Friday, 11 January 2019

আজ বিবেক চেতনার দিন।

আজ বাঙালি জাতির গর্বের দিন, কারণ আজ এমন একজন মহাপুরুষের জণ্ম দিন, যিনি গোটা বিশ্বের মানুষের কাছে বন্দিত । যার বানী প্রতি কথা তৎকালীন সমাজ কেন বর্তমান দিনে খুব প্রাসঙ্গিক, কিন্তু কিছু মানুষ আছেন যারা মুখে তার আদর্শের কথা বলেন বাস্তবে অন্য কাজ করেন। কত গুলো ঠকবাজ মিথ্যে বাদি তার আর্দশ নিয়ে অনুষ্ঠান করেন, ভালো ভালো কথা বলে কিন্তু প্রতিনিয়ত মানুষ কে ঠকানো তাদের বেঁচে থাকার অধিকার হরণ করে নেন। বর্তমানে রাজনৈতিক নেতাদের এরকম মানসিকতা বেশি, একদিকে বিবেকানন্দ এর আদর্শের কথা বলছেন, আর অন্য দিকে নিরন্ন না খেতে পাওয়া মানুষ দেখলেই ঘৃনা করেন। কীভাবে এই সব অর্ধশিক্ষিত অভুক্ত মানুষ কে ভুল বুঝিয়ে নিজের আখের গুছিয়ে নেওয়া যায় তার ব্যবস্থা পাকা করে নেন। ভোট এলে প্রতিশ্রুতির ফোয়ারা ছোটে মানুষ নিজের সঠিক মত প্রকাশ করতে না পারে তার ব্যবস্থা পাকা করে দেওয়া হয়, মদ আর মাংস মশা মারার মতো মানুষ খুন করতে পারে সেরকম লোক লাগানো হয়। আর প্রতি বছর বিবেকানন্দের জন্ম দিন বিবেক চেতনা উৎসব পালন করা হয়, ঘটা করে কিন্তু নিজেদের বিবেক আর জাগ্রত হয় না। মানুষ ঠকানো চতুর ভাবে মানুষের উন্নয়নের টাকা হাতানো ঘুষ তোলা তোলা তোলা কোথাও আবার মানুষ কে কাজ করতে না দেওয়া সঠিক মজুরি বা বেতন না দেওয়া এই কাল অন লাইন নিউজ পোর্টালে পড়লাম একজন বনদপ্তরে সিকিউরিটি গার্ড তিন মাস বেতন না পেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। কর্মী টি একটি বেসরকারি সংস্থার দ্বারা নিযুক্ত, এরকম অনেক শ্রমিক কর্মচারী আছেন যাদের বেতন এক থেকে দেড় হাজার টাকা মাসে। আর এক দিকে দেখুন এম পি, এম এল এ ও মন্ত্রীদের বেতন আকাশ ছোঁয়া আবার কোন রকম পাঁচ বছর থাকলে পেনশন পাবে, তাতেও তাদের আশা মেটে না আরো চাই, জন গনের নেতা জন গন থেকে বিচ্ছিন্ন ঘুষ খেয়ে তোলা বিভিন্ন সরকারি কাজ থেকে কাটমানি নিয়ে প্রাসাদ তৈরি করে বাস করেন। চার চাকা করে ঘুরে বেড়ায় সিকিউরিটি গার্ড নিয়ে। সত্যিই যদি এই নেতা মন্ত্রীরা স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ নিয়ে চলতেন তবে আজ আমার বাংলা তথা ভারত বর্ষ আরও অনেক নেতাজী, চিত্তরঞ্জন দাশ, রাস বিহারী বসু বিদ্যাসাগরের মতো মহাপুরুষ পেতে পারতো। আমাদের দূর্ভাগ্য ঘটা করে সরকারি ভাবে বিবেক চেতনা উৎসব পালন করা হচ্ছে, শুধু কিছু নেতার পকেটে কিছু সরকারি টাকা কাট মানি হিসেবে পাইয়ে দেওয়ার জন্য। ভালো ভালো কথা বলে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে মানুষ কে মানুষ মনে না করা এই সব নেতা মন্ত্রী দের বিবেক বুদ্ধি যদি একটু জাগ্রত হতো, তবে সাধারণ মানুষের দুঃখ ও অবহেলিত মানুষ অনেক সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারে। আমি বিবেকানন্দের কথা যত পড়েছি এই বিশ্ব জয়ী মহাপুরুষের অমৃত বানী গুলো যত পড়ি তত ভাবি সত্যিই আমি মানুষ হতে পেরেছি তো।.আশায় রইলাম নেতা তথা মন্ত্রী দের বিবেক জাগ্রত হবে। 

