Sunday, 14 July 2019

এক মাত্র বামপন্থীরা পারে সঠিক পথ দেখাতে ।

একমাত্র বামপন্থীরা পারে সঠিক পথ দেখাতে, তাই যে কোন নির্বাচন যদি সঠিক ভাবে পরিচালিত হয়, সেখানে বামেদের জয় নিশ্চিত। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে একটি নির্বাচন ও সঠিক ভাবে বিনা রক্ত পাতে হয়নি। বামপন্থীরা যেতে কারণ তারা দুর্নীতি গ্রস্থ নয়, এবং সর্বোপরি তারা শ্রমিক কর্মচারী দের নিয়ে নিতী নির্ধারণ করে এসেছে। কিছু দূর্নীতি গ্রস্থ মানুষ বামপন্থী দের সাথে মিশে, বামেদের বদনাম করে, 2011 সালে ক্ষমতায় আসতে দেয়নি। যে সব মানুষ এসব করে ছিল, তারা এখন কাট মানির দলে, কে কত খেতে পার বা লুটে নিতে পার তার প্রতিযোগিতা চলছে। ইচ্ছা হলে সাধারণ মানুষের দিকে একটু রুটি ছুঁড়ে দিচ্ছে, খুব ঘেউ ঘেউ করলে ডিএ জুটছে, যারা সেদিন মহাকরণ ভাঙচুর করে ছিল ডিএর জন্য, তারা এখন চুপ, আর শিক্ষকের কথা সে তো তথৈবচ, সে যে স্তরের শিক্ষক হোন না কেন, কেউ রেহাই পাচ্ছে না। একমাত্র শাসক দলে নাম লেখালে, এবং হীরক দেশের রাজা সিনেমার মতো, শ্রমিকদের বেতন নেই, শিক্ষকের পড়াবার অধিকার নেই, কেবল মি ডে মিল খাওয়া হলো কিনা তার হিসেব করা। আর জামা, জুতো,সাইকেল, কন্যাশ্রী রূপ শ্রী, বই বিলি, বিএলও ডিউটি আরও নানা কিছু। এতো কিছুর পরেও পান থেকে চুন খসলে হলো, এবার সে যদি বাম সমর্থক হয়, তাহলে তার কপালে অশেষ দুঃখ প্রথমে বদলির নির্দেশ, অন্য রাজ্যে তো দিতে পারে না, এই রাজ্যের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। এভাবে যদি দমান না যায় তাহলে, সাময়িক বর। খাস্ত। অর্থাৎ শাস্তি তাকে পেতে হবেই। পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে, প্রতিটি নির্বাচন যদি শান্তি পূর্ণ হতো তাহলে বামফ্রন্ট অনেক অনেক আসন পেতে পারতো। বর্তমান শাসক দল গনতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিচ্ছে। 

