Tuesday, 21 May 2019

পশ্চিমবঙ্গের পরিবর্তনের মূল কাণ্ডারি কে?

2011 সালে পশ্চিমবঙ্গের বামফ্রন্ট সরকারের শেষ এবং বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পিছনে নিশ্চয়ই বর্তমান শাসক দলের আন্দোলন এবং সংবাদ মাধ্যমের হাত ছিল, আরেক জন ছিলেন, আমাদের প্রাক্তন বাঙালি রাষ্ট্রপতি তিনি ইউ পি এ সরকারের উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার একদম সহ্য করতে পারেনি। তিনি দেখেছিলেন তৃণমূল ও কংগ্রেস যদি পশ্চিম বঙ্গে জোট করতে পারে, তবে বামফ্রন্ট সরকারের পতন অনিবার্য। কংগ্রেসের রাজ্য নেতৃত্ব বর্তমান শাসক দলের শর্তে রাজি হচ্ছিল না কিছুতেই, তখন দিল্লি থেকে উনি এসে বর্তমান শাসক দলের সব শর্ত মেনে জোট তৈরি করে দিয়ে গেলেন। আর এখন উনি মন্তব্য করছেন বাম আমলেও এতো খারাপ অবস্থা ছিল না। আসলে তা এই সব পদধারি মানুষের সাথে মিশতে না পারা নেতারা এই রকম ভাবেন, আমি আজ যা বলছি বা করছি মানুষ কাল ভুলে যাবে। শেষ দফা ভোটের আগে উনি বিবৃতি দিয়ে বলেন, পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা বামফ্রন্ট আমলের থেকে খারাপ, উনি পক্ষান্তরে স্বীকার করে নেন বামফ্রন্ট সরকার ভালো ছিল। আপনি তাহলে কেন সেই সময় জোট সরকার গড়ার জন্য দিল্লি থেকে ছুটে এসেছিলেন। আজ বাংলার এই পরিস্থিতির জন্য আপনি অনেকাংশেই দায়িত্ব এড়াতে পারেন না। উপরের ছবি টি দেখছেন নিশ্চয়ই, পশ্চিমবঙ্গের এই পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য আপনি এসে জোট করে ছিলেন! আমরা তখন শুনতাম বামফ্রন্ট সাধারণ মানুষ কে ভোট দিতে দেয় না। সাধারণ মানুষের এতো বড়ো গনতান্ত্রিক দেশে একটাই অধিকার একটা ভোট দেবার, সেই অধিকার কেড়ে নিতে চাইছে, এরা যে দলের হোক এরা দুষ্কৃতী এদের জেলে থাকা উচিত, প্রশাসন কে ব্যবস্থা নিতে হবে কিন্তু না কোন ব্যবস্থা সরকার নেবেন না। মানুষ মরলে এই সরকারের নেতা মন্ত্রীদের আনন্দ হয়। বিরোধী হলে কথাই নেই, কেটে তার মাংস খেতে পারলে বাঁচে, এত উন্নয়ন তবুও সাধারণ ভোটার কে ভোট দিতে দিলে হবে না। সাধারণ ভোটার কে বিশ্বাস করতে পারছে না। আপনি রাষ্ট্রপতি ছিলেন, পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি নিয়ে আক্রান্ত আমরা বলে একটা সংগঠন আপনার কাছে গিয়ে ছিল, আরো অনেক আপনাকে চিঠি দিয়ে ছিল দুঃখের বিষয় কোনো কাজ হয়নি। বাঙালি আর শিখ এই দুই জাতি ভারত বর্ষে যত মারা যাবে দিল্লির লোকজন ততঃ আনন্দ পায়। সেই কারণেই স্বাধীনতার সময় এই দুই রাজ্যে কে ভাগ করা হয়েছিল। এখনও চলছে, দিল্লি মানুষ খুব আনন্দ পাচ্ছে নিশ্চয়ই, বাংলাদেশে প্রায় নিশ্চিহ্ন হতে চলল, আর এপার বাংলায় আসামে ত্রিপুরায় সেখানেও একই পরিস্থিতি, এপার বাংলায় শেষ করছে কারা বিহার উত্তর প্রদেশ থেকে আসা কত গুলো আসামী যারা গুণ্ডা গিরি তোলা তোলা বোমাবাজি ছাড়া আর কিছু জানে না। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সময়ের শাসক দল এদের মদতে ক্ষমতায় এসেছে, বর্তমান শাসক দল বেশি করে মদত নিচ্ছে, তবুও আমরা স্বাধীন ভারতের নাগরিক, ভোটের অধিকার নাই বা থাকল, অন্তত বেঁচে থাকার অধিকার টুকু থাক, সব শেষ আপনি আমার প্রণাম নেবেন, ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন, ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুন। 

Wednesday, 15 May 2019

বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার জন্য বর্তমান শাসক দল ও দায়িত্ব এড়াতে পারেন না।

ছবি টি ফেসবুক থেকে সংগৃহীত। আগামী কাল কলকাতার বিদ্যাসাগর কলেজে যে ঘটনা ঘটেছে তার জন্যে অসভ্য বর্বর দল বিজেপি যেমন দায়ি, তেমন বর্তমান শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ও দায়ি।বর্তমান শাসক দল বারবার বিজেপির সাথে জোট করে কেন্দ্রে মন্ত্রী হয়েছিল। এই শাসক দলের নেত্রী বিধান সভা ভাঙচুর করে ছিল, তিনি বিরোধী রাজনীতি করবেন কেউ বাধা দিতে পারবেন না, কেউ বাধা দেয়নি, সিঙ্গুরে মাচা বেঁধে কারখানা গুজরাতের সানন্দে পাঠানো সেই 21 দিনের জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বসে থাকা কেউ বাধা দেয়নি।উনি 2011 সালে ক্ষমতায় এসে বিরোধী দল কে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে দেব না। প্রতি পদক্ষেপে বাধা আগে ছিল সি পি আই এম তথা বামফ্রন্ট কে আটকানো এখন ভোটার কে ভোট দিতে না দেওয়া অর্থাৎ নিজের দলের মধ্যে গণ্ডগোল মানুষ কে বিশ্বাস না করা, বিজেপি তে কারা যারা তৃণমূল দলের থেকে সে ভাবে আর টাকা তুলতে পাচ্ছে না, ভাগ দিতে দিতে শেষ হয়ে যাচ্ছে, তারা গিয়ে ভিড় করছে, বিজেপি তে। দু দলের নেতা মন্ত্রী রা প্রতি নিয়ত মারব কাটব করে যাচ্ছে, কে বলছে নারকেল মুড়ি খাওয়াব। আজকের বাংলা জুড়ে অশান্তি আর বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙচুর এ অপসংস্কৃতি তৃণমূল আমদানি করেছে এই বাংলায়। শাসক দলের লোক হলে ছাড়া পায় অন্যায় করে, বিরোধী অপরাধ করুক আর না করুন তার জেল, এই তো নীতি। দুর্নীতি লুটপাট মানুষ খুন বোমা বাজি গুলি পিটিয়ে হত্যা আরো কতকি, মোটের উপর বিরোধী দের জায়গা দিলে হবে না। আজ যা ঘটছে, সেখানে অমিত শাহ, বা বিজেপি কে কালো পতাকা দেখানোর জন্য বিদ্যাসাগর কলেজের সামনে আর সন্ধ্যা পর্যন্ত কলেজ খোলা সেখানে ছাত্র ছাত্রীদের ক্লাস হচ্ছিল, আমি জানি না। এই দুই রাজনৈতিক দল বাংলার তথা বাঙালি জাতির শিক্ষা দীক্ষার উপর আঘাত করছে। এদের বর্জন করে বুঝিয়ে দিতে হবে বাঙালি আজও মরে নি তারা প্রতিবাদ করতে জানে। 

Friday, 26 April 2019

ভূতের ভোটে আবার গণ্ডগোলের লক্ষণ।

ভূতের ভোটে কে হারিয়ে যায় কে আবার ফিরে আসে, সে সব নিয়ে মাথা নেই, চামচিকে ভুতের, কিন্তু রক্তচোষা বাদুর যারা মানুষ ভুত গুলোর দিন রাত রক্ত চুষে খায়। বিনিময়ে এসব সাধারণ ভূতের দল কী পেয়েছে, এক জায়গায় থেকে অন্য স্থানে যাওয়ার অনুমতি, আগে মানুষ ভুতের এটা অধিকার ছিল না। মেছুনি মানে মেছ ভূতনির আমলে ভোট দিতে হয় না। গো ভুত এদের সাথে যোগ দিয়ে এমন হয়েছে, একা ভানুর ভোলা সামলাতে পারে না। এর মধ্যে একজন হারিয়ে গিয়েছিল, তাকে নিয়ে খুব ঝামেলা সে ভূ ই মের দ্বায়িত্বে  ছিল। মনে হয় কোন কারসাজি করছিল, কারণ মেছ ভুতনি সব করে, ও হয়তো মানতে চাননি, তাই ভয়ে লুকিয়ে ছিল। কী ছলনা, কী ছলনা, এখন মানুষ ভুত আর গো ভুত দের এক অংশ দাবি করছে ঐ ভূ ই ম ভালো করে পরীক্ষা করে দেখতে হবে, কারণ ও তো ভূতের মেশিন কখন কী করে তার ঠিক নেই। পিশ্চাস শাঁখচূর্নী এরা তো ঝামেলা করবে বলে বসে আছে। যত যাই করো ও ভূতের মেশিন ও খারাপ হবেই সব পাল্টে গিয়ে সব মেছ ভুতনি আর গো ভুতের দল পাবে। মানুষ ভূতের দল কোরাস গাইবে, কত রঙ্গ দেখব দুনিয়ায়, নিজেই লুকিয়ে থাকার নাটক করে। যম রাজ এর ঘরে। আবার দু দিন পরে ফিরে আসার নাটক করে। কী যে ভূ ই ম তে সেতো ভগা জানে। মানুষ ভূতের যে কষ্ট সে আর যাবার নয়। মানুষেরে মর্ত্যে পাঠায় বুঝে শুনে, মর্ত্যে যায় গো ভুত আর ছাগ ভুত মিলে ।যম রাজ মেছুনির সাথে মিলে কী রাজত্ব আনল যমালয়ে।



Tuesday, 9 April 2019

নন্দীগ্রাম আজকের ঘটনা সি পি আই এম পার্টি অফিসে কালো পতাকা লাগিয়ে দেওয়া।

ছবি টি অন লাইন কলকাতা 24 *7 থেকে নেওয়া ।নন্দী গ্রামের সি পি আই এম পার্টি অফিসের ছবি, গত দু দিন আগে ঘটা করে যে অফিস খোলা হয়েছিল, মানুষ সেটি বন্ধ করে দিয়ে কালো পতাকা লাগিয়ে দিয়েছে। উক্ত অন লাইন নিউজের দাবি বা লেখা হয়েছে, মানুষ বলছেন, সি পি আই এম হার্মাদ রা মানুষ খুন করে দেহ লোপাট করে দিয়েছেন, এখন অনেকেই খুঁজে পাওয়া যায়নি। আমি ঐ সকল মানুষের সাথে একমত আমার একটা প্রশ্ন আছে, সি পি আই এম হার্মাদ রা করুক আর জহ্লাদরা করুক, ঘটনার জন্য মানুষ বামফ্রন্ট সরকার কে রাজ্যের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছে। সবথেকে বড়ো কথা, নন্দীগ্রাম ও সিঙ্গুর দু টো ঘটনায় সি বি আই তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন, বর্তমান সরকারের কাছে তাহলে যারা অপরাধী তাদের ধরল না কেন? আমি ও খান কার সি পি আই এম দলের যারা করেছে বলে অভিযোগ তাদের নাম নিশ্চয়ই ঐ তালিকায় নেই, তাহলে আজ আট বছর ক্ষমতা আছেন সব কটা কে ছেড়ে রেখে দিত! যার বাইকে চেপে ঘুরে বেড়াতেন তিনি এখন জেলে, তাহলে কি বলা যাবে যারা ঐ কালো পতাকা লাগিয়ে দিয়েছেন, তারা অশিক্ষিত বা তাদের সত্যিই ঘটনা বলা হয়নি, যে ঐ ঘটনার সি বি আই রিপোর্ট জমা পড়েছে প্রায় চার পাঁচ বছর আগে, আমার সন্দেহ হয় তাদের শিক্ষা নিয়ে। দেখুন মানুষের মৃত্যু আমাকে ভীষণ কষ্ট দেয়, আরো কষ্ট দেয় যখন দেখি আসল খুনি ঘুরে বেড়ায় আর অপরাধ না করে ধরা পড়ে, ভাবুন বিধায়ক খুন তরতাজা যুবক তুষার সে এবং আরও অনেক এরা সবাই শাসক দলের লোক তাও এদের প্রাণ দিতে হলো। আর সিঙ্গুর সে তো আমরা চোখে দেখছি, তাপসী মালিক মারা গেল তার মৃত দেহ নিয়ে যারা বলল অপরাধী শান্তি পাবে সে সি বি আই রিপোর্ট জমা পড়েছে, কিন্তু কোন কিছু হয়নি, উল্টে নেতাদের ভাগ্য পাল্টে গেল। আরেকটা অনেক দিনের ঘটনা, শাসক দলের শহীদ দিবস পালন করে যার জন্য। আমি ফেসবুক থেকে নেওয়া ছবি টি এখানে দিচ্ছি পড়ে নেবেন ।

Wednesday, 13 March 2019

ফেসবুক বন্ধু ও আমি।

আমি ফেসবুকে বহু বন্ধুত্বের অনুরোধ পাচ্ছি। আমি অনেকেই চিনি না, জানি না, অথচ বন্ধুত্বের অনুরোধ আসছে। সকলের বন্ধুত্ব গ্রহণ করতে পারছি না, তার জন্য দুঃখিত, তবে এটা আমি এখানে পরিস্কার করে বলছি, যারা চোর কে চোর বলতে পারেন না। মিথ্যাবাদী কে মিথ্যাবাদী বলতে পারেন না। প্রতারক কে প্রতারক বলতে পারেন না। যারা টিভি চ্যানেল দেখন তবু ঘুষ নেওয়ার কথা বিশ্বাস করতে চান না, আগেও হয়েছে বলে justify করেন। আগের চোরদের ধরার জন্য 42 টা কমিশন হয়েছিল একটি ও চোরের হদিস মেলেনি। আগের সরকারের শেষ কয়েক বছর ধরেই খুন খারাপি চলছিল, মানুষ শান্তি পাবার আশায় পরিবর্তন করে দিয়েছিল। নিজের ভোট নিজে দেবে বলে পরিবর্তন করে দিয়েছিল, কিন্তু বর্তমানের শাসক দল এতো উন্নয়ন করে ফেলেছে, তবুও মানুষ কে বিশ্বাস করতে পারে না। আবার যারা বিশ্বাস করেন চাকরি পেতে হলে অনশন করতে হবে, গর্ভস্থ ভ্রুণ নষ্ট হলেও। যারা বিশ্বাস করেন 500 টাকা থেকে 5000 টাকা বা 10000 টাকা বেতনের চাকরি বা স্কুল টিচার হোক বা আই সি ডি এস লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে চাকরি করতে হবে। যারা বিশ্বাস করেন সিভিক পুলিশের নামে কিছু তোলা বাজ নিয়োগ করে, গাড়ি ধরে তোলা তোলা ঠিক। আরো অনেক কিছু আছে লিখলে শেষ করা যাবে না। যারা এসব চোখে দেখে কানে শুনে, কেবল দু এক বছর অন্তর কিছু টাকা পাওয়ার জন্য চোখ বন্ধ করে, অন্ধের মতো এই সরকার কে সমর্থন করেন তারা বন্ধুত্বের অনুরোধ পাঠাবেন না, এটা আমার বিশেষ অনুরোধ, যদি এরকম কেউ আমার বন্ধু থাকেন তাহলে তিনি আমাকে ব্লক করুন, কারণ আমি অন্যায় কে অন্যায় আর সত্যি কথা বলতে জানি। আমি একটু সহজ সরল মানুষ তাই অন্যায় দেখলে চুপ করে থাকতে পারি না।

Wednesday, 6 March 2019

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন আর দূস্কৃতি রাজ।

আমাদের রাজ্যের নির্বাচন, ভোটের আগে দূস্কৃতি দের জেলে ভরার পালা, কিন্তু প্রশ্ন এই রাজ্যের আসলে যারা দূস্কৃতি তারা থেকে যাবে জেলের বাইরে, খুব কম দূস্কৃতি ধরা পড়বে। যারা ধরা পড়বে তারা বিভিন্ন দলের কর্মী সমর্থক কারণ আমাদের রাজ্যের প্রায় প্রতিটি শাসক দল সর্বদা এরকম রাজনৈতিক নীতি নিয়ে চলে। যত রকম কেস আছে শ্লীলতাহানি, ডাকাতি, চুরি, খুন সব ধরনের মামলা আছে বিভিন্ন দলের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে, কারণ এই রাজ্যে কোনো অপরাধ ঘটলে, শাসক দল বলে, বিরোধী দল করেছে, আর বিরোধী দল বলছেন শাসকের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব, মামলা বা কেস ডায়েরি পুলিশ সেই ভাবে সাজাচ্ছে, যে লোক ঘটনার কথা ঘুনাক্ষরে জানে না। তার নামে কেস বা মামলা রুজু হচ্ছে, এরকম করে আসল অপরাধী জেলের বাইরে থেকে যাচ্ছে, তারা যখন যে শাসক সেই দলে নাম লেখাচ্ছে, আসল অপরাধীরা ভোটের সময় মদ মাংস খেয়ে দিব্যি হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে, মানুষ খুন করছে, পুলিশ কে মারছে, এই আজ অন লাইন নিউজ পোর্টালে (DNA বাংলা) বেড়িয়ে ছিল এক জন তৃণমূল যুব কর্মী কে বোমা মেরে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে,হতভাগ্য মায়ের কোল খালি হলো। আমি এতখন কোনো না কোনো বিরোধী দলের নেতাদের নামে কেস হয়েছে। আর আসল অপরাধী ঠিক ঘুরে বেড়াচ্ছে। বাংলায় এই সমস্যা আজ থেকে নয়, দীর্ঘ দিনের এরকম সমস্যার জন্য তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার কে মানুষ পাল্টে বর্তমান সরকার কে নিয়ে এসে ছিলেন । সেই tradition সমানে চলছে। 

Saturday, 2 March 2019

Bajaj finserv ও আমি।


গত 21/1/19 তারিখে সিঙ্গুর থানার অন্তর্গত বুড়াশান্তি এলাকার santra communications থেকে bajaj finserv with mobikwik এর মাধ্যমে একটি oppo ফোন কিনেছিলাম। তার পর গত 7/2/2019 তারিখে আমার কাছে SMS এল আমার signature mismatch হয়েছে।
আমি গত 7/2/2019 তারিখে উক্ত দোকানে গিয়ে পুনরায় কাগজ পত্র দিয়ে আসি, ব্যাঙ্ক থেকে signature verification করিয়ে, তার পর গত 20/2/2019 থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি আমাকে ফোন করতে থাকে বলে আপনার signature mismatch আছে, আপনার বাড়িতে আমাদের লোক যাবে সব কাগজপত্র নিয়ে আসতে, আমি সব ঘটনা বলার পর আমায় জানায়, আপনি সব কাগজপত্র ঐ দোকানে আবার জমা দিলে, ঠিক আছে কোন চিন্তা নেই সব ঠিক হয়ে যাবে। আমার জানা ছিল না bajaj finserv একটা চিটিংবাজ সংস্থা, অন লাইনে অনেক নম্বর আছে, কোনো টায় লেখা আছে 24×7 কোনো টায় লেখা কেবল misscall দিন, একটি number এ misscall দেবার পর দিন সকালে অন্য একটি number থেকে আমাকে ফোন করে সব শোনার পর বলেন আপনি ভুল জায়গায় misscall দিয়েছেন। অথচ আমি number টি অন লাইন থেকেই পেয়ে ছিলাম। আরেকটা কথা না বলে পারছি না, আমার email id bfl এ ভুল আছে, (মোবিক্যুইকে ঠিক আছে) দেখাচ্ছে অন লাইন ঠিক করা যাবে, কিন্তু আমি তিন দিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা চেষ্টা করেও পাল্টাতে পারছি না। এর মধ্যে আমি ও আমাকে যে ঐ দোকানে নিয়ে গিয়ে bajaj finserv ও মোবিক্যুইকের মাধ্যমে ফোন কিনতে বলেন, সেও দোকান দার কে ফোন করে বলে সব ঠিক আছে, আপনার কোনো সমস্যা হবে না। তারিখ টা ছিল 23/2/2019 তার আগের দিন ও আমি ফোন করে ছিলাম। আমাকেও একই কথা বলেন, এর পর গত 1/3/2019 bajaj finserv থেকে আমাকে আবার SMS করে জানান হয়, আপনার signature mismatch আছে, আগামী 2/3/2019 আপনার প্রথম কিস্তি কাটা হচ্ছে না। আপনাকে একমাস সময় দেওয়া হলো, আপনি আবার কাগজ পত্র জমা দেবেন বা আপনার সাথে আমাদের লোক বাড়িতে গিয়ে দেখা করে নিয়ে আসবে।

আজ 2/3/2019 হরিপাল থেকে ট্রেনে যাবার সময় এর আগে আমি যাকে কাগজ পত্র দ্বিতীয় বার দিয়ে ছিলাম, তার সাথে দেখা হলে তাকে বিষয় টা বললাম সে আমাকে আরও দু জনের কথা বলে যাদের নাকি এই সমস্যা গত বছর অক্টোবর থেকে, সে একটি নম্বর দিয়ে আগামী রবিবার (3/3/2019) সকাল দশটার পর ফোন করতে বলেন। যে নম্বর টি দিয়েছে সেটি ঐ দোকান দারের যাকে গত 22/2/2019 তারিখে ফোন করার পর বলে ছিল আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন কি হলো না আপনা কে আমি ফোন করে জানাব, আজ পর্যন্ত আমি তার কাছ থেকে ফোন পেলাম না। আমি  এখন বুঝতে পারছি অপরের কথায় আমি bajaj finserv ও mobikwik এর মত মহান চিটিংবাজ সংস্থা থেকে finance এ মোবাইল ফোন কিনেছিলাম। আমি বুঝতে পারছি না কী করে এই মহান চিটিংবাজ সংস্থার থেকে কীভাবে মুক্তি পেতে পারি। আমি জানি আমি এসব লিখছি, যারা পড়েছেন তারা এই চিটিংবাজ সংস্থার দূরে থাকুন।