Thursday, 10 January 2019

বছরের শুরুতে স্কুলে ভর্তি সব ছাত্র ছাত্রীদের বই নেই, আছে শুভেচ্ছা পত্র।

জানুয়ারি মাসে প্রতিটি বিদ্যালয়ে ভর্তির সময়। ছাত্র ভর্তি সেতো আজব নিয়ম জানুয়ারি মাসের ২রা জানুয়ারি জণ্ম তারিখ হলে আর ভর্তি নেই, যারা নতুন বিয়ে করেছ ভাই শুনে নাও সন্তানের জন্ম যেন ১লা ডিসেম্বর থেকে ৩১ শে ডিসেম্বরের মধ্যে হয়, না হলে ২রা জানুয়ারি হলে তাকে সরকারি স্কুলে ভর্তি নেওয়া হবে না। তবে সারা বছর এবং যেকোন শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারে। এবার বছরের প্রথম বই দেওয়া হয়েছে, কীভাবে শিক্ষকের কাছে চাহিদা পত্র না নিয়ে ডাইস নামক একটা ফর্মাট দেখে যেটা প্রতি বছর পূরণ করতে হয়। ঐ ডাইস ফর্মাটে অনেক কিছু আছে শ্রেণি মেরামত দরকার খাবার জলের সমস্যা সেব দিকে মন নেই কিন্তু বই দিতে হবে ঐ ফর্মাট দেখে নির্দেশ ঐ ফর্মাটে প্রাক প্রাথমিকে ছাত্র ছিল ত্রিশ জন প্রথম শ্রেণীর বই দেওয়া হলো ত্রিশ টা কিন্তু সরকারের নির্দেশ সারা বছর বয়স অনুযায়ী যে কোন শ্রেণিতে ভর্তি করা যাবে, সেই অনুযায়ী প্রথম শ্রেণীতে আরও চল্লিশ বা তার বেশি ছাত্র ভর্তি হলো এবার বই দেওয়া নিয়ে শুরু হলো সমস্যা বলা হলো ৮/১/২০১৯ বই এর চাহিদা পত্র নিয়ে আসুন বই দেওয়া হবে। হঠাৎ করে বলা বই দেওয়া বাতিল হয়েছে দেওয়া হবে শুভেচ্ছা পত্র। এবার সমস্যা তৈরি হলো বই না পাওয়া ছাত্র ছাত্রীদের অভিভাবকদের জবাব দেবে কে প্রধান শিক্ষক শিক্ষিকা কারণ ঐ অফিস ধরা ছোঁয়ার বাইরে। এখনও পর্যন্ত কবে বই দেওয়া হবে জানান হলো না। অথচ ভর্তি করার আগে অফিস থেকে বলা হলো ছাত্র ভর্তি করুন বই পেয়ে যাবেন। ঘটা করে পুস্তক দিবস পালন করা হলো ২রা জানুয়ারি। অন্য দিকে দেখছি কিছু ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা বাজার থেকে বই কিনে পড়াচ্ছে । এমন ব্যবস্থা এই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা খুব সহজেই সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারে, আর সরকারি বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি করতে হলে নানা বাধা। আমার তো মনে হচ্ছে সরকার চায়না সরকার পোষিত প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে ছাত্র ভর্তি হোক। আমি তো অফিসের কথায় ছাত্র ভর্তি করেছি এখনো বই দিতে পারিনি, জানি না কবে বই দিতে পারব। বুঝতে পারছি না কবে ঐ বড়ো বড়ো বাবুদের মাথায় ঢুকবে যে শিক্ষক দের বাঁশ দিতে গিয়ে সরকারের বদনাম হচ্ছে। পরিশেষে বলি সকলে ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন ।