Friday, 21 June 2019

আজ সকাল থেকে একটা খবর ঘুরেছে অনলাইনে পুজোর আগে পে কমিশন।

আজ সকাল থেকে অনলাইনে একটি খবর ঘুরেছে যে সরকারি কর্মীদের বেতন কমিশন দেওয়া হবে পুজোর আগে। প্রায় সব অন লাইন সংবাদদাতা যেন কতটা আগ্রহ নিয়ে এই সংবাদ লিখেছেন। সংবাদদাতারা উল্লেখ করেছেন না তারা সংবাদ টি কোথায় পেলেন, আসলে গত ১৩/৬/১৯ তারিখে অভিরূপ সরকার কে ডেকে মুখ্যমন্ত্রী কি নির্দেশ দিয়েছেন। সেই গোপন কথা কেউ জানে না, কারণ তখন এই সংবাদ মাধ্যম গুলো লিখেছিল, আগামী ১লা জুলাই থেকে বেতন কমিশন চালু হবে। যদিও কোন বছরের জুলাই সেটা বলেনি। সেখানে ও বিভ্রান্তি ছিল, বলা ছিল জুনে জমা পড়বে আর জুলাই থেকে পাবেন সরকারি কর্মীরা, কিন্তু কোন সালের জুন মাসে সেটা ছিল না। সেদিন ঐ সব খবরে বলা ছিল ২২ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি হবে, আজ যে খবর কে বলল উল্লেখ না করে অনলাইনে ঘুরে বেড়াচ্ছে, সেখানে ১৪%বাড়বে বলা হচ্ছে।
এই বেতন কমিশন নিয়ে যে নাটক মঞ্চস্থ হচ্ছে, গত পাঁচ বারের বেতন কমিশন নিয়ে এতো নাটক হয় নি। আমার যতদূর জানা আছে প্রথম পে কমিশন নিয়ে এরকম একটা নাটক মঞ্চস্থ হয়েছিল। সেই বেতন কমিশন দিনের আলো দেখেনি। সেই এই রাজ্যের কর্মীরা সপ্তম জায়গায় ষষ্ঠ বেতন কমিশন পান, বামফ্রন্ট সরকার পঞ্চম বেতন কমিশন দিলেও, কেন্দ্রীয় ষষ্ঠ কমিশনের সমান বেতন কাঠামো দিয়ে ছিল। আর সেই পঞ্চম বেতন কমিশন লাগু হয়েছিল গত ২০০৯ সালের এপ্রিল মাস থেকে এবং ২০০৬ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে নোশনাল ফিক্সশেন ছিল। ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০০৯ সালের মার্চ পর্যন্ত এরিয়া দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়ে কেন্দ্রীয় বেতন কমিশন অনুযায়ী বেতন কাঠামো পে ব্যণ্ড ও গ্রেড পে তে ভাগ করে বেতন কাঠামোর যতটা সম্ভব কমিয়ে এনে মূল বেতন কে ১.৮৬ দিয়ে গুণ করে, মূল বেতন ঠিক করে গ্রেড পে যোগ করে বেসিক তৈরি করা হয়েছিল। আমি এখন এই পে কমিশন নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। আমার মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী কাছে একটা প্রশ্ন আপনি এই বিভ্রান্তি দূর করুন। আপনি গত ১৩/৬/১৯ তারিখে বেতন কমিশনার কে কী বলে ছিলেন? আমি এও জানি আপনি সরকারি কর্মীদের বিশ্বাস করতে পারেন না, অথচ সব সরকারি কাজ তারা করে দেয়, দেখুন আপনি বাচ্ছা দের জুতো দিলেন সেই জুতো দিয়ে পিটুনি খেল শিক্ষক। আবার SHG পোশাক দেবে, তার জন্য শিক্ষকদের কপালে কি আছে জানি না। আর কোনও কথা লিখছি না, আপনি বিভ্রান্তি দূর করুন সঠিক ভাবে বলুন আদৌ আপনি বেতন কমিশন বা ডিএ দেবেন কিনা? আপনি ছাড়া আর কেউ নেই, যে জানে আদৌ বেতন কমিশন দিনের আলো দেখবে কি না! আবার শিক্ষকের আশা আপনি তাদের পি আর টি স্কেল দেবেন। যদি এই লেখা টি পড়েন, তবে আশা করি আপনি সঠিক ব্যবস্থা নেবেন বিভ্রান্তি দূর করে দেবেন। 

Sunday, 9 June 2019

মনে হচ্ছে, বর্তমান শাসক দল আর শাসন ভার বহন করতে পারছে না। চাইছে, রাষ্ট্রপতি শাসন!

