Friday, 8 September 2017

প্রশ্ন উত্তর

১) ডহর বাবুর বাড়ির লোক কে আছেন? প্রশ্নটির কে করেছেন? ডহর বাবুর বাড়ির কাউকে খুঁজে পাওয়া গেছে, কেউ যদি খুঁজে দেন পুরস্কার দেওয়া হবে।
২) রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার আনতে গিয়ে কীটস ও সেস্কপিয়রের সাথে দেখা করে ছিলেন তথ্য টি কে দিয়েছেন?
৩) রাজা রামমোহন রায় পশ্চিম বঙ্গ বিধানসভায় সতী দাহ বিল পাশ করিয়ে ছিলেন। কে বলেছেন?
৪) বীরভূমের মাটি উৎসব শুরু করতে গিয়ে কে কাকে বলে ছিলেন যে থাব্বরে গাল লাল করে দেব?
৫) মাটি উৎসব, জল উৎসব, খাদ্য মেলা, কন্যাশ্রী বদলে বাংলায় দিদির ভাই রা কী উৎসব শুরু করে ছিল, এবং এই বিষয়ে বাংলা কে এক নম্বর করল?
৬)কলকাতা বইমেলায় ঢোকার মুখে কে পুলিশ কর্মী কে বলল চাবকে পিঠের চামরা তুলে নেব?
৭)2013 সালে 'সারদা' কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসার পর কে বলে ছিল যে 'যা গেছে তা গেছে ও নিয়ে দুঃখ করে লাভ নেই'?
৮)'শরীর থাকলে জ্বর জ্বালা যেমন হবে, তেমনই ধর্ষণ ও শরীর থাকলে হবে' এটি কার উক্তি?
৯)'বড়ো শিল্প না হয়েছে তো কী হবে, চপ ভাজা, মুড়ি ভাজা, ঘুঁটে শিল্পও শিল্প' উক্তি টি কার?
১০)   সি বিআই নোবেল চোর ধরতে না পারলে বলুক আমি সিআইডি দিয়ে নোবেল চোর ধরে দেব। কে বলেছেন?
১১)আমি কলকাতা কে লন্ডন আর দার্জিলিং কে সুইজারল্যান্ড বানাবো। কে বলেছেন?
১২)আমার সাথে চালাকি করে লাভ নেই। আমি গুন্ডা কন্ট্রোল করি। কার উক্তি?
আপাতত এই বারো টা পরে মনে পড়লে আবার হবে।

Monday, 21 August 2017

আহা দিদি কন্যাশ্রী দিচ্ছেন।

আজ 22শে আগষ্ট কলকাতা 24 *7 এর খবর পড়লাম একজন নাবালিকা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। আর পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। এমনকি ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়নি ফেলে রেখেছে বি জে পির রাজ্য নেত্রী সেখানে গিয়ে একটা দারুণ কথা বলেছেন। যে আমাদের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী কে নোবেল পুরস্কার দেওয়া উচিত কন্যাশ্রীর জন্য। আহা দেহে জ্বর জ্বালা হয়ে থাকে সেই রকম ঐ উত্তেজনা থাকে সেই কারণেই দিদির ভাইয়ের একটু যদি আদর করে এতে দোষের কিছু নেই। কারণ দিদি কন্যাশ্রী দিচ্ছেন সাইকেল দিচ্ছেন। এই নিয়ে এতো হৈ চৈ এসব ভালো লাগে। যতই দিদির পুলিশ ভাইয়েরা যতই পঞ্চাশ শতাংশ ডিএ বাকি থাক পেকমিশন না দিক পুলিশ ভাইয়ের ওসব মাথা ব্যাথা নেই। আপনি বলেছেন নোবেল পুরস্কার দিতে কাউকে দিতে হবে না। উনি বাংলা কে এ বিষয়ে এক দিন নোবেল পুরস্কার এনে দেবেন :কারণ পশ্চিমবঙ্গ এখন ধর্ষণে একনম্বর করে  ছেরেছেন।