Tuesday, 1 January 2019

কম বেতনের কর্মী।

ছবি টি অন লাইন নিউজ পোর্টাল আজ বিকেলের থেকে নেওয়া। সর্বশিক্ষা অভিযান মিশনের নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষা বন্ধু দের আন্দোলন। আমি ওদের ঐ আন্দোলন কে সমর্থন করে লিখি, ভাই বন্ধু তোমরা কেউ দুঃখ করো না। তোমাদের থেকেও কম বেতনে কাজ করতে হয় আশা আর মিড ডে মিলের রাঁধুনি দে আই সি ডি এস রাঁধুনি আর কর্মী দের, এটা এরাজ্যের দস্তুর। শুধু এ রাজ্য কেন গোটা দেশে এরকম চলছে, এম পি এম এল এ দের বেতন বছর বছর বাড়ে। তাদের বেতন এখন যতটা সম্ভব একলক্ষ টাকা থেকে শুরু করে তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত আবার পেনশন আছে, কেবল কর্মী দের সময় টাকা নেই, পেনশন ও নেই। কর্মীদের বেতন দেওয়া বাংলার অর্থ মন্ত্রী কাছে খুব কষ্টের। আমি শুনেছি তিনি ব্যবসায়ী দের সংগঠন ফিকির সাথে যুক্ত ছিলেন। তিনি ব্যবসায়ী দের যুক্তি দিয়ে এসেছেন কীভাবে কর্মী তথা লেবার দের বেতন কম দিয়ে, সরকারি ঋণ শোধ না করে সরক ট্যাক্স না দিয়ে, মুনাফার পাহাড় করা যায়। উনি সেই সব প্রকল্পের জন্য জন্য টাকা দেন যেখান থেকে কাট মানি পাওয়া যাবে। ক্লাবে টাকা দেওয়া, জুতো দেওয়া, থালা দেওয়া, পোশাক দেওয়া, মদ খেয়ে মারা গেলে, কাট মানি নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী সড়ক যোজনা হয়ে যায় গ্রাম বাংলা সড়ক যোজনা, একশ দিনের কাজ ও তো কথাই নেই। কৃষকের ফসল বিমা আরও নতুন নতুন প্রকল্প চালু করতে চলেছে এই সরকার। ভাই ভাইপো দের পো বার এ বলে আমায় দেখ ও বলে আমায় দেখ সকালেই অন লাইন নিউজ পোর্টালে পড়লাম একজন ছোট্ট নেতা খুন হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী এতো বলা সত্ত্বেও বন্ধ হয়নি তোলা আর তোলা নিয়ে নিজ দলের মধ্যে মারামারি খুন খারাপি। কত প্রকল্প যে আরও ঘোষণা করা হবে তার ঠিক নেই, সব টাকা পাওয়া যাবে কিনা ঠিক নেই, কি কেন্দ্রীয় সরকার কি রাজ্য সরকার লোকসভা নির্বাচনে আগে কল্পতরু, যদিও প্রকল্প চালু করতে ধরে নেওয়া গেল টাকা আছে বা টাকা পাওয়া যাবে, তাহলে বলতে হবে সব কাজের জন্য টাকা আছে কিন্তু সরকারি কর্মীদের বেতন দেওয়ার জন্য টাকা নেই। তখন বামফ্রন্ট সরকার দেনা করে রেখে গেছে, এই সরকার কত ইতিমধ্যে বাজার থেকে ঋণ নিয়েছে সেটা কিছু না। সব মিলিয়ে সরকারি কর্মীরা ভালো আছি বলুন কাজ না করলে আপনি ভালো নয়, পেটে ভাত নেই, ছেলে মেয়েদের পড়ানোর টাকা নেই, তাতে কি বেতন নেই তো কি আছে ভয় দেখানো আছে। 