বর্তমানে রাজ্যের শাসক দল মনে হয়, আর রাজ্য শাসন করতে চাইছে না। বাম আমলে শেষে এবং এই সরকারের আগমন থেকে আজ পর্যন্ত রাজনৈতিক সংঘর্ষ প্রতি নিয়ত ঘটছে, আর ভোট এলে তা বাড়ে, পুলিশ কে মারা, বিরোধী দলের প্রচার বা কোন সমাবেশে মিটিং মিছিল করার অনুমতি নেই এই রাজ্যে, অথচ তিনি অর্থাৎ বর্তমান শাসক দল বাম আমলে লাগাতার বনধ, ধর্মঘট, মিটিং মিছিল করে, রাজ্যের শিল্প সম্ভবনা কে ধুলিসাৎ করে অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে ক্ষমতা দখল করে ছিল। জঙ্গল মহলে প্রতিনিয়ত মানুষ খুন, লাশ পড়ছে, সেই সময় আর আজ বেগম সাহেবা পশ্চিম বঙ্গ কে পশ্চিম বাংলাদেশ তৈরি করতে চাইছে। সেই জন্যেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার শ্লোগান " জয় বাংলা" কে নিজের দলের শ্লোগানে পরিনত করেছে। তিনি তার কর্মী দের নির্দেশ দিয়েছেন ভোটের পর ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নেবেন। পুলিশের কথা বলে লাভ নেই, এ রাজ্যে পুলিশ বলে কিছু নেই, না হলে পুলিশ মন্ত্রী নিজেই আইন শৃঙ্খলা আনতে ঘর ছাড়া দের ফেরাতে ভাট পাড়ায় ধরনায় বসতে যায়। পুলিশের মেরুদন্ড ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে, টেবিলের নীচে লুকানো, মার খাওয়া কান ধরে উঠবস, পুলিশ কে বোম মারা আরও কত কি, এর পর আর পুলিশের ক্ষমতা নেই, রাজ্যে বেগম সাহেবার বিরুদ্ধে যায়। আর রাজ্যের গুণ্ডা বাহিনী জানে বেগমের দলে থাকলে কেউ টিকি ছুঁতে পারবে না। উনি চাইছেন রাজ্যের মানুষ অস্ত্র তুলে নিক আবার ছে চল্লিশ সালের মতো দাঙ্গা হোক, বা বাহাত্তর সালের মতো গৃহ যুদ্ধ হোক, তাহলে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হবে। উনি বলতে পারবেন, দেখ বি জে পি সরকার আমার নির্বাচিত সরকার টা ভেঙে দিয়ে ভোট চাইতে শুরু করেছে। ক্ষমতার এতো লোভ, এরা ক্ষমতা লোভী দল ইত্যাদি প্রচার করে সহানুভূতি ভোটে জিতে আসবে সেই জন্যই একজন মুখ্যমন্ত্রী উস্কানি মুলক বক্তব্য রাখছেন। আগামী ভোটে রাজ্যে বি জে পি আসছে এটা পরিষ্কার তাই উনি নিজের ক্ষমতা ধরে রাখতে চাইছেন, রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হোক। মনে আছে বাম আমলে তিনি কথায় কথায় 356 ধারা আর সি বি আই চাইতেন। আইন শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে উনি ফিরিয়ে আনবেন না। রাজ্যে আইনের শাসন ফেরত আনলে ওনার ক্ষতি। এর প্রতিকার দুটো রাজ্য জুড়ে আন্দোলন, আর তাতে না হলে, ঝোপ বুঝে কোপ না এই বাংলা পশ্চিম বাংলা দেশ হয়ে যেতে বেশি দেরি লাগবে না। বাঙালি ঘুমিয়ে থেক না, অত্যাচারিত হবার পর কেবল কেঁদে আর অভিশাপ দিয়ে কোনো লাভ নেই। ঠাকুর স্বর্গ থেকে নেমে এসে তোমার সাথে যোগ দেবে না। নিজেদের বুদ্ধি দিয়ে এর মোকাবিলা করতে হবে। যদি প্রয়োজন হয় তবে ঠাকুরের দশ হাতের... গুলো রইল, কিছুটা আধুনিক অত্যাধুনিক... নিয়ে আসতে হতে হবে। এই রাজ্যের পুলিশ কিছু করবে না, কোনো শাস্তি হবে না। ঐ সমাজের কীট গুলো আগে সি পি আই এম করত এখন টি এম সি করছে, এবার দেখতে হবে, ঐ কীট গুলো যেন বিজেপি তে না ঢোকে। ওদের খতম করার জন্য মানুষ বিজেপি কে ভোট দিয়েছেন। তাদের মর্যাদা দিতে হবে, ওদের খতম করতে হবে, না হলে শ্যামা প্রাসাদের পশ্চিমবঙ্গ গঠন করার স্বপ্ন সফল হবে না। 

