘুষ নেওয়ার জন্য সরিয়ে দেওয়া হল। যা এই ঘুষ খোর দের ভরসা তেই আমাদের থাকতে হবে। তবুও তো বিলম্বে বোধদোয় হলো। 

Tuesday, 6 August 2019

তোরা যে যা বলিস ভাই, আমার কোনো বদল নাই।

সরকারি কর্মীরা ডিএ মামলায় স্যাটে জিতেছে, রায়ের কপি সরকারের কাছে দেওয়া হয়েছে। পে কমিশন তো সে তো এই আর মনে হয় দিনের আলো দেখবে না। এই সরকার যত দিন থাকবে পে কমিশন সে স্বপ্ন হয়ে থেকে যাবে। যদি বা ডিএ মামলায় স্যাটে জয় লাভ করে আশার আলো দেখতে পেয়েছেন। সে আশায় বালি সরকার জন গনের করের টাকায় উচ্চ আদালতে যাওয়ার পথে। তবে এটাও ঠিক সরকারি কর্মীরা এটা জানত এ সরকার কর্মচারী মারা সরকার। কর্মীদের বেতন কম দিয়ে পারলে না দিয়ে 'উৎসব আনন্দে খরচ করা, দান খয়রাতি করা তাহলেই ভোটে জেতা যাবে। অমিত মিত্র মতো অর্থ মন্ত্রী যত দিন থাকবে ততদিন এই রাজ্যের কর্মীদের বেতন পাওয়া মুশকিল আছে। নিজেদের বেতন বৃদ্ধি করতে কমিশন গঠন করতে হয় টপাটপ বৃদ্ধি হয়ে যায়। আর কর্মী দের সময় কেবল কাজ করে যাও টাকা নেই, দেব কোথা থেকে। নতুন একটা বিষয় শুরু হয়েছে, দিদি কে বল আরে বলে কি লাভ, উল্টে ক্ষতি হবে। সাধারণ মানুষ কে বলছি, এই সরকার বেকার দের চাকরি দেয় না। টাকা খরচের ভয়, কেবল কাগজে কলমে বিজ্ঞাপন বা বিজ্ঞপ্তিতে ভর্তি চাকরির আবেদন করার জন্য। বেকার ছেলে মেয়ে দের থেকে পরীক্ষা ফি বাবদ মোটা টাকা তোলার জন্য। খুব সাবধান চরম মিথ্যে বাদী জোরচোর তোলা বাজ কাট মানি খোর সরকার এ রাজ্যে এসেছে। কচি কচি বাচ্ছার খাদ্যের টাকা, তাদের পোষাকের টাকা কোনো কিছুতেই কাট মানি বন্ধ নেই। জন সংযোগের নামে সাধারণ মানুষের অবস্থান জেনে নিয়ে, তাকে আরও কি করে বিপাকে ফেলতে পারে তার পরি কল্পনা করা এদের কাজ। দেখছেন না সরকারি কর্মীদের হাতে না মেরে ভাতে মারছে। কোটি কোটি টাকা মামলা দায়ের করতে খরচ তবু ডিএ দেওয়া হবে না। বেতন কমিশন সে কোথায় নিরুদ্দেশ হয়ে গেছে, খুঁজে আনতে হবে। ধন্যবাদ দিদি আপনি বেঁচে থাকুন আরও কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে যান।