Monday, 31 December 2018

দু শো বছরের পরাধীন থাকার ফল।

আমার মনে হয় আমরা বাঙালিরা বড্ড বেশি করে আবেগ প্রবন। অনুকরণ প্রিয় জাতি, অপর জাতি ধর্ম বর্ণের বিভিন্ন অনুষ্ঠান পোশাক আসাক খাওয়া দাওয়া সব আমরা নকল করে দেখিয়ে দিই।আমরা ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাই কিন্তু বাংলা নববর্ষ ভুলে যাই। আমরা যীশু খ্রীষ্টের জণ্ম দিন পালন করে  বাড়িতে কেক কাটি আর. বিবেকানন্দ নেতাজী বিদ্যাসাগর রামকৃষ্ণ রামমোহন রায় এদের ভুলে যাই। আমরা কত মহান এবং কত সহনশীল, আমার গত 27/12//2018 প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটা প্রথম শ্রেণীর ছাত্রের কথা মনে পড়ছে। ঐ দিন স্কুলে পঠন মেলা আর প্রগতি পত্র দেওয়া হচ্ছিল। আর মিডে মিলে চিকেন হয়ে ছিল, আমায় একজন প্রথম শ্রেণীর মুসলিম ছাত্র এসে বলল স্যার আমি মাংস খাব না, মা বারণ করেছে। আমি মুসলিম রা মুরগি মাংস হালাল ছাড়া খায় না, আমি বললাম মাকে বল মাংস স্যার শেখ ছোট্টুর কাছ থেকে এনেছেন। এবার বল তুই খাবি কী না? ছেলেটা আমার থেকে থালা নিয়ে খেতে বসে ছিল । আমার কথা ওটা নয় দেখুন কীভাবে ঐ টুকু ছেলের মনে ধর্মের নিয়ম তথা খাবার ক্ষেত্রে ভেদা ভেদ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর আমরা বাঙালি হিন্দু জাতির লোক জন ঐ মুসলমান দের হালাল করা মাংস বিচার না করে খেয়ে নিচ্ছি। সত্যিই আমরা মহানুভব, আর এই মহানুভবতা দেখাতে গিয়ে আজ প্রকৃত বাঙালি হিন্দুর সংখ্যা তলানিতে ঠেকেছে। মুসলিম সমাজ আজ প্রায় ছ সাতশ বছর ধরে বাংলা তথা ভারতের বাসিন্দা তবুও তারা হিন্দুদের বা অন্য ধর্মের সাথে মিশতে জানেনা না। অন্য ধর্মের অস্তিত্ব স্বীকার করে না। অন্য ধর্মের লোকজন ওদের কাছে কাফের তাদের খুন করে দেও। না হলে তারা আমাদের ধর্ম গ্রহণ করুন। এটি মুসলিম ছেলেদের ছোট থেকেই শেখানো হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের আজ পর্যন্ত যতগুলো সরকার শুধু পশ্চিম বঙ্গের ভারতের স্বাধীনতা সময় থেকে সংবিধান রচনার সময় যে সব মহান পুরুষ ছিলেন একজন তো মাউন্ট ব্যাটেনের বাড়িতে চাকর ছিলেন। তিনি ভারতের মহাপুরুষ হয়ে গান্ধী কে হাত করে প্রধানমন্ত্রী হয়ে বসে পরে ছিলেন। লোক মরুক আমি লুটে খাই, সেই যে বাঙালি হিন্দু জাতির ধ্বংসের শুরু আর ঘুরে দাঁড়াতে হয় নি। সংবিধান কেবল মাত্র বর্ণ হিন্দুদের জন্য আর বাকিদের কোনো আইন নেই। যত খুশি বিয়ে কর সন্তান জন্ম দেবার আইন তাতেও মুসলিম সমাজ যতখুশি বিয়ে করে সন্তান জন্ম দেবে। এটা তাদের ধর্মের আইন ভারতের সংবিধান তাকে নাকি এই সুযোগ দিয়েছে। জনগনার সময় মিথ্যে বলে নিজেরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোক ঠিক করে রাখবে। এখনতো এই রাজ্যে বাঙালি হিন্দুরা সংখ্যা লঘু, যে সব গরীব মানুষ হিন্দু তাদের কি হলো দেখার দরকার নেই, সংখ্যালঘু স্কলারশিপ পেল কি না সাত বার খোঁজ নিয়ে চলছে।
কত উপরে তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী নামাজে অংশ নিচ্ছেন। রোজা পালন করছেন। তারকেশ্বরের বাবার মন্দিরের ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান করে দিয়েছেন একজন মুসলিম মানুষ কে? এর জন্য আমি দুঃখিত নই, তবে আমার একটা একান্ত আবেদন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দিদি আপনি কোন বড়ো মসজিদ বা মাজারের প্রধান পদে কোনো হিন্দু ধর্মের লোক কে বসিয়ে দেখান। দেখতে আপনি পশ্চিমবঙ্গের ঐ জাতিটি কে কতটা ধর্ম নিরপেক্ষ করতে পেরেছেন। সামান খাখাবার বিষয়ে যারা বাদ বিচার করতে পারে তাদের আপনি যতই তোলাই দিন তারা এখনও ঐ শোর্ড বা তরোয়াল নিয়ে মিশাইয়েলের সঙ্গে লড়াই করতে যাবে। আধুনিক শিক্ষা নেবে না, কারণ এখনও তারা বাঙালি তথা ভারতীয় নয়। 