Sunday, 2 June 2019

মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী সমীপে ।

আমি জানি না আপনি আমার লেখা এই পাতাটি পড়বেন কি না? আপনি যদি পড়েন তবে আপনার ঐ প্রশ্নের উত্তর আমি দিতে পারি, আপনার সাথে যারা বৈঠক করেছেন, আমি পড়লাম তারা বলেছে, ডিএ ও পে কমিশন পি আর টি স্কেল নেই, তাই ভোট কমেছে। আমি ওদের সাথে একমত ঐ গুলো মূল কারণ, কারণ আমারও দাবি ঐ গুলো, তাছাড়াও আরও কত গুলো বিষয় আছে, সে গুলো আপনার গোচরে এনেছেন কিনা জানি না। প্রথমে আসে মি ডে মিল নিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের H. T. ও T. I. C. হয়রানির শেষ নেই, সিঙ্গুর ব্লকে বা বিধান সভায় হেরেছেন নিশ্চয়ই, হয়রানির উদাহরণ হিসেবে দিই, অনেক দিন আগে এই নিয়ে লিখেছিলাম, কিন্তু কোন ফল হয়নি। এবার মি ডে মিল নিয়ে সিঙ্গুরের শিক্ষকের হয়রানির হিসেবে আমার মনে হয় এসব রাজ্যের সর্বত্র, মনে করুন জানুয়ারি ফেব্রুয়ারি মার্চ মাসের 78 দিনের চাল এলো এপ্রিল মে জুন মাসে জন্য। এবার এপ্রিল মে জুন খাওয়ানোর দিন 46 দিন, কত দিনের বাঁচাতে পারে? আর সবদিন সমান মানে 100 গ্রাম চাল লাগে না, তাহলে আরও কিছু বাঁচল, এবার ঐ বাঁচা চালে পোকা ধরে গেল, দোষ কার প্রধান শিক্ষকের, কারণ তিনি খাওয়ানি তাই চাল বেঁচে গেছে। তার সাথে আর একটা কথা শুনতে হবে, না খাইয়ে পয়সা খরচ করে দিলেন।এই কথাটার অর্থ নিশ্চয়ই বোঝেন, প্রধান শিক্ষক চোর। এই বিষয়ে আরেকটু লিখি এখন ছাত্র পিছু 4 টাকা 35 পয়সা দেওয়া হয়। 100 জন ছাত্র থাকলে 85 জনের, তাহলে কোনো বিদ্যালয়ে 100 জন ছাত্র ছাত্রী আছে, 85 জনের টাকা পেলে এক দিনের কত টাকা হয়। 85 x 4.35 = 369.75 =370 টাকা এবার একদিনের খরচ ধরা যাক একদিন বিদ্যালয়ে 75 ছাত্র ছাত্রী এসেছে, খাবে 60 জন, ঐ পোকা ধরা চাল গন্ধ ভাত খেতে চায় না, স্বাভাবিক ভাবে চাল 6 কিলোর পরিবর্তে 5কেজি নেওয়া হলো। পোকা পরিস্কার করতে গিয়ে 1 কেজি বাধ গেল। আগে বাম আমলে বাড়তি চাল ছাত্র দের দিয়ে দেওয়া যেত, আপনার মতো একজন মানুষ আছেন নির্দেশ দিয়েছেন আর কি করা যাবে। এবার ঐ দিনের খরচ 60 খেলে 9 কেজি আলু, যে কোন আনাজ 4 কেজি, পিঁয়াজ 2 কেজি, লঙ্কা 100 গ্রাম আদা 200 গ্রাম। সর্ষে তেল 500 গ্রাম অন্য মশলা ( জিরে, ফোড়ন, ইত্যাদি) জ্বালানি গ্যাস 60 গড়ে হলে একটা 14 কেজি গ্যাস 8 থেকে 10 দিন চলে। ডাল লাগবে 600 এবার হিসেবে করি 9 কেজি আলু 9x16=144 টাকা 4 কেজি আনাজ 35 টাকা কেজি দরে 140 টাকা 2 কেজি পিঁয়াজ 20 টাকা দরে 40 টাকা 100 গ্রাম কাঁচা লঙ্কা ও আদা মিলে 37 টাকা, স:তেল 500 গ্রাম 55 টাকা 600 গ্রাম (মুসুর) 54 টাকা জ্বালানি 10 দিন ধরে 80 টাকা। মোট 144+140 +40+37+55+54+80 =550 টাকা, আর খরচ করার কথা কত টাকা, 4.35 x60 =262 টাকা, এই যে বাড়তি টাকা খরচ দেখানো যাবে না। আর ডিমের দিনের হিসেবে করলে, যদি 80 জন খায়। ডিমের দাম 80x5=400 টাকা খরচ করতে পারা যাবে কত 80x4.35=348 টাকা এবার ঐ দিনের জ্বালানি আলু পিঁয়াজ মশলা তেল সব নিয়ে কত হতে পারে। যেই ছাত্র সংখ্যা দিয়ে গুণ করে মিলছে না তখন বলা হচ্ছে, আপনি কেন বেশি খরচ করেছেন? এবার শিক্ষকের কাজ কিভাবে কম করা যায় আনাজ পত্র কম তেল মশলা কম এনে মেলানো, কিন্তু বিদ্যালয়ের ছাত্র অনুযায়ী সে 370 টাকা সে খরচ করতে পারলে টাকাও বাঁচত না মোটাামুটি খাওয়ানো যেত। এবার ঐ হাজিরা আর খাওয়া ছাত্র হিসেবে করতে গিয়ে  করে খাওয়াচ্ছে, ডাল, তরকারি একবারের বেশি দেওয়া যায় না, ডাল হচ্ছে কোথায় ও তো জল, সব আপনার দয়া আপনি বলেছেন যত জন খাবে গুন করে যেন মেলে  এভাবে খারাপ খাইয়ে যেই টাকা বেঁঁচে গেল অমনি টাকা ব্যাঙ্ক একাউন্টে থেকে গেল, আর টাকা দেওয়া বন্ধ, শিক্ষক কী করেন ধার করে খাওয়াবেন না। কারণ সিঙ্গুর ব্লকে 2011 সালে তিন মাাসে টাকা দেয়নি। তাছাড়া গ্যাস সিলিন্ডার তো ধার বাকি তেে দেয় না। ওখানে হিসেবে বাকি দেখানো বারণ, অথচ অগ্রীম টাকা দেেওয়া হবে না। আচ্ছা আপনার কাাছে আমার প্রশ্ন যে অফিসার কে এরকম নির্দেশ দিয়ে রেখেছেন। তাারা অফিসের জন্য নিজের বেতন থেকে ক টাকা খরচ করে? আপনার নির্দেশে তো এসব হচ্ছে, এর পর আছে সর্ব শিক্ষা মিশনের প্রতি মাসে চার পাঁচ দফা কাগজ পূরণ, আচ্ছা আপনি বলুন সুপ্রীম কোর্ট রায় দিল আধার লাগবে না, তার পর সর্ব শিক্ষা কী করে আধার রেজিস্টার করতে বাধ্য করে? বছরের মধ্যে পঁচিশ বার বিভিন্ন ভাবে ছাত্র সংখ্যা আর তাদের বিভিন্ন কলম পুরণ করে দিতে হবে, এ দিয়ে কোন কাজ হয় না। যাক গে ওসব বাদ দিন সব থেকে সমস্যা গ্রামে গ্রামে আপনাদের গ্রাম সদস্য বা মুখ্যমন্ত্রীীরা, নতুন V.E.C. তৈরি হয়েছে, সর্ব শিক্ষার টাকা খরচ করতে হব, ঐ A/ C তে ওনার নাম ঢোকাতে হবে, এই কাজের জন্য যে কাগজ লাগে চেয়ে না পাওয়া, আবার সিঙ্গুর নন্দনের যিনি তিনি তো দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী, বাড়িতে আনতে গিয়ে অপমানিত তিনি লোক দিয়ে বলে পাঠালেন, আপনি কে যান যান এখন  ওসব হবে না। আপনি    যান ত আবার নির্লজ্জের মতো ফোনে করে বলা হলো। আজ পর্যন্ত ফোট সহ অন্যান্য কাগজ পত্র আর এলো না। তাহলে ঐ টাকা খরচ করে যখন পেমেন্ট করবে তখন কী হবে? সর্বশিক্ষা সেখানে দায়িত্ব যিনি তিনি আরেক জিনিস,এসব কাজে কিছু হলেই  প্রধানশিক্ষক  চোর, সত্যিই শিক্ষক আজ নেড়ে কুত্তার অধম, আপনি তাদের কাছে ভোট চাইছেন। আপনি কী ভাবছেন এসব কথা শিক্ষকেরা অভিভাবক দের মধ্যে প্রচার করে না বলে না, আরে সেই কারণেই সিঙ্গুর বিধান সভায় 12 হাজার ভোটে হেরে গেছন। এই পরিস্থিতির জন্য আপনি দায়ি, একটা জিও করুন যে সর্ব শিক্ষার A/C তে নির্বাচিত প্রতিনিধি থাকবে না, একজন অভিভাবক থাকবে, M. D. M এর টাকা ছাত্র ছাত্রীদের খাওয়ার জন্য খরচ করা যাবে, আমি জানি আপনি আপনার ইচ্ছা থাকলেও পারবেন না।
     সেই জন্য আগামী 2021 সালে কী ভাবে হারবেন তৈরী থাকুন। নমস্কার নেবেন ভালো থাকবেন। 

Friday, 31 May 2019

মোদীজি দেশের বেকার যুবকদের কাজ দিন।

আমি জানি আপনি আমার মত এই তুচ্ছ লোকের লেখা পড়বেন না। শিরোনাম সহ ছবি টি দেখেছেন নিশ্চয়ই, আমি বিভিন্ন কাগজ বা পত্রিকায় অন লাইন খবরে অনেক দিন আগেই পড়েছি, যে আমাদের দেশে 20 থেকে 35 বছর বয়সী যুবক বেশি,দেশের উন্নতির জন্য এদের কাজে লাগান ভারত তরতর করে এগিয়ে যাবে, এই শিক্ষিত বেকার যুবক যুবতী দের পকোরা ভাজার পরামর্শ দিচ্ছেন। এই নির্বাচনের আগে আপনি সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে ছিলেন। ভারতীয় রেল প্রায় এক লক্ষ নব্বই হাজার লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি  জারি  করে ছিল। এই নির্বাচনে আগে রেল বিভিন্ন সময়ে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল, বেকার যুবক যুবতী 500টাকা দিয়ে অন লাইন ফর্ম ফিলাপ করে ছিল, পরীক্ষা হয়নি না হয়ে গেছে জানতে পারল না। এদিকে আপনি ব্যাঙ্ক বীমা বিএসএনএল রেল কে নাকি বেসরকারি করে দেবেন, তাহলে আমেরিকার হাল হবে, কর্মী ছাঁটাই লেগেই থাকবে। আর কিছু দিন পর অর্থ নৈতিক মন্দা মানুষের ক্রয় ক্ষমতা থাকবে না। আর যদি এটা হয় তাহলে দেশের সরকার থেকে লাভ কি? ভোটের আগে অনেক দপ্তরও একই রকম ভাবে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এগুলো কি সব নির্বাচনি জুমলা, রেল হচ্ছে, ভারতের সব থেকে বড়ো নিয়োগের ক্ষেত্র, যদিও আমাদের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীও রেল মন্ত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী হবার আগে রেলে নিয়োগের ফর্ম বিলি করে ছিলেন। সে নিয়োগ হয়নি, আপনি তো দেখছি, বেকার যুবক দের নিয়ে মস্করা করছেন, নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়, আর নিয়োগ হয় না। মনে রাখবেন দেশে যুবক সম্প্রদায় কে নিয়ে এরকম মস্করা করবেন না। 

