Wednesday, 7 June 2017

ধর্ম ও রাজনীতি।

আমি আগেই বলেছি যে আমি কোনো রাজনৈতিক দলকে আঘাত দিয়ে বা দুর্নাম করার জন্য এসব লিখছি না। আমার ব্লগ যদি পড়েন তবে খারাপ ভালো মন্তব্য করবেন। ভালো লাগলে অপরের সাথে শেয়ার করবেন।
ভারতের স্বাধীনতার সময় থেকে ভারতীয় রাজনীতিতে ধর্মের বিষ ঢুকেছে। কীভাবে বলছি ভারত স্বাধীন হয়েছে ধর্মের ভিত্তিতে ভাগ হয়ে। ভারত হিন্দুস্থান অর্থাৎ হিন্দুদের প্রাধান্য আর দুটো অংশ হল মুসলিম প্রধান। কিন্তু ভারতীয় সংবিধানে ভারতকে ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। যেখানে সকল ধর্মের মানুষের নিজের নিজের ধর্ম পালনের কোনো বাধা নেই। এই ধর্ম নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে গিয়ে এবং হিন্দু ধর্মের অনেক কুপ্রথা দূর করার জন্য আইন হল। বহু বিবাহ, বাল্যবিবাহ, দলিতদের সন্মান প্রদান, তপশীল জাতি, তপশীল উপজাতির জন্য সংরক্ষণ। পরে আরও যোগ হল দুটির বেশি সন্তান হবে না। কারণ জন বিস্ফোরণ ঘটে যাবে। কিন্তু অপর দিকে ইসলাম ধর্মাবলম্বী তাদের ধর্মে নিয়ম আছে কি নেই, তারা বহু বিবাহ করেন যত খুশি সন্তানের জন্ম দিচ্ছেন। সংবিধানের সুযোগ নিয়ে ধর্মের নামে জন বিস্ফোরণ ঘটানো হচ্ছে। এতে বসবাসের জন্য জমি লাগছে। খাদ্য উৎপাদনের জন্য জমি কমে যাচ্ছে। এখন ভারতের জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ ইসলাম ধর্মাবলম্বী। অদূর ভবিষ্যতে এই জন গোষ্ঠী অর্ধেক হয়ে যাবে। আর এরা ধর্মের নামে জেহাদ ঘোষণা করছে, এবং সাধারণ নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে। সে নিজের ধর্মের বা অপর ধর্মের বাছবিচার নেই। তাই যারা তথাকথিত জেহাদী তারা যে ধর্মের হোক আসলে তারা মানবতার শত্রু,  ঈশ্বর বা আল্লাহ্‌র সৃষ্টি প্রাণ যারা কেড়ে নেয় তারা মানবতার বন্ধু হতে পারে না। ইতিহাসে যে টুকু পড়েছি তা হলো ইসলাম কথার অর্থ হচ্ছে "শান্তি।" কিন্তু সারা বিশ্বে যত জেহাদ হচ্ছে বা যারা এই কাজ করেছে তারা বেশিরভাগ মুসলিম সম্প্রদায়ের। আসুন আমরা সবাই মিলে একসাথে এই মানবতার শত্রুর মোকাবিলা করি। আমাদের পথ হোক শান্তির পথ।

ধর্ম ও সমাজ ব্যবস্থা।

আমি এখানে যে কথা গুলো লিখছি হয় তো অনেক আগেই জানেন। আর একটা কথা কোন ধর্মকে আঘাত করা বা ছোট করা আমার উদ্দেশ্য নয়। ধর্ম কী কেন সঠিক জানা নেই। কারণ সেই আদিম যুগের মানুষ যে সব নিয়ম পূজা অর্চনা করত। এখন ও তাই করে আসছে, ইতিহাসে পড়েছি, আদিম যুগে মানুষ যে সব ভয় পেত বা কেন হচ্ছে বুঝতে পারত না, সে সব ঘটনা কে দেবতা জ্ঞানে পূজা করত। যেমন বন্যা বা বান থেকে জলের দেবতা বরুণ। বৃষ্টি হলে বাজ পড়ত সেই জন্য ব্রজ ধারী ইন্দ্রের পূজা করত বা এখনো করে। সর্প বা সাপের দেবী মনসা, তা ছাড়া সূর্য, চন্দ্র, অনেক আছে। তাহলে বোঝা যাচ্ছে হিন্দু ধর্ম কত প্রাচীন। আমার তো গর্ব হয় এরকম একটা প্রাচীন ধর্মের ধারক আমি। কিন্তু আর্য রা এসে এই হিন্দু ধর্মকে আরো উন্নত ও কঠিন করে তুলে ছিল। পৌরোহিত্য প্রথা চালু করা, কাজের ভিত্তিতে সমাজকে ভাগ করা, যা ধীরে ধীরে কঠিন জাতি ভেদ প্রথায় পরিনত হয়েছে। এই জাতিভেদ যত কঠোর হয়েছে হিন্দু ধর্ম ভেঙে অন্য ধর্মের জন্ম হয়েছে। বৌদ্ধ ধর্ম, জৈন ধর্ম, আর কত ধর্মের আবির্ভাব ঘটেছে এই ভারতে। শেষে যখন তুর্কি আক্রমণ ঘটেছে তখন অনার্য, অন্য পিছিয়ে পড়া গোষ্ঠীকে কাছে টানতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু খুব একটা সুফল দেয়নি। আবার  বৈষ্ণব ধর্ম যখন প্রবল ভাবে প্রচার হচ্ছে। ইসলাম ও হিন্দু ধর্মের উপর আঘাত হানছে তখন সত্যপীর ঠাকুরের উদ্ভব ঘটেছে। এখনও হিন্দু ধর্মের তথা কথিত উচ্চবর্ণের হিন্দুরা পিছিয়ে পড়া দলিত শুদ্র বা হরিজন দের যে ভাবে অপমান করছে তারা ক্রমশ অন্য ধর্মের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। আমার গ্রামে গত বছর দুর্গা পুজো কমিটির সভাপতি করা হয়নি বর্গক্ষেত্রী বা বাগদি বলে। তারা নিজেদের মতো ঠাকুর এনে পূজো করছে। উচ্চবর্ণের হিন্দু দের মধ্যে অনেকে অশিক্ষিত আছে যারা বিবেকানন্দের সেই বাণী পড়েনি যে "হে বীর সর্দপে বল আমি ভারতবাসী। মুর্খ, অজ্ঞান, মুচি, মেথর, চণ্ডাল, ভারতবাসী আমার রক্ত আমার ভাই।"
কিম্বা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "হে মোর দুর্ভাগা দেশ" কবিতাটা পড়ে নিলে ভালো হয়। তাহলে হিন্দু ধর্মের বর্তমান অবস্থা থেকে অনেকটা মুক্তি পাবে। দলিতদের উপর অত্যাচার বন্ধ করতে হবে তাদের সকল সামাজিক অধিকার দিতে হবে। তবে সহস্র বছরের পুরানো হিন্দু ধর্ম রক্ষা পাবে। আজ দলিতরা অনেকেই ধর্ম পরিবর্তন করছে। উচ্চ বর্ণের অত্যাচার থেকে বাঁচতে অন্য ধর্ম গ্রহণ করছে। আর বেশ কিছু ধর্মনিরপেক্ষতার নাম করে বিশেষ এক ধর্ম গোষ্ঠীকে মাথায় তুলে নাচানাচি। তারাই এখন আমাদের নাচা ছে।

Tuesday, 6 June 2017

এখন ও আমরা সভ্য নই।

রাস্তা দিয়ে যাচ্ছেন অধিকাংশ বাচ্চা বুড়ো বিভিন্ন ধরনের গুটখা পান মশলা খৈনি খাচ্ছে। আর এক মুখ তুথু জড়ো করে ফেলে দিচ্ছে সে আপনার গায়ে পড়ুক বা পাশে পড়ুক দেখার দরকার নেই। এটা করছে বাংলার বাইরে থেকে আসা কিছু মানুষ। এ ছাড়াও দেখছি ট্রেনে যাচ্ছি উঠার দরজায় পা ছড়িয়ে বসে আছে বললেও ওঠে না। আর ঐ গুটখা খাচ্ছে আর থু করে ফেলে দিচ্ছে। চলন্ত ট্রেনে ফেলা মানে যারা পরের কামরায় আছে তাদের কারো না কারো গায়ে ঐ থুতু লাগছে। আরো আছে যদি ট্রেন ফাঁকা থাকে তাহলে সিটে বসে আর একদিকে লাট সাহেবের মত জুতো সমেত পা তুলে দিচ্ছে। আর একজন উঠে বসতে গেলে পা নামিয়ে নিল বটে কিন্তু ঝেড়ে পরিষ্কার করে দিলনা। এখানে যত টুকু লিখেছি সেটা সামান্য মাত্র। তা হলে আমরা কতটা সভ্য হয়েছি। নাকি যত বিদেশী বা অন্য জাতিকে নকল করছি ততই ভুলে যাচ্ছি এই বাংলা তথা বাঙালি জাতি গোটা ভারত বর্ষ কে স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত করে ছিল। ভুল তে বসেছি বিদ্যাসাগর, রামমোহন, বিবেকানন্দের কথা।তাই বলছি আমরা সভ্য হতে পারিনি।

আজকের দিনে বাঙালি।

স্বাধীনতার জন্য লড়াইয়ে বাঙালির অংশ গ্রহণ সে বলে শেষ করা যাবে না। সেই সব বরেণ্য বাংলা মায়ের বীর সন্তান দের আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম। সেই সময় অনেক মহান ব্যক্তি বলে ছিলেন ইংরেজ দের যা ভালো অভ্যাস সেগুলো গ্রহণ করা যেতে পারে। কিন্তু আমরা সেই সব মহান মানুষের কথা মত ভালোর বদলে খারাপ গুলো বেশি করে নিয়েছি। পোশাক পাল্টেছি, ভাষা বাংরেজি হয়ে গেছে। বারে গিয়ে আবার নাইট ক্লাবে গিয়ে মদ খাচ্ছি। মেয়েদের সাথে অসভ্যতা করছি। কেউ বাধা দিলে তার দফা রফা করছি। যার খুব টাকা পয়সা আছে সে ভালো মদ খেয়ে সারা রাত নুতন নুতন মেয়েদের সাথে রাত কাটিয়ে ভোরে ভালো মানুষ সেজে বাড়ি ফিরছে। এই ভাবে কত বাবা মা এর সন্তান অকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে। এ গুলো শহরের দিকে বেশি তবে আজ কাল গ্রামের দিকেও এই বদ অভ্যাস গুলো এসে পড়েছে, দূর্দশনের দৌলতে। গ্রামের ছেলেরা বিলেতি মদ না পেলে গ্রামে তৈরি চুল্লু খেয়ে অসভ্যতা করছে। গ্রাম্য সংস্কৃতি পারস্পরিক সম্পর্ক
ভুলতে বসেছে। তৈরি হয়েছে অপসংস্কৃতি কারণ গ্রামের অনেক অল্প শিক্ষিত বেকার ছেলে শহরের কারখানায় কাজে যেত। এখন কাজ নেই কারখানা বন্ধ, কী করবে ভেবে পাচ্ছে না। কাজের অভাব পয়সার টান তবুও চলে চুল্লুর ফোয়ারা। চুল্লুর নিয়ে পরে আবার লিখব এখন এই পর্যন্ত। পড়বেন মন্তব্য করবেন।

Saturday, 3 June 2017

দশহরা বা গঙ্গার পূজা।

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বন এ প্রবাদ বাক্য প্রচলিত। সারা বছর নানা পূজা পাঠ লেগেই আছে। সেই রকম জৈষ্ঠ মাসের শুক্ল পক্ষের ষষ্ঠী, যেমন অরণ্য ষষ্ঠী বা জামাইষষ্ঠী সেই ষষ্ঠীর ঠিক চার দিন পর অর্থাৎ শুক্লপক্ষের দশমী তিথিতে দশহরা বা গঙ্গার পূজা। কিন্তু বাংলার গ্রামে গ্রামে গেলে দেখা যাবে গঙ্গা পূজার বদলে মা মনসার পূজা হচ্ছে, মহাধূমধাম করে। অনুষ্ঠানটি অর্থাৎ পার্বন টি ঘরে ঘরে পালিত হচ্ছে দশ ফল দশ ফুল দিয়ে মা মনসার পূজা করে।
সারা দিনের খাদ্য হল, চিড়ে, দই, আম, কলা অর্থাৎ ফলার। গ্রাম বাংলায় তবুও এসব অনুষ্ঠান দেখা যায়। শহরে নেই বললেই চলে, কারণ শহরের বাঙালি অবাঙালী দের সঙ্গে থাকতে থাকতে এসব ভুলে গেছে। আজকের প্রজন্ম এসব মানতেই চায় না। তাদের এখন নাইট ক্লাব কালচার পার্টি এগুলো বড়ো উৎসব হয়ে উঠেছে। শহরের বাঙালি আর সেই বাঙালি নেই।

Thursday, 1 June 2017

কাক ও বকের কথা সঙ্গে মাছরাঙা ও অন্যান্য।

ভূমিকা :- এখন একটু অন্য রকম কথা লিখব। এই লেখার সঙ্গে যদি সমাজের কোনো ঘটনা বা অন্য কোন কিছুর যোগ থাকে তবে সেটা অনিচ্ছাকৃত তার জন্য আগে থেকেই মার্জনা চাইছি। কাউকে আঘাত করা বা অপমান করা আমার উদ্দেশ্য নয়। এটি নিছক কাল্পনিক চরিত্র নিয়ে একটা হাসির গল্প।
গ্রামের মাঝে একটা বড় দীঘি ছিল দীঘিটি এত বড় ছিল আশপাশের অন্য গ্রামের লোকজন ও দীঘিটি ব্যবহার করতো। সঙ্গে দীঘির পারের গাছে পালায় বাস করত বিভিন্ন রকমের পাখি কাক, বক, মাছরাঙা, পানকৌড়ি, জলের মধ্যে থাকত উদবিড়াল বা ভোঁদর। কাক চালাক চতুর আর চরম মিথ্যে বাদী, অপরের খাবার খেয়ে নিয়ে ডালে ঠোঁট মুছে বলে আমি তো খাইনি। অনেক দিন ধরে এই দীঘিটি "বক" দের দখলে ছিল। হঠাৎ করে "কাক" আর "মাছরাঙা" মিলে জোট বেঁধে দীঘি রাজ দখল নিয়েছে। বাকি সব পাখি দের "কাক" এমন বুঝিয়েছে, আগেই বলেছি কাক খুব মিথ্যে বাদী এদের মধ্যে কাকের শ্বরী পাতি খুব মিথ্যে বাদী। দীঘির পূর্ব দিকে জল কলমী আর কচুরিপানা ছিল জায়গাটি ডাক পাখি দের দখলে ছিল। বকেশ্বর দখল করছিল কারখানা করবে বলে। যা লড়াই হল, সেই লড়াই আর পশ্চিমের লড়াই লড়ে তিনি ক্ষমতায় এসেছেন। এসেই যা যা করবেন বলে ছিলেন কিছু করলেন প্রথমে বকেশ্বরের কর্মী দের জব্দ করলেন। ট্যাঁ ফোঁ করার যো নেই, অনেক আশা নিয়ে তারাও বাঁদর লাফনো লাফিয়ে ছিল। কত ভাঙচুর করে কাজ না করে ফাঁকি দিয়ে বকেরশ্বর কে জব্দ করে ছিল সামান্য পাওয়ার জন্যে। এখন আম গেছে আর ছালাও গেছে আর কিছু করলেই বদলি অন্য বনে জঙ্গলে। সেই জন্য মুখ বুজে সহ্য করতে হচ্ছে। হাতে না মেরে ভাতে মারছে দেখ কেমন লাগে। আবার ইঁদুর দের জমানো ধান তিন মাসে ডবল করে দেব বলে "বুলবুলি" তে খেয়ে নিয়েছে। কাকের শ্বরী পাতি বলেছেন যা গেছে তা যাক ও নিয়ে ভেবে লাভ নেই। আমার ক্ষমতা চাই তাই পক্ষী কুলের সরকারি কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন আর প্রতিশ্রুতির বন্যা বয়ে যায়। পরে যদি বলেছেন এই প্রতিশ্রুতিটা পূরণ হয়নি। তাহলে হবে না বলে দেন, তিনি সকলের সামনে কর্মী ও নেতা দের ধমক দেন। বলেন কাজের জন্য কারো কাছে ধান মাছ ডিম এসব ঘুষ খাওয়া চলবে না। পিছনে নিশ্চয়ই বলেন যেমন চলছে চলুক না হলে দল চলবে কি করে। বাকি থাকলো পরে আবার লিখব। কাকের শ্বরী কে নিয়ে কেমন।

আমাদের মুখ্যমন্ত্রী ও জনগণ।

আজ ১ লা জুন ২০১৭ আনন্দ বাজার পত্রিকায় নেটে প্রকাশিত একটি খবর পড়লাম একজন পশ্চিম বঙ্গের বাঙালি হয়ে খুব গর্ব হল। সত্যি মুখ্যমন্ত্রী তো এমন হওয়া উচিত। তিনি সাধারণ মানুষের দুঃখের কথা শুনবেন তাদের কিছু হলেও উপকার করবেন। আরেক টি খবরের পড়লাম তিনি প্রতিশ্রুতি দিলে রাখেন এটাও সত্যি কারণ ২০১১ সালে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছিলেন ক্ষমতায় এলে সিঙ্গুরের জমি চাষিদের ফিরিয়ে দেবেন, তিনি দিয়েছেন। আরেক টা প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়ে ছিলেন সরকারি কর্মীদের ১৬ শতাংশ বকেয়া ডিএ যে দিন থেকে কেন্দ্র সেদিন থেকে বকেয়া করে দিয়ে দেবেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত বকেয়া ডিএ এর পরিমান পঞ্চাশ শতাংশ পার হয়ে গেছে।
পে কমিশন সে তো কবে হবে কেউ জানে না। তিনি আরও অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছিলেন রেল মন্ত্রী থাকা কালীন। সিঙ্গুর থেকে নন্দীগ্রাম রেল হবে। তারকেশ্বর থেকে মসাগ্রাম রেল হবে।  2016 সালেও বিধানসভা নির্বাচনের আগে তিনি প্রতি জেলায় সরকারি বৈঠকে অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। প্রতি ব্লকে শিল্প কারখানা হবে। সুপার স্পেশালিটি হসপিটাল হবে। গোবরডাঙার সুপার স্পেশালিটি হসপিটালের কথা উঠতেই তিনি না বলে দিলেন। তবে আমার মনে হয় তিনি যে এখন আবার নতুন করে জেলায় জেলায় সরকারি সভা করছেন। তা পঞ্চায়েত ভোটের দিকে তাকিয়ে। আমরা চাই তিনি সব প্রতিশ্রুতি রাখুন এবং প্রশাসনিক বৈঠকে নেতা দের সরকারি আমলাদের যা বলেছেন তা যেন বাস্তবে হয়। কারণ তিনি সব প্রতিশ্রুতি রাখেন নি কিন্তু গ্রামের রাস্তা গুলো ভালো করে দিচ্ছেন। তৃণমূল দলে বেশ কিছু খারাপ লোক ঢুকেছে, তিনি তাদের বলুন তুমি নিজে কে সৎ প্রমাণ করে ফিরে এসো। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর চেষ্টার ত্রুটি নেই কিন্তু কিছু অসৎ মানুষ বামফ্রন্ট থেকে এই দলে ঢুকে বদনাম করছে। আপনার অনুরোধ করছি আপনি এগুলো দেখুন।