Sunday, 30 December 2018

সমীক্ষা রিপোর্ট পাঠ্যসূচীর জন্য পিছিয়ে পড়ছে রাজ্যের পড়ুয়ারা।

আজ ৩০ শে ডিসেম্বর ১৮ আনন্দ বাজার পত্রিকায় অন লাইন খবর । এস সি আর টির সমীক্ষায় পাঠ্যসূচীর জন্য পিছিয়ে পড়ছে এই রাজ্যের পড়ুয়ারা। আমি এর আগেও লিখছি যে এই পাঠ্যক্রম বা পাঠ্যসূচীর জন্য অনেক অভিভাবক সরকারি বা সরকার পোষিত বিদ্যালয় গুলোতে ছেলে মেয়েদের ভর্তি করতে চায় না।কেবলমাত্র যে সব বিদ্যালয়ের সাথে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় আছে সেখানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের ভর্তি করা হয়। এখানেও কিছু ভালো অভিভাবক যাদের একটু পয়সা আছে তারা বেসরকারী বিদ্যালয়ে ভর্তি করে। কারণ পাঠক্রম সরকার পোষিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক প্রাথমিক শ্রেণীতে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে ভর্তি, পাঠ্য বই কী ১) কাটুম কুটুম ২) মজারু কোনো পাঠ্যসূচীর ঠিক নেই। আর ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা বেসরকারী বিদ্যালয়ে তিন বছর বয়সে ভর্তি তারা নিজেদের মতো পাঠক্রম তৈরি করে নিতে পারে। নার্শারি থেকে কেজি ২ পর্যন্ত নিজেদের মতো বাংলা অঙ্ক ইংরেজি বিজ্ঞান শেখায়। আগে এই পাঁচ বছরের ছেলে মেয়ে প্রথম শ্রেণী তে ভর্তি হতে পারত পাঠক্রম ছিল বাংলা অঙ্ক ইংরেজি, দ্বিতীয় শ্রেণির পাঠক্রম এর সাথে সামঞ্জস্য করে পড়ানো হত। এখন কোন মাথা মুণ্ড নেই কোন শ্রেণীর সাথে কোন শ্রেণীর মিল নেই কী যে অঙ্ক ইংরেজি শিখছে তার ঠিক নেই। প্রথম দ্বিতীয় শ্রেণির ইংরেজির কোনো ঠিক ঠিকানা নেই, তৃতীয় চতুর্থ শ্রেণির ইংরেজি শব্দ গ্রামের ছেলে মেয়েরা উচ্চারণ করতে পারে না। বাংলায় কবিতা গদ্য কোনো ঠিক নেই। তৃতীয় শ্রেণির বাংলা বই এ একটি গল্প আছে কাল্পনিক কথা বলব না অন্য কিছু বহু যুগ আগে গাছেরা চলা ফেরা করতে পারতো ইত্যাদি ইত্যাদি। আমার পরিবেশ বইটি কিছু শেখার মতো নেই। অঙ্ক সে বলা যাবে না, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির আমার বই এ কয়েক পাতা এক বা দু সংখ্যার যোগ বিয়োগ একটু গুন একটু ভাগ তৃতীয় শ্রেণির গনিত শিক্ষা গুননীয়ক গুনিতক সামান্য আছে স্থানীয় মান প্রকৃত মান আছে, আর অল্প বিস্তর তিন সংখ্যার যোগ বিয়োগ আর একটু ভাগ ব্যাস। বিয়োগ শেখাবার পদ্ধতি সেই বাম আমলে যা ছিলো তাই ভেঙে নিয়ে মাথায় লেখা, ঐ পদ্ধতিতে বিয়োগ করতে গিয়ে ছাত্র ছাত্রীরা হোঁচট খায় ভাগ করতে গিয়ে। সেখানে আর মাথার উপর লেখার