Thursday, 30 May 2019

মুখ্যমন্ত্রী কথায় সি পি আই এম কাকে ভোট দিয়েছে? ।

 ছবি সহ খবর টি পড়ে আমার মনে হলো তৃণমূল দল টা পুরো নাম পাল্টে বিজেপি হয়ে যাবে ।আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আবার মুখ্যমন্ত্রী হবেন। মুখ্যমন্ত্রী লোকসভা নির্বাচনের পরে অভিযোগ করেন, সি পি আই এম বিজেপি কে ভোট বিক্রি করেছে। মুখ্যমন্ত্রীর এসব ফালতু কথার কোন দাম নেই, উনি যখন যা মনে আসে বলে দেন, তাহলে বলা যায় উনি বিধায়ক সাংসদ কাউন্সিলর বিক্রি করছেন। পশ্চিমবঙ্গের এই পরিস্থিতির জন্য মুখ্যমন্ত্রী এবং তার দল দায়ি, কারণ তেরো সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে সিঙ্গুর ব্লকের বারুইপাড়া পলতাগড় পঞ্চায়েত বামফ্রন্ট দখল করে ছিল, বামফ্রন্টের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের এমন ভয় দেখানো হচ্ছিল, যাতে তারা দল পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছিলেন। যাকে ভয় দেখিয়ে দলে নিতে পারেনি, 2014 সালে লোক সভা নির্বাচনে আগে বামেদের প্রচার করতে দেয় নি। তাদের মারা হয়েছে, তারা যখন আমাদের নেতৃত্বের সঙ্গে থানায় গেছে, থানা নেতৃত্ব সহ এদের নামে কেস দিয়েছে। এসব সিঙ্গুর থানার ঘটনা, এসব সিঙ্গুরের বিধায়কের কথায় হয় নি, সিঙ্গুরে বাড়ি আরেক জন বিধায়কের কথায় হয়েছে। বিনা অপরাধে সিঙ্গুরের মহামায়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নামে কেস করে তাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে, কারণ তিনি নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতির সম্পাদক ছিলেন। প্রতিটি নির্বাচনের আগে বাম ভোটার দের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দেওয়া রেশন কার্ড করে না দেওয়া। পঞ্চায়েতের যে সব কাজ করে   না দেওয়া, এসব করে পঞ্চায়েত দখল নেওয়া, আমাদের উপর তলার নেতৃত্বের বিষয় গুলো গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য অর্থাৎ এই খেটে খাওয়া মানুষের পাশে এসে না দাঁড়ানোর জন্য আজ তারা বিজেপি কে ভোট দিয়েছে। তৃণমূলের এই অত্যাচার থেকে বাঁচতে বামেদের ভোট বিজেপি কে দিয়েছে, কারণ এখানে কাছাকাছি আর এস এস ক্যাম্প করেছে, অনেক যুব ছেলে  কে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, কিছু ঘটনা ঘটেছে তারা ছুটে আসছে।  আমি যা দেখছি, তাই লিখেছি গোটা তৃণমূল দলটি বিজেপি হয়ে যাবে, তাই যে সব বাম ভোটার তৃণমূলের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষা পেতে বিজেপি কে ভোট দিয়েছে, তাদের কী হবে? গোটা তৃণমূল দল বিজেপি হয়ে গেলো দিদি বললেন আমি মুখ্যমন্ত্রী মন্ত্রী হব, না হলে ধর্ণায় বসব। দিদি আবার মুখ্যমন্ত্রী হলেন, মনে করুন এটা এমন সময় হলো যখন বিধান সভা হয়ে গেল, তার পর হলো, তাহলে যারা অত্যাচার থেকে মুক্তি পাওয়ার আশায় বিজেপি কে ভোট দিলেন তখন কী হবে? কারণ যে হারে তৃণমূল থেকে বিজেপি তে যাচ্ছে, তাতে করে আমার মনে হচ্ছে, দিদি বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী হবেন। কারণ রাজনীতি তো কিছু বলা যায় না। অনেকেই বলবেন  সি পি আই এম থেকেও বিধায়ক বিজেপি তে যাচ্ছে, কথা তো ঠিক, আমার মনে হয় তারা আদর্শ হারিয়ে ফেলেছে, নীতি হীন হয়ে পড়েছে, তাই বিজেপি তে যাচ্ছে। ভোটার রা সি পি আই এম এর প্রতীকে ভোট দিয়ে ছিল ওনারা মানুষের সেই মর্যাদা রাখতে পারলেন না।