Saturday, 22 July 2017

আজকের সমাজে শিক্ষকদের ভূমিকা।

এখন প্রায় দিনই খবরের কাগজ বা দূরদর্শনে খবর দেখলেই শিক্ষক কুলের কিছু শিক্ষকের বিভিন্ন ধরনের কুকীর্তি। কেউ শ্লীলতাহানি করেছেন কেউ বধূ নির্যাতন করছেন আবার খুন করছেন। যদিও বিশাল শিক্ষক কুলের মধ্যে এরা নগন্য, তবুও শিক্ষক হিসেবে খুব খারাপ লাগে তবে শ্লীলতাহানির অভিযোগ গুলো কতটা সত্যি তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। শিক্ষক কুলের প্রকৃত শিক্ষক হতে পারছে না কারণ নিয়োগের সময় দেখা হয় না, কতটা সে শিক্ষক হওয়ার যোগ্য। শিক্ষক হওয়ার সমস্ত গুনাবলী তার আছে কিনা ।কত গুলো প্রশ্ন দিয়ে সেটা দেখা বা বোঝা যায় না। অন্তত দু বছর কোনো স্কুলে পড়ানোর পর শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা উচিত। কারণ শিক্ষকের চরিত্র তার কথা বার্তা চাল চলন ছাত্রদের সঙ্গে ব্যবহার আরও বেশ কিছু বিষয় ভালো ভাবে লক্ষ করে তবেই শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা উচিত। আমি লক্ষ্য করেছি অনেক শিক্ষকের ভাষা আচার ব্যবহার শিক্ষক সুলভ নয়। যদি সত্যি শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি করতে হয় তবে রাজনীতির ঊর্দ্ধে উঠে শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে। তবেই এটা সম্ভব হবে।

Friday, 7 July 2017

প্রাচীন ধর্মের কথা।

পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন ধর্ম গুলির মধ্যে হিন্দু ধর্ম একটা। আমার যতদূর জানা আছে যে এই হিন্দু ধর্ম শুরু হয়েছে আদিম যুগের মানুষের কিছু অতি প্রাকৃতিক ঘটনা কেন ঘটছে না বুঝে সেই সব ঘটনা থেকে মুক্তি পেতে তারা বিভিন্ন দেব দেবীর পূজা করে এসেছে। সেসব দেব দেবীর পুজো এখনও পর্যন্ত মানুষ করে আসছে। দেব দেবীর পুজো হিন্দু ধর্মের একটি অঙ্গ, তবে বিভিন্ন সময়ে ভারতের মহাপুরুষরা এই ধর্মের সংস্কার সাধন করেছে। হিন্দু ধর্মকে আরও সহজ সরল করার চেষ্টা করেছেন। আবার এই হিন্দু ধর্মের জটিলতা বা গোঁড়ামি থেকে মুক্তি পেতে অনেক নতুন ধর্ম প্রচারক ধর্ম প্রচার করেছেন। যেমন বৌদ্ধ ধর্ম, জৈন ধর্ম তবুও হিন্দু ধর্ম ভেঙে পড়েনি। হিন্দু ধর্ম সহনশীল এই ধর্ম সকলকে কাছে টানে। এখন তো হিন্দু ধর্ম অনেকটাই সহজ সরল হয়েছে। কারণ রামকৃষ্ণ এবং তাঁর সুযোগ্য শিষ্য স্বামী বিবেকানন্দের চেষ্টায় এই ধর্ম অনেকটাই সহজ সরল হয়েছে। এনারা কেউ মানুষকে ভয় দেখিয়ে বা জোর করে এই ধর্ম সংস্কার করেননি। পৃথিবীতে এমন একটা ধর্ম আছে যে ধর্ম মূল কথা নাকি শান্তি কিন্তু ধর্ম প্রচারের সময় থেকে যুদ্ধ করে ধর্ম প্রচার করতে হয়েছে, আবার জোর করে ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য করা হচ্ছে, সন্ত্রাসবাদী দের বেশিরভাগ ঐ ধর্মের মানুষ। বুদ্ধ ধর্ম প্রচার হয়ে ছিল তারা অহিংস মতবাদে বিশ্বাসী আজও তাই, কথিত আছে যে সম্রাট অশোক বৌদ্ধ সাম্রাজ্য কলিঙ্গ আক্রমণ করে ছিলেন বৌদ্ধরা অস্ত্র ধরেনি নিজেরা প্রান বিসর্জন দিয়ে ছিলেন, হাজার হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল। তা দেখে সম্রাট অশোক আর কোন দিন যুদ্ধ করেননি। তিনি বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করে তা সারা বিশ্বে প্রচার করে ছিলেন। আর এখন ধর্মের নামে গোঁড়ামি ধর্মের নামে রাজনীতি মানুষ খুন জোর করে ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করা। ধর্মের নামে দেশ ভাগের আন্দোলন, ধর্মের নামে জেহাদ ঘোষণা করা যেন মনে হচ্ছে ধর্ম বড়ো মানুষ নয়। মানবতা তুচ্ছ ভুলে যাচ্ছি আল্লাহ বা ভগবান মানুষ সৃষ্টি করেছেন, ধর্ম নয়।