জায়গা নেই। বামফ্রন্ট সরকারের কিছু ক্যাডার মাস্টার প্রশিক্ষণ শিবির চালাত আর বলত এই পদ্ধতি নাকি বিজ্ঞান সম্মত। এখন সেই ক্যাডার মাস্টারা প্রশিক্ষণ শিবির থেকে প্রশিক্ষণ দেয় আর এক কথা বলে। আমাদের মতো কিছু শিক্ষকের সত্যিই খুব খারাপ লাগে যে সরকার পরিবর্তন হলো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বই গুলো আর সঠিক ভাবে তৈরি হলো না। যেখানে প্রাক প্রাথমিকে বাংলা, অঙ্ক, ইংরেজি, প্রথম শ্রেণীতে সামঞ্জস্য রেখে বাংলা, অঙ্ক, ইংরেজি, এই বই গুলোতে ইংরেজি হবে সহজ ছোট ছোট বাক্য তৈরি করা। সামান্য পাঠ্য বই পড়া। আর অঙ্ক হবে এক অঙ্ক থেকে দু অঙ্কের সংখ্যার যোগ বিয়োগ ভেঙে নিয়ে মাথায় লেখার পদ্ধতি থাকবে না। দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছাত্রীরা ইংরেজি শিখবে একই ভাবে, অঙ্কে যোগ হবে। গুনের নামতা গুন দুই সংখ্যার গুন গুন্য গুনক গুন ফলের ধারণা। আর ভাগ হবে ভাজ্য ভাজক ভাগফল বোঝানো এবং সহজে বুঝতে পারে এমন ভাগ।তৃতীয় শ্রেণি ইংরেজি হবে অন্য শ্রেণীর সাথে সামঞ্জস্য পূর্ণ, অঙ্ক হবে গুননীয়ক গুণিতকের ধারণা সামান্য লসাগু গসাগু চতুর্থ শ্রেণির অঙ্ক হবে ভগ্নাংশের ধারণা দশমিক ও সাধারণ ভগ্নাংশের ধারণা লসাগু গসাগু যোগ বিয়োগ ইত্যাদি। জানি আমার এ লেখা কেউ পড়বে না। আর পরিবর্তন হবে না। সেই বাম আমলের থেকে দেখে আসছি কোন সরকার প্রাথমিকের সিলেবাস বা পাঠ্যসূচীর পরিবর্তন করল না। বাম আমলে ঐ বিয়োগ অঙ্ক বাদে তবুও কিছু পড়ানোর ছিল। আবেদন করা যেত তবে ক্যাডার দের মাধ্যমে, ঐ ভূতের বিয়োগ বাদে সব অল্প অল্প পরিবর্তন করত। আর এখন কে কার কথা শোনে কোনো কিছু বললেই সে বিরোধী বলে তাকে বিভিন্ন রকম ভাবে জব্দ করার ফন্দি করে। কত রকম পরিদর্শক পঞ্চায়েতের ঝাড়ু থেকে উপর মহল সকলে আসে খুঁত খুঁজে বের করতে হবে এটা তাদের উপর নির্দেশ থাকে। আর যদি সামান্য খুঁত খুঁজে পাওয়া যাওয়া যায় তাহলে সোনায় সোহাগা না হলে ধমকানি চমকানি তো আছেই। চোখের সামনে দেখি এখন কার এই বই আর ২০১১ সালের পর নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষকের কাজ হচ্ছে না পড়িয়ে মোবাইল ফোন নিয়ে শ্রেণি কক্ষে নেট ফেসবুক করে গান শুনে বাড়ি যাওয়া যখন তখন আসব যাব পড়াব না। আমাদের সরকার আমরা যা খুশি তাই করব। কিছু বললে সব ধরনের নেতা আর অফিসের ফোন করে তাদের দিয়ে ভিজিট করিয়ে প্রধান শিক্ষক কে জব্দ করা।আর বেশি কিছু লিখেছি না, এমনিতেই কথা বললেই বিরোধী, না হলে মাওবাদী তকমা জোটে, প্রকৃত পরিবর্তন আর হলো না। 

Tuesday, 25 December 2018

রাজা তোর কাপড় কোথায়?? বলার লোকটি আর আমাদের মাঝে নেই।

আজ আমার মতো এই অখ্যাত কুখ্যাত বাঙালির শোকের দিন রাজা তোর কাপড় কোথায় বলার মানুষ টি আমাদের মধ্যে নেই। আমি কবি কে কাছ থেকে দেখেছি সিঙ্গুর বইমেলার উদ্বোধন করতে এসে ছিলেন, সাল ঠিক মনে নেই, সিঙ্গুর বইমেলার সাংস্কৃতিক মঞ্চ থেকে উদ্বোধনী ভাষণ দিয়ে তিনি চলে এলেন ফিতা কেটে দ্বার সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিতে। সেই সময় আমি পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম, মনে পড়ছিল " উলঙ্গ রাজা" সেই বিখ্যাত লাইন "রাজা তোর কাপড় কোথায়?" আরেকটা কবিতার লাইন " অমল কান্তি রোদ্দুর হতে চেয়েছিল।" সত্যিই এসব কবিতার লাইন গুলো মিথ হয়ে গেছে। এখন তো এই বাংলায় সত্যিই সঠিক মানুষ নেই, যে সত্যি কথা বলতে লিখতে পারে। উনি ঐ একটা লাইন " রাজা তোর কাপড় কোথায়? " দিয়ে অনেক না বলা কথা বলে দিয়েছেন। বর্তমান পশ্চিমবঙ্গে তৈল্য মর্দনকারি অনেক আছেন। একটা পুরস্কার আর কিছু টাকা পাওয়ার জন্য তারা দিন কে রাত বলতে দ্বিধা বোধ করে না। চোর কে চোর বলার সাহস নেই, চোখের সামনে খুন করতে দেখে তাকে খুনি বলা যাবে না। মিথ্যাবাদী কে মিথ্যাবাদী বলার মতো লোক নেই। সেই বাঙালি আজ কোথায়? যে কথায় কথায় মানুষের ঘুম ভাঙিয়ে জাগিয়ে তুলতে পারে। এখন বিবেকানন্দ কে নিয়ে বিবেক চেতনা উৎসব করি কিন্তু নিজেদের বিবেক নেই। নিজের বিবেক মনুষ্যত্ব বিসর্জন দিয়ে, আজ আমরা একটা অমানুষে পরিনত হয়েছি। তাই চোখের সামনে অন্যায় হচ্ছে দেখেও আমরা চুপ করে থাকি, কিছু বলতে পারি না, কারণ আরেক জন বিবেকানন্দ আর এই বাংলায় আসেনি। আরেক জন সুভাষ চন্দ্র বোস জণ্ম গ্রহণ করেনি। যিনি সঠিক নেতৃত্ব দিতে পারেন, এরকম একজন নেতা তথা বাংলা তথা ভারত মাতার বীর সন্তান তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য তৎকালীন বাঙালি সাংসদরা বা নেতারা কোনো কিছু করেনি। কেবল পদের জন্য দিল্লির বিশেষ একটা পরিবারের সদস্যদের পদে তৈল্য মর্দন করে গেছেন। আমার মাঝে মাঝে মনে হয় এ কেমন বাংলা যেখানে সত্যি কথা বলা যাবে না। সত্যি কথা বলেছ কি? শাস্তি অবধারিত কিন্তু আজ যিনি ৯৪ বছর বয়সে মারা গেলেন। তিনি জণ্ম গ্রহণ করে ছিলেন দেশ স্বাধীন হবার ২৪ বছর আগে। তিনি ছিলেন একজন সত্যিকারের কবি তাঁকে আমার পক্ষ থেকে জানাই সশ্রদ্ধ প্রণাম। জীবিত থাকা কালেই ওনার অনেক লেখা বিভিন্ন শ্রেণীর পাঠ্য, এরকম একজন কবি কে আমি জানাই অন্তরের শ্রদ্ধা,প্রিয় কবি তুমি বেঁচে থাকবে আপামর বাঙালির মনের মনিকোটায়। 


মুখ্যমন্ত্রী মুখে কালী মাখানো খারাপ কাজ করেছেন।

ছবি টি ডেইলি হান্ট নিউজ ওয়েব সাইট থেকে নেওয়া হয়েছে। যে রাজনৈতিক দল করুক কাজ টা মোটেও ভালো হয় নি। তবুও ভালো যারা কাজ টা করেছে তারা ছবি তে কালি মাখিয়েছে। যে রাজ্যে বিবেকানন্দ ও নেতাজির মত মহান ব্যক্তি দের মূর্তি তে কালি দেওয়া হয়। পুলিশ প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয় না। আর ইনি জীবন্ত কিংবদন্তি কী জানেন না। বাঙালির গর্বের মুখ্যমন্ত্রী যিনি চিটফাণ্ডে গরীব মানুষ সর্বসান্ত্র হওয়ার পর বলেন যা গেছে যাক ও নিয়ে দুঃখ করে লাভ নেই। ধর্ষণ সে তো শরীরের জ্বর জ্বালার মতো, ও হবেই, সারা বছর মশা মারার মতো মানুষ খুন হবে ও স্বাভাবিক ঘটনা। অধ্যাপক অধ্যক্ষ শিক্ষক নিগ্রহ বেকার যুবক দের চাকরি না পেয়ে আন্দোলন পুলিশের লাঠি খাওয়া ও স্বাভাবিক ও ছোট্ট ঘটনা। চাকরি দেওয়ার নামে প্রহশন সবই ভালো, কর্মীদের বেতন না দিয়ে নিজের বেতন বাড়ানো সেটাও ঠিক। আমি ছোট ভাই হিসেবে একটা পরামর্শ দিতে পারি দিদি আপনি ভালো ছবি আঁকতে পারেন। তুলির একটান দুটান দিলেই ছবি আপনার ছবি কোটি টাকা দাম। দয়া করে আপনি যদি ছবি এঁকে রাজ্যের দেনা শোধ করে দেন, তবে রাজ্যবাসি আপনার কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবে। আপনি ভালো বই লেখেন আপনার লেখা কবিতা পড়ে কিছু খারাপ লোক মজা করে, ওদের পাত্তা দেবেন না কেমন। গত পূজোয় আপনার লেখা গান সর্বত্র শোনা যাচ্ছিল। আপনার এতো গুন তবুও আপনার ভালো দেখতে পারে না। আপনি কী করেন আপনার দলে হাজার গোষ্ঠী সবাই মিলে একে অপর কে মারছে। আপনি কী করেন, জনগণ তো আর মানুষ নয় ও দু টাকার মুরগির মতো, আপনার ভাইয়েদের বলুন যত পারবে মারুক। আসছে লোকসভা নির্বাচনে কর্মসংস্থানের ঘোষণার ফুলঝুরি ছুটছে। কোন কাগজে বিজ্ঞাপন নেই, মুখে কর্মী নিয়োগ হলে বেতন দিতে হবে না। আর যদি নিয়োগ করা হয় তবে বেতন মেলা দূস্কর, রাজ্যের অনেক কর্মী সর্বোচ্চ দশ হাজার টাকা বেতন পাচ্ছেন। চপ শিল্প হয়েছে, মুড়ি শিল্প হয়েছে, কত কিছু যে হলো কবে যে মানুষ মুক্তি পাবে জানি না। আজ পড়লাম মদ খেয়ে বাড়িতে রোজ অশান্তি হচ্ছিল, শিলিগুড়ির একটি পরিবারের আজ চরম পরিনতি ঘটেছে, মাতাল তার স্ত্রী কে খুন করেছে । আর এই রাজ্যে দেদার মদের দোকান খোলা হচ্ছে। আমরা বিহারের থেকেও পিছনে সেখানে মদ বন্ধ বা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আর আমাদের রাজ্যে মদ চুল্লুর বাড় বাড়ন্ত পূজার আগে আর বিষ মদ খেয়ে কেউ মারা গেলে অভিযানে নামে, তার পর যে কে সেই, আর পুলিশ যাওয়ার আগে ডাক বাবু ফোন করে বলে দেয় আমরা যাচ্ছি। এই তো চল্লু ধ্বংস করার চেহারা। আর লিখছি না, কারণ যে নিজে প্রতিদিন দেখছেন মানুষ খুন হচ্ছে। করছে কারা কাগজ টিভি চ্যানেল যেই শাসক দলের নাম বলছে, পুলিশের ঘাড়ে কটা মাথা আছে তাকে ছোঁয়। এমনিতেই নানা চিটফাণ্ড কেলেঙ্কারির কালি মেখে বসে আছেন। তাই ছবিতে আর কালি মাখিয়ে লাভ কী? যে অঙ্গে এতো কালি তার ছবিতে কালি মাখিয়েছে যারা সত্যিই অন্যায় করেছ।