Tuesday, 28 May 2019

সতী দাহ পায়েল রোহিতগীর মন্তব্য।

বেশ কয়েক দিন ধরেই নেট মিডিয়াতে দেখছি, পায়েল রোহিতগী নামে এক ভদ্র মহিলার সতী দাহ নিয়ে লিখেছেন, সেই লেখা নিয়ে খুব চর্চা হচ্ছে। ঐ লেখার সাথে তিনি রাজা রামমোহন রায় কে ব্রিটিশদের চামচা বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন সতী দাহ প্রথা সঠিক ছিল, উনি ইতিহাস না জেনে মন্তব্য করেছেন। আবার বলছি আপনি ইতিহাস পড়ুন তখন কার হিন্দু সমাজে মেয়ে দের সাথে কী রকম আচরণ করা হতো, না জেনে মন্তব্য  করা উচিত নয়। আপনি আজ যে ভাষায় লিখেছেন, ঐ ইংরেজি ভাষা তো দূর লেখা পড়া করার অধিকার ছিল না, বারো বছরের মধ্যে জাত কুল দেখে মেয়েদের বিয়ে দিতে হতো, ৯ হলে গৌরী দান, পর্দাসীন মেয়ে দের বাড়ির বাইরে যাওয়ার অধিকার ছিল না। তীর্থ স্নান করতে নিয়ে যাওয়া হতো ঢাকা পালকি করে, পালকি সহ জলে চুবিয়ে বা ডুবিয়ে তুলে আনা হতো, আর কুল রাখতে বিয়ে দেওয়া হতো নয় বছরের কন্যার সাথে ষাট থেকে আশি বছরের বৃদ্ধর সাথে, বৃদ্ধ মারা গেলে যত গুলো তিনি বিবাহ করতেন, এবং সেই বৌ দের মধ্যে যাদের হাতের কাছে পাওয়া যেত, তাদের জোর করে চিতায় তুলে দিয়ে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হতো। ভাববেন একটা ১২ থেকে তেরো বছরের মেয়ে আশি বছরের স্বামীর মৃত্যুর জন্যে তাকেও জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হবে, এটা আপনার কাছে সু প্রথা। আপনি যে আজ লেখা পড়া শিখে টুইটারে ইংরেজি ভাষায় লিখেছেন, মেয়েদের এই শিক্ষার অধিকার দেওয়ার জন্য সমাজের বিপরীতে গিয়ে লড়াই করে ছিলেন, সেই রকম এক জন মহান ব্যক্তি হলেন রাজা রামমোহন রায়। তিনি এক ঈশ্বর বাদ প্রচার করে ছিলেন, ব্রাহ্ম সমাজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সমাজ ব্যবস্থা পাল্টাতে হলে সরকারের সাহায্য দরকার হয়, সেই জন্য তিনি ব্রিটিশ সরকারের সাহায্য নিয়ে ছিলেন, এরকম আরেক জন মহান বাঙালি যিনি মেয়েদের শিক্ষার জন্য নিজের সর্বস্ব দান করে দিয়ে ছিলেন। তিনি ঈশ্বর চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, দয়ার সাগর, বিদ্যাসাগর, আরেক সমাজ সংস্কারক স্বামী বিবেকানন্দ  ,তিনি বলেছিলেন, সমাজের দুটি ডানা নারী ও পুরুষ একটি ডানা অকেজো হলে পাখি যেমন উড়তে পারে না, সেই রকম সমাজের এই দুটি ডানার একটি অকেজো হলে সমাজ ব্যবস্থা কোনো দিন টিকে থাকতে পারে না। তৎকালীন সমাজ সংস্কারের অগ্রনী এই সব মহান ব্যক্তির সম্পর্কে না জেনে মন্তব্য করা উচিত হয়নি। মনে রাখতে হবে বাঙালি তথা গোটা ভারতের শিক্ষা সমাজ ব্যবস্থা ধর্মান্ধতা।হিন্দু দের মধ্যে ছোট জাত উঁচু জাত যা এখনও সমাজ ব্যবস্থা কে তথা হিন্দু জাতিকে পিছনে ঠেলে দিচ্ছে। এই কিছুদিন আগে মুম্বইয়ের একটি মেয়ে ডাক্তারি পড়ছিল, প্রতি নিয়ত তার দিদি রা নীচু জাত বলে খোঁটা দিত, সহ্য করতে না পেরে তিনি আত্মহত্যা করতে বাধ্য হন। রোহিত ভেমুলার  ক্ষেত্রে  একই রকম, ঘটনা ঘটে ছিল। আর যদি বলেন, আমি বাঙালি সমাজ সংস্কারক রামমোহন রায় কে মানি না। তাহলে আপনার অভিভাবক কে বলুন, আপনার কুল রাখার আশি বছরের বৃদ্ধের সাথে বিয়ে দিতে, তিনি মারা গেলে - - - - -.।