Sunday, 2 July 2017

আমার জীবনে অলৌকিক ঘটনা।

অনেক দিন আগের ঘটনা, আমার বাবা মা মারা গেছেন। আমি তখন চাকরি করছি কোন একটা কাজে শ্রীরামপুর গিয়েছি। হঠাৎ করে দুপুরে ট্রেন বাস বন্ধ আমি সিঙ্গুর ফিরব। আমি শ্রীরামপুর থেকে হাঁটা শুরু করলাম শেওড়াফুলির দিকে। রাস্তা চেনা নেই দোকান পাট সব বন্ধ, রাস্তা ফাঁকা শুন সান কাউকে জিজ্ঞেস করব উপায় নেই। অনেক চিন্তা নিয়ে হাঁটছি এমন সময় হঠাৎ দেখলাম আমার সামনে একটি কুকুর যাচ্ছে। আমি কোনো দিকে না তাকিয়ে কুকুরের পিছনে হাঁটতে লাগলাম। অদ্ভুত ভাবে লক্ষ্য করলাম কুকুর টি আমার সামনে সামনে হাঁটছে একটুও এদিক ওদিক করছে না। আমি শেওড়াফুলির কাছে আসার পর কুকুর টি শ্রীরামপুর থেকে আসতে শেওড়াফুলির যে সাবওয়ে পরে অর্থাৎ হাওড়ার দিকে সেই সাবওয়ের ভিতরে চলে গেল। আমি খুব অবাক হলাম যে কুকুর টি শ্রীরামপুর থেকে আমার সাথে এল এবং শেওড়াফুলির এসে সে গঙ্গার দিকে চলে গেল। এই ঘটনা আজও আমার মনে দাগ কাটে।

Saturday, 1 July 2017

কে যে ডাক্তার বোঝা দায়

গ্রামে ডাক্তার দেখানো সমস্যা দীর্ঘ দিনের হেতুরে ছাড়া মেলে না। যারা গ্রামে এরকম ডাক্তারি করে তারা কেউ এইট পাশ থেকে শুরু করে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ। কেউ কেউ হয়তো একটু আধটু বিজ্ঞান নিয়ে পড়েছে কেউ তাও পড়েনি। এরা কেউ কেউ অন্য কোনো ডাক্তারের কাছে হেল্পার বা ওদের ভাষায় কম্পাউন্ডার ছিল। এসব হেতুরে
দের মধ্যে কেউ কেউ আবার অন্য হেতুরের
কাছে হেল্পার হিসেবে কাজ করে ডাক্তারি করছে। গ্রামের মানুষ জানে এরা পাশ করা নয়, তবুও জ্বর জ্বালা, সর্দি কাশী হলে একটু
কেটে ছোড়ে গেলে গ্রামে এরাই ভরসা। আর ডাক্তারি পড়া গ্রামের অনেক ছেলের কাছে স্বপ্ন। মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিকে ভালো ফল করেও ডাক্তারি পড়া হয় না টাকার অভাবে। আবার দেখা যায় পশ্চিমবঙ্গে ডাক্তারি পড়ার সিট আছে হয়তো ৮০০/১০০০ প্রতিযোগিতা অনেক। গ্রামের ছেলের মেডিক্যাল জয়েন্টে পাশ করে হাজার বারো শো র মধ্যে র্্যঙ্ক করা সহজ হয় না। কারণ তারা JEE র অফিসে ঘন ঘন যোগাযোগ করে না। তাদের অভিভাবক রাও
যোগাযোগ করে না খরচের ভয়ে। কিন্তু শহরের ছেলেরা এটা বেশি করে তাই আট শ বা হাজার জনের মধ্যে শহরের ছেলে বেশি গ্রামের ছেলে কম। যদি বা থাকে তাহলে তাদের বিভিন্ন তিক্ত অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। কেউ কেউ তো টাকার অভাবে মাঝ পথে ছেড়ে দিয়ে চলে আসে। আবার পাশ করা ডাক্তারা কেউ গ্রামে আসে না। কারণ বেশি টাকা ফিজ নেওয়া যাবে না, বাবার অনেক টাকা খরচ করে ডাক্তারি পড়েছে খরচ তুলতে হবে না। তাহলে গ্রামের লোকের ভরসা রইল সেই কাছাকাছি গঞ্জ শহর। রাত বিরেতে যাওয়ার সমস্যা, তাও যায় কিন্তু বর্তমানে যেভাবে নাম করা সব ভুয়ো ডিগ্রি ধারি ডাক্তার ধরা পড়েছে। খবরের কাগজে ও টিভিতে যা দেখছি তাতে ভরসা উড়ে যাচ্ছে। কে যে আসল আর কে যে নকল ডাক্তার বোঝা দায়।

Tuesday, 27 June 2017

বাংলায় নতুন কারখানা।

বাংলায় শিল্প আনার জন্য অনেক ছোট ছুটি দেশ বিদেশের মাটিতে শিল্প সম্মেলন করে শিল্প আনার চেষ্টা। কিন্তু আমরা একটু নজর দিলে দেখব, আমাদের প্রিয় সনণ্মানীয় মুখ্যমন্ত্রীর বাতলে দেওয়া "চপ কারখানা" আগে থেকেই যা ছিল তার পরও অনেক হয়েছে। বিক্রি বাটা করে সংসার চলে না, কিন্তু হয়েছে। কত ছেলে করে খাচ্ছে ভাবুন, ঘুঁটে শিল্প এখন হয়নি, কারণ এখন ঘরে ঘরে উজ্জ্বলা যোযনার কম পয়সার গ্যাস সিলিন্ডার। লোকদীপ বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার মতো, এখন কম দাম  অভ্যস্ত হয়ে পরলে ভবিষ্যতে দাম বেশি দিয়ে কিনতে হবে। যদি বন্ধ ডানলপ, থুরি অধিগৃহিত ডানলপে মুড়ি শিল্প হত, অধিগৃহিত বসুমতি আরও কোনো কোনো কারখানা ওহো জেসপ এবং বন্ধ হিন্দমোটর এসব কারখানায় যদি ঘুঁটে শিল্পও হতো তবে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে বাইরে যেতে হত না। এত ছুটো ছুটি জনগণের ট্যাস্কের টাকা খরচ করে বিদেশে ঘুরতে হতো না। আহা পশ্চিমবঙ্গে একটা জিনিস হয়েছে যুবশ্রী বঙ্গশ্রী সাইকেল শ্রী পঞ্চাশ শতাংশ ডিএ না দিয়ে কর্মীদের ভাতে মারা শ্রী থুরি দুটাকা কিলো চালের শ্রী তাহলে কর্মী বিপিএল আছে বিপিএল মাষ্টার আছে থুরি প্রাথমিক শিক্ষক সর্বদা বিপিএল শ্রী। এবার পশ্চিমবঙ্গের ভীষণ সুনাম ৭৫০ টাকা বছরে দিয়ে কন্যাশ্রী প্রকল্প আর্ন্তজাতিক পুরষ্কার পেয়েছে বিপিএল শ্রী মাষ্টার দের পড়াতে হবে। 'কন্যাশ্রী সাইকেল শ্রী পাচ্ছে তাই ভাই দের কী আনন্দ পার্কস্ট্রীট না মধ্যমগ্রামের পর ২০,৩০,হাজার টাকার যে ধর্ষনশ্রী ঘোষণা হয়েছিল সেটি পাইয়ে দেবার জন্য। ওতো শরীরের জ্বর জ্বালার মতো একটু যদি হয়েই থাকে দোষ কী? ছিঃ ছিঃ বিষয়ের বাইরে চলে গেলাম। একটু চুপ করে লিখি কারণ আমার ব্লগ কেউ পড়ে না। যদি সিঙ্গুরে চার শ একর ফিরিয়ে দিয়ে ছশ একরে একটা চপ বা মুড়ি শিল্প ও হত তাহলে কিছু ইঞ্জিনিয়ার চাকরি পেত। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হবার জন্য ছুটত না, আহা ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস।