এর আগেও এই শিরোনামে একটি লেখা লিখে ছি জানি না কজন পরেছেন। আমার লেখা পড়ে কম লোকই। আর মন্তব্য তো নেই তাই বুঝতে পারি না। আমার লেখা সত্যিই কেউ পড়ছে কিনা। কারোর কোনো মন্তব্য নেই। লেখাটি লিখছি কেউ পড়বে বলে মনে হচ্ছে না। যদি পড়েন তবে মন্তব্য করবেন।
আজ কাল যা হচ্ছে তা লেখা উচিত কিনা। আমদের ভারতবর্ষ সত্যিই একটা আজব দেশ, কত মজার মজার আইন মজার ঘটনা। একবার ভাবুন যারা দেশের স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন বাজি রেখে লড়াই করে ছিল। তাদের কথা কে শোনে, যারা ইংরেজী শিক্ষিত হয়ে তাদের গোলামী করবে বলে সে দেশে লর্ড মাউন্ট ব্যটৈনের সঙ্গে খাতির জমিয়ে সেখানে বসে রইল। সে সব মানুষের দল ক্ষমতায় বসে গেল। যারা ইংরেজ দের গোলামী করত বা পা চাটত তারা। আইন গুলো হলও সেরকম, আপনি চাষ করবেন বা অন্য প্রয়োজনে লোন নেবেন হয়তো পঞ্চাশ হাজার বা এক লক্ষ টাকা আপনার চোদ্দ গুষ্টির পরিচয় পত্র চাই। এর আগেও হয়তো লোন নিয়েছেন ঐ ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া ঋণ শোধ করে দিয়েছেন। তাও আপনার চোদ্দ গুষ্টির কাগজ চাই না হলে হবে না। আর বড়ো শিল্পপতি লোন নেবেন কোনো নেতা মন্ত্রী লিখে দিলেই মিলবে লোন। সে লোন কয়েক কোটি টাকা, আবার শোধ না করলেও হবে। শিল্প ঢকে তুলে লোন শোধ না করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও কেউ বলার নেই। আর আমি আপনি ঐ পঞ্চাশ হাজার টাকার একটা কিস্তি যদি মিস হয়েছে, বাড়িতে পেয়াদা চলে আসবে, একটা খিস্তি মিস যাবে না। শিল্পপতি দের লোন মুকুব হয়ে যাবে। কী আজব দেশ। আবার দেখুন ক্লাব গুলো কে টাকা দেওয়া হচ্ছে, খেলার উন্নতি জন্য আর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছোট্ট ছেলে মেয়ে রা খেলবে তখন টাকা নেই। নামাজ পড়াবেন টাকা পাবেন। হজে যাবেন টাকা পাবেন, দুর্গা পুজো করবেন টাকা পাবেন। প্রাথমিকের শিক্ষকরা পড়াবেন টাকা নেই। তাদের বেতন কম দিতে হবে, আবার একেবারে কচি পাঁচ বছরের বাচ্চাদের যারা প্রাক প্রাথমিক শ্রেণি তে পড়ে তাদের পোশাকের টাকা নেই। সিভিক পুলিশ শিক্ষা বন্ধু সর্ব শিক্ষার কর্মী এদের জীবন ধারণের মত বেতন দিতে হবে টাকা নেই। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাচ্ছা রা খাবে বরাদ্দ ৪ টাকা। ঐ দিয়ে জ্বালানি তেল নুন ঝাল মশলা সব জিনিস কিনতে হবে। আবার ৮৫%বাচ্ছার টাকা মিলবে। তিন মাস খাওয়ানোর পর মিলবে। তিন মাস শিক্ষকরা ধার করে বা নিজের টাকায় খাওয়াবে প্রয়োজন মনে হলো টাকা দেবেন না হলে নয়। কারণ 2011 সালে এ ঘটনা ঘটেছে সিঙ্গুর ব্লকে। বাম সরকার দেনা করে গেছে, শিল্প নেই কাজ নেই তাতে কি? ধনী দের দু টাকা কিলো চালের ব্যবস্থা আছে। যার বাবা কোটি পতি বা লাখ পতি সেও কন্যাশ্রী পাবে নবম শ্রেণিতে পড়লে সাইকেল পাবে। আবার তার সঙ্গে আছে রূপশ্রী আরও অনেক শ্রী। কোনো বাড়ির যত জন নবম শ্রেণীতে পড়বে সকলে সাইকেল পাবে। এম পি, এম এলে দের বেতন বাড়বে তারা আড়াই বছর ঐ পদ ধরে রাখতে পারলে পেনশন পাবে। আর সরকারি কর্মচারী ত্রিশ বছর চাকরি করবে তার জিপিফ কাটবে। প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় বর্ষের টাকা কতটা বাড়তে পারত তা তারা পাবেন না। সাধারণ সুদ পাবেন, তবুও তার পেনশন নেই, কী অদ্ভুত দেশের আইন কী মজার দেশ। আবার দেখুন বর্তমানে একটি বাঙালি ব্যাঙ্ক হয়েছে। এটা আগেই ছিল গ্রামের মেয়েদের লোন দিত, শুনতে কত ভালো না। গ্রামের মেয়েরা লোন পাচ্ছে তাদের উন্নতি হচ্ছে। রহস্য অন্য জায়গায় বলবেন তুই ব্যাটা ভালো নয়, খালি খুঁত খুঁজিস। ধরুন গ্রামের একটি মেয়ে পাঁচ হাজার টাকা লোন করল, তাকে দেওয়া হলো তিন হাজার টাকা বলা হলো তুমি প্রতি সপ্তাহে পাঁচ শ টাকা করে এগারো সপ্তাহ দেবে। এগারো সপ্তাহ দেওয়ার পর ঐ দুই হাজার টাকা ফেরত পাবে। ভালো কথা এগারো সপ্তাহ কেটে গেল মেয়ে টি খেয়ে না খেয়ে টাকা শোধ করল। কিন্তু ঐ দু হাজার টাকা তাকে আর দেওয়া হল না। বলা হলো ওটা লোন বই খোলার টাকা। এবার ভাবুন আড়াই মাসে তিন হাজার টাকার সুদ আড়াই হাজার টাকা। এখনও একই ব্যবস্থা আছে। যার মাথা থেকে এটি এসেছে লোকটির পদবী দেখে মনে হচ্ছে সদগোপ বা কায়স্থ। যদি কায়স্থ হন তবে বাংলায় একটা প্রবাদ আছে "কায়েত মরে জলে কাক বলে না জানি কোন ছলে আছে।" এই টি নাকি এখন ব্যাঙ্কের অনুমতি পেয়েছে আরও ভালো করে গলা কেটে লোন দেবে বাড়ির মেয়েদের আর তারা স্বামী যদি পাঁচ কিলো চাল কিনতে দেন, তিন কিলো আনে নিজে একবেলা না খেয়ে থাকে পাঁচ কিলো আলুর জায়গায় আড়াই কিলো কেনে। অর্থাৎ সংসার কোন রকম চালিয়ে নিজে না খেয়ে থেকে সপ্তাহে লোনের কিস্তি শোধ করে। কী আজব দেশ স্বাধীন হবার সত্তর বছর পরেও মানুষ মানুষকে শোষণ করে। আরেক টি বড়ো চিটিংবাজ সংস্থা আছে সে আবার খূব নাম করা তার অনেক দালাল আছে। তারা কমিশন পায় এরা অনেক অনেক ভালো ভালো কথা বলে পকেট কাটে। তিন বছর ধরে কিস্তি না দিলে টাকা ফেরত পাওয়া যায় না। অনেকেই তিন বছর ধরে কিস্তি দিতে পারে না। সে সব টাকার হিসাব নেই, যদি কোন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হল, তার পরিবারের টাকা ফেরত পেতে যার পাওয়ার সেও মৃত্যুর দোরগোরায় পৌঁছে যাবে। তখন বন্ডের নানান শর্ত দেখা যাবে। যে ইংরেজি পড়তে পারে তাকে মাইকোস্ক্রপের নীচে রেখে লেখা পড়ে নিতে হবে। আর যে পড়তে পারেন না। বা পড়েও বাংলা করতে জানে না সে গেল। আর যদি নাম করা ব্যক্তি হন কোনো প্রভাবশালী হন তবে ক্লেম পেতে বেশি সময় লাগবে না। কী আজব দেশ, জনগণ দ্বারা পরিচালিত জনগণের সরকার। কিন্তু জনগণের ভোট দেওয়ার অধিকার নেই। জনগণ টিভি চ্যানেলে দেখচ্ছ টাকার লেনদেন হচ্ছে। কলেজ ভর্তি হতে গেলে ঘুষ লাগছে। চিটিংফাণ্ডে টাকা রেখে সর্ব শান্ত হচ্ছে। কে চুরি করেছে বোঝা যাচ্ছে। তবু তার শাস্তি নেই, ওসব প্রভাবশালী ব্যক্তি নেতা মন্ত্রী ওদের কে ধরবে। জনগণের অধিকার নেই ওদের পাল্টে দেবার। আবার দেখুন কোনো সাধারণ মানুষ যদি মুরগি চুরি করেছে তবে তার জেল হবেই হবে। কী আজব দেশ? আজ এই পর্যন্ত পরে আবার মনে হলে নতুন করে লিখব।
This is a news blog. Here I write story, social incidents, political incidents, & my life history etc.
Monday, 10 September 2018
আজব দেশ বা মজার দেশ ।
Sunday, 9 September 2018
(৭ম অংশ ও শেষ অংশ )দুর্গা ষষ্ঠী পূজার মন্ত্র ।পঞ্চ দেবতার পূজা ।
৩৮) পঞ্চ দেবতার পূজা :- ( পঞ্চ দেবতার পূজা পঞ্চ উপাচারে করবেন, গন্ধ, (চন্দন বা অগরু,) পুষ্প, ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য)
পূজা ।
ক) গনেশের পূজা :- ধ্যান :- ওঁ খর্ব্বং স্থুল তনুং গজেন্দ্র বদনং লম্বোদরং গজাননম ।প্রসন্দম্মদগন্ধলোলুপ মধূপ ব্যালোল গণ্ডোস্থলম ।দন্তাঘাতে বিদারিতারি রুধৈরৈ সিন্দুর শোভাকরম ।বন্দে শৈলসূতা সূতং গনপতি সিদ্ধিপ্রদ কামদম ।
আহ্বান :- ওঁ ভূর্বস্ব গাং গনপতে ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ট ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধস্ব ইহসন্নিরূধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব ।
পূজা :- গন্ধ :- (ফুলে চন্দন বা ফুল না নিয়ে কেবল অগরু ছিটিয়ে) বং এতেস্মৈ গন্ধাহং নম ।(তিন বার) এতধিপতয়ে দেবায় শ্রী বিষ্ণবে নম ।এতৎ সম্প্রদানায় ওঁ গাং গনেশায় নম ।শরীরং তে ন জনামি চেষ্টাং নৈব নৈব চ । ময়া নিবেদিতং গন্ধাহং প্রতিগৃহ্য বিলোপ্যতাম । এষো গন্ধ ওঁ গাং গনেশায় নম ।
পুষ্প :- বং এতেস্মৈ পুষ্পাহং নম ।( তিন বার) এতধিপতয়ে দেবায় শ্রী বিষ্ণবে নম ।এতৎ সম্প্রদানায় ওঁ গাং গনেশায় নম । ওঁ পুষ্পং মনরমং দিব্যং সুগন্ধি দেবনির্ম্মিতম ।হৃদয়াদ্ভূতমাঘ্রানেন দেবী দত্তং প্রতিগৃহ্যতাম। এষো পুষ্পং ওঁ গাং গনেশায় নম ।
ধূপ :- বং এতেস্মৈ ধূপাহং নম । ( তিন বার) এতধিপতয়ে দেবায় শ্রী বিষ্ণবে নম ।এতৎ সম্প্রদানায় ওঁ গাং গনেশায় নম ।ওঁ ধূপাহং বনোস্পতে রসো দিব্যং সুগন্ধাঢ্য ।ময়া নিবেদিতং ভক্তাং ধূপাহং প্রতিগৃহ্যতাম ।এষো ধূপ ওঁ গাং গনেশায় নম ।
দীপ :- বং এতেস্মৈ দীপাহং নম । ( তিন বার) এতধিপতয়ে দেবায় শ্রী বিষ্ণবে নম ।এতৎ সম্প্রদানায় ওঁ গাং গনেশায় নম ।অগ্নি জ্যোতিজূষ্যা রবিজ্যোতিশ্চন্দ্র জ্যোতিষ থৈব চ ।জ্যোতিষূত্তোম দীপাহং প্রতিগৃহ্যতাম ।এষো দীপ ওঁ গাং গনেশায় নম ।
নৈবেদ্য :- বং এতেস্মৈ নৈবেদ্যং নম ।( তিন বার) এতধিপতয়ে দেবায় শ্রী বিষ্ণবে নম ।এতৎ সম্প্রদানায় ওঁ গাং গনেশায় নম ।ওঁ আমান্নং ঘৃতসংযুক্তং নানা বস্তু সমন্বিতাম।। ময়া নিবেদিতং ভক্তাং নৈবেদ্যং প্রতিগৃহ্যতাম ।এতৎ নৈবেদ্যম ওঁ গাং গনেশায় নম ।
প্রণাম :- ওঁ এক দন্তং লম্বোদরং গজাননম বিঘ্ননাশকরং দেবং হেরম্বং প্রণমম্যহম ।
সুর্যের পূজা :- ধ্যান :- ওঁ রক্তাম্বুজ সনম শেষগুনৈকসিন্ধু ভানু সমস্ত জগতামধিপ ভজামি পদ্মদয়া বরাভয় দধাতন করব্জৈর্মাণিক্য মৌলিমরুনাঙ্গরুচিং ত্রিনেত্রাম ।
আহবান :- ওঁ শ্রী সূর্যায় ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ট ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধ ইহসন্নিরুদ্ধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব ।
পূজা :- গন্ধ :- ( গনেশ পূজার মতো কেবল "গাং গনেশায়" বদলে "ওঁ শ্রী সূর্যায়" বলতে হবে।)
পুষ্প :- ( গনেশ পূজার মতো কেবল "গাং গনেশায়" বদলে ওঁ শ্রী সূর্যায় বলতে হবে।)
একই ভাবে ধূপ /দীপ /নৈবেদ্য নিবেদন করে প্রণাম করবেন।
প্রণাম :-- ওঁ জবাকুসুম সংঙ্কাশনং কাশ্যপেয় মহাদ্যূতিম ।ধ্বন্তারিং সর্ব্ব পাপোঘ্নম প্রনোতস্মি দিবাকরম ।
নারায়ণ পূজা :-- ধ্যান :- ওঁ ধ্যায় সদা সবৃতমণ্ডল মধ্য বর্তী নারায়ণ। সরসিজাসন সন্নিবেষ্টিত কেয়ূরবান কনক কুণ্ডলবান কীরিটী হারি। হিরণ্ময়বপু ধৃত শঙ্খচক্র।
আহ্বান :-- ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ট ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধস্ব ইহসন্নিরূধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব ।
পূজা :--পূজা একই রকম কেবল দেবতার নামের স্থলে "ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে ।" বলতে হবে।
প্রণাম :-- ওঁ ব্রহ্মণ দেবায় গো ব্রাহ্মণ হিতায়চ জগদধীতায় কৃষ্ণা গোবিন্দায় নারায়ণ নমহস্তুতে।
শিবের পূজা :-- ধ্যান :-- ওঁ ধ্যায়ে নিত্যং মহেশং রজতগিরি নিভনং চারুচন্দ্র বতংসং রত্ন কল্প উজ্জ্বলাঙ্গ পরশু মৃগ বরা ভীতি হস্তং প্রসন্নম। পদ্মাসীন সমস্তাত স্তুতমরগৈনক ব্যাঘ্র কৃত্তি বসনাং বিশ্বদ্যাং বিশ্ববীজং নিখিল ভয় হরং পঞ্চ বক্তম ত্রিনেত্রাম ।
আহ্বান :-- ওঁ নম শিবায় ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ট ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধস্ব ইহসন্নিরূধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব ।
পূজা :-- একি কেবল "ওঁ নম শিবায়" বলতে হবে।
প্রণাম :-- ওঁ নম শিবায় শান্তায় কারণ ত্রয় হেতবে নিবেদয়ামি ত্বং গতি পরমেশ্বর।
দুর্গা পূজা :-- ধ্যান :-- ওঁ কালাভ্রাভাং কটাক্ষৈরি কুলভয়দ্যাং মৌলিবধেন্দূরেখাং ।শঙ্খ চক্রং কৃপাণ ত্রিশিখমপি করৈরুদধ্ব হন্তীং ।সিংহ স্কন্ধাধিরুরাং ত্রিভুবন মখিলাং ধ্যায়ে দুর্গা জয়াখ্যাং ত্রিদশ পরিবৃত্তাং সেবিতাং সিদ্ধিকামৈ ।
আহ্বান :-- ওঁ হ্রীং দুর্গায়ৈ ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ট ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধস্ব ইহসন্নিরূধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব ।
পূজা :-- আগের গনেশ পূজার মতো কেবল "ওঁ হ্রীং দুর্গায়ৈ নম" বলতে হবে।।
প্রণাম :-- ওঁ সর্ব্ব মঙ্গল্য মঙ্গল্যে শিবে সর্বাথ সাধিকে স্মরণ্যে ত্র্যম্বকে গৌরি নারায়ণী নমহস্তুতে প্রধান পূজা :-- শুরুতে ধ্যান করে নেবেন। " ওঁ চতুর্ভুজং বিল্ব বৃক্ষ" তার পর ষোল উপাচারে বা পঞ্চ উপাচারে পূজা করবেন। ষোল উপাচার হলো ১) রজতাসন। এরপর স্বাগতম জানিয়ে নিয়ে। ২) পাদ্য ৩) অর্ঘ্য ৪)আচমনীয় ৫) মধুপর্ক ৬)পুনঃ আচমনীয় ৭) স্নানীয় ৮) বস্ত্র ৯) আভরণ ১০) গন্ধ ১১) পুষ্প ১২) ধূপ ১৩) দীপ ১৪)নৈবেদ্য
১৫) তাম্বুল ১৬) পুষ্প মাল্য ।( পঞ্চ উপাচার গনেশের পূজার সময় লেখা আছে। কেবল ওঁ বিল্ব বৃক্ষ বাসীনি দুর্গা য়ৈ নম বলতে হবে। পঞ্চ উপাচার ১)গন্ধ ২)পুষ্প ৩)ধূপ ৪)দীপ ৫)নৈবেদ্য) পুষ্পাঞ্জলী দিয়ে তারপর আরতি করবেন সবার শেষে। পুষ্পাঞ্জলী :-- ( ব্রাহ্মণের) এষো সচন্দন বিল্বপত্র পুষ্পাঞ্জলী ওঁ বিল্ব বৃক্ষ বাসিনী দুর্গায়ৈ নম। (এই মন্ত্রে তিনবার অঞ্জলী দেওয়ার পর প্রণাম করবেন প্রণাম মন্ত্র পঞ্চ দেবতার পূজার ওখানে দুর্গার প্রণাম মন্ত্র। এরপর সর্ব সাধারণের পুষ্পাঞ্জলী হবে।)
সাধারণের পুষ্পাঞ্জলী :-- (হাতে জল নিয়ে) নম বিষ্ণু নম বিষ্ণু নম বিষ্ণু। (হাত জোর করে) নম অপবিত্র পবিত্র বা সর্বাস্থাং গতহোপিবা যৎস্মরেৎ পুণ্ডরিকাক্ষং স্ব বাহ্য অভ্যান্তর শুচি। মাধব মাধব বাচী মাধব মাধব হৃদি স্মরন্তি সাধব। সর্ব কার্যেষু মাধবম।
পুষ্প ও বিল্বপত্র নিয়ে :--এষো সচন্দন বিল্ব পত্র গন্ধ পুষ্পাঞ্জলী নম শ্রী শ্রী ভগবতী বিল্ব বৃক্ষ বাসিনী দুর্গায়ৈ নম। ( এই মন্ত্রে তিনবার) এবার প্রণাম মন্ত্র :- নম সর্ব মঙ্গল্য মঙ্গল্যে - - - - - - - -
আরতি :-- ( প্রতিটি জিনিস চরণে (কল্পিত চরণ) ৪ বার /কল্পিত দেহে তিন বার /কল্পিত মুখমণ্ডলে ৪ বার) আরতির বস্তু :পঞ্চ প্রদীপ /কর্পূর দানী /বিশেষ অর্ঘ্যের শঙ্খ জল /নতুন বস্ত্র বা গামছা /ধূপ /পুষ্প /চামর বা নতুন পাখা ( ষষ্ঠী পূজা সমাপ্ত। এরপর আমন্ত্রণ অধিবাস হচ্ছে, স্বত্ত্বি বাচনে অমুক কর্মানি স্থানে অধিবাস কর্মানি বলতে হবে। আর সংকল্প একই ভাবে পাল্টে ফেলতে হবে। আর প্রসস্তি পাত্র বা বরণ ডালার প্রতিটি দ্রব্যের মন্ত্র আছে -( গঙ্গা মাটি) কজ্জল /শিলা দীপ আরো কয়েকটা দ্রব্য নিয়ে তৈরি প্রসস্তি পাত্র। যদি সম্ভব হয় তাহলে কোনো বই দেখে পাঠ করে নেবেন না হলে। অনেন মহ্যা অস্য ওঁ হ্রীং দুর্গায় নম ।অনেন কজ্জল অস্য ওঁ হ্রীং দুর্গায় নম ।এভাবে করতে পারেন সব টাই হবে দেবী প্রতিমায়। শেষে হলুদ মাখানো সাদা সূত
নিয়ে তাতে আট বা সাত গাছা দূর্বা বেঁধে নিতে হবে আগেই সেই সূতা প্রতিটি প্রতিমার হাতে বেঁধে দিতে হবে। দেবীদের বাম হাতে আর দেব দের ডান হাতে। মন্ত্র "সূত্রমাং পৃথিবীং দাম্যনেহেসং অথবা সংক্ষেপে। অনেন মঙ্গল সূত্রে ন অস্য ওঁ হ্রীং দুর্গায় নম ।এই ভাবে কাং কার্ত্তিকেয় /গাং গনেশায় /শ্রীং লক্ষ্মী /ঐং সরস্বতী এই ভাবে সিংহ মহিষাসুর প্রভৃতি দেবদেবীর হাতে বেঁধে দিতে হবে আমন্ত্রণ অধিবাস শেষ হবে।)
Saturday, 8 September 2018
সোনার গদা ।( শ্যামল বন্দ্যোপাধ্যায়) ২য় অংশ
একে পুরনো দিনের জমি দার তাও আবার পুকুর থেকে পুরোনো সিন্দুক। ভেতরে কী আছে না জেনে বাড়ি ফিরতে চান না কেউ, কিন্তু সুরেশ কায়দা করে সেটা ওখান থেকে জমিদার বাড়িতে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করল। সেটিকে জল দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার করা হল। ধোয়ার পর যে চেহারা দেখা গেল তা দেখে ভবতোষ বাবুর চক্ষু চড়ক গাছ। দেখা গেল সিন্দুক কোনো রকম ভাবে বন্ধ করা। একটা চাবি যেন লাগানো আছে। ডুবুরিরা কোনো রকমে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খুলে ফেলল। ভেতরে কিছু নেই। ভবতোষ বাবু বললেন, আমি জানতাম কিছু থাকবেনা। কারণ ওর মধ্যে যে সব বস্ত ছিল তা চুরি হয়ে গেছে। সুরেশ বাবু বললেন কী ছিলো? ওতে দারুণ একটা দামি বস্তু ছিল, কারণ সিন্দুক টি ঠাকুর ঘরে ঢুকে একটি গোপন কুঠরিতে ছিল। দেওয়ালের সঙ্গে আটকানো ছিল। ওতে ঠাকুরের কিছু গহনার সঙ্গে সোনার তৈরি একটি গদা ছিল। যে টির মাথায় একটা হিরে বসানো ছিল। সুরেশ বাবু কী বলছেন? তার মানে এটা চুরির ঘটনা। তা এই সিন্দুক কোথায় থাকত? ভবতোষ - ঐ ঠাকুর ঘরে ঢুকতে এ একটি ঘরে এ দেওয়ালের সঙ্গে আটকানো ছিল। পূজোর সময় ছাড়া আর কোন সময় ও ঘরে কেউ ঢুকত না। সুরেশ বাবু সব দেখলেন এবং সকালের ঘটনাও শুনলেন। ডুবুরি ও জেলে দের টাকা দিয়ে বিদায় দেওয়া হলো।
তখন কেশব বাবু বললেন " ও এই জন্য তুই সকালে বলছিলি আমি পুরোণ দিনের কোনো কিছু জানি কিনা। দেখ তুই যদি সকালে আমায় কথাটা বলতিস। যে হাঁটতে গিয়ে ও সব তোকে বলেছে তাহলে একটা কিছু ভাবা যেত।" ভবতোষ বাবুর বড়ো ছেলে বলল "বাবার ঐ এক দোষ কোন কিছু খোলা খুলি বলেন না। শুনুন আপনি কাল থেকে একা কোথাও যাবেনা। সঙ্গে কাউকে নেবেন, লোক আজ ওসব বলেছে কাল কিছু করে দিলে, না না আপনি একা একা কোথাও যাবেন না। " ছোট ছেলেও একই কথা বলল, কেউ কিছু বললে আমাদের এসে বলবেন। "মেজ ছেলে উপস্থিত ছিলেন, বলল, না না বাপি একলা ছাড়া যাবে না। এ কদিন আমি সঙ্গে যাব, এর পর তোরা পালা করে যাবি। বড়দা একদিন তুই একদিন। দেখছি রাস্তায় কে কি বলে। সুরেশ বাবু বললেন, আপনার ছেলেরা ঠিক বলছে, আপনি একা একা কোথাও যাবেন না। এটি কোথায় ছিল চলুন দেখে আসি? ভবতোষ বাবু সহ সকলে ঠাকুর দালানের দিকে এগিয়ে গেলেন।
এবং যা দেখলেন তা বেশ চিন্তার, বিশেষ কায়দায় তালা খোলা হয়েছে দেওয়াল থেকে ঐ সিন্দুক বার করা হয়েছে নিপুণ ভাবে দেওয়াল বেশি ভাঙা হয়নি। অথচ সিন্দুক বার করে নেওয়া হয়েছে।
সুরেশ বাবু ভাবতে লাগলেন, এতো নিপুণ হাতের কাজ।
তিনি নিজে থেকেই বললেন আমাকে ভালো করে তন্দন্ত করে দেখতে হবে। ইতি মধ্যে পুরো কুসুম ডিহি তে রটে গেছে যে জমিদার বাড়ির পুকুর থেকে সিন্দুক উঠেছে।
তখন অনেক টা সন্ধ্যা হয়ে গেছে, সকল গৃহস্থের বাড়িতে শঙ্খ ধ্বনি শেষের দিকে। সুরেশ বাবু সিন্দুক কী কী ছিল তার তালিকা তৈরি করতে লাগলেন। সব থেকে দামী জিনিস টা ছিল একটা সোনার গদা যার মাথায় একটা হীরে বসানো ছিল। গদা টা দুর্গা পুজোর সময় গনেশের হাতে দেওয়া হতো। এবার পূজোর সময় সে আর হবে না। কি হবে ভবতোষ বাবুর ভাবনায় আসছে না। সুরেশ বাবু সব কাজ শেষ করে থানায় ফিরে এলেন।
এর পর দিন পনেরো কেটে গেছে, ভবতোষ বাবু যে কদিন মর্নিং ওয়াক গেছেন, কোন ছেলে সে বড়ো ছেলে হোক ছোট মেজ বা কেশব বাবু সঙ্গে গেছেন। কিন্তু আজ তিনি কাউকে সঙ্গে না নিয়ে বেড়িয়েছেন, আজ আবার সেই একই জায়গায় একটি লোক এসে বলে গেল, ও আর খোঁজ করিস না। এতো কুয়াশা যে কাছা কাছি কিছু দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না। ভবতোষ বাবুও যে ভাবে ঢেকে ঢুকে বেড়িয়েছেন, তাতে চেনার উপায় নেই বললেই চলে, তবুও লোক টি তাকে চিনতে পারল।
এমন সময় সুরেশ বাবু যেন ধূমকেতুর মতো উদয় হলেন। ভবতোষ বাবুর কাছে এলেন, বললেন - "ধরতে পারলাম না।" ভবতোষ বাবু ঘাবরে গিয়ে বললেন -- " তুমি এই ভর বেলা!" সুরেশ - " আর বলেন কেন আপনার ছেলেরা আর কেবশ বাবু বলল তারা আজ আসবে না, কিন্তু আপনি বেড়বেন। তাই আমি নিজেই, কিন্তু লোকটি কে চিনতে পেরেছেন?" ভবতোষ - "এই কুয়াশায় চিনি কি করে?" সুরেশ --" তা ঠিক যা কুয়াশা আমি ভালো করে দেখে নিতে পারছি না। আপনার কাছে এসে কী জেন বলতে শুনলাম? " ভবতোষ -" ওই যে ওটা আর খুঁজিস না।" সুরেশ --" তার মানে কালপিঠরা আপনাকে ভাল রকম চেনে। " এ ভাবে হাঁটতে হাঁটতে তারা ভবতোষ মজুমদারের বাড়ির সামনে এসে পরেছেন। সুরেশ বাবু বলেন দেখুন দেওয়ালে পোস্টার। দুজনেই দেখলেন ওটা আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। ( ক্রমশ)
Sunday, 2 September 2018
(ষষ্ঠ অংশ) দুর্গা ষষ্ঠীর পীঠ পূজা ও ঘটস্হাপন
৩২) পীঠ পূজা :- (অষ্টদলপদ্মে) আহবান - ওঁ পীঠ দেবতা গন ইহগচ্ছ ইহগচ্ছ ইহতিষ্ট ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধস্ব ইহসন্নিরূধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব।
পূজা :- এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ আধার শক্তয়ে নম।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ কুর্ম্মায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনন্তায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পৃথিবৈ নম ।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ক্ষীরা সমুদ্রায় নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ শ্বেতদ্বীপায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মনিদ্বীপায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মনি বেদীকায়ৈ নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মনি মণ্ডপায় নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ রত্ন সিংহয়ায় নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ ধর্ম্মায় নম ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ জ্ঞানায় নম ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ ঐশ্বর্যায়ৈ নম ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ বৈরাগ্যায়ৈ নম ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ অধর্ম্মায়ৈ নম ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ অজ্ঞনায়ৈ নম । এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ অনৈশ্বর্যায়ৈ নম ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ অবৈরাগ্যৈ নম ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ অং অর্কমণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মানে নম।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ উং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মানে নম ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ মং বহ্ণি মণ্ডলায় দশ কলাত্মানে নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ অনন্তায় নম ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ পং পদ্মায় নম ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ রং রজসে নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ তং তমসে নম ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ সং সত্ত্বায় নম ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ আং আত্মনে নম ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ অং অন্তর আত্মনে নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ পং পরম আত্মনে নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ হ্রীং জ্ঞান আত্মনে নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ ঈং মায়ায়ৈ নম ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ আং প্রভায়ৈ নম ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ উং জয়ায়ৈ নম ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ এং সুক্ষায়ৈ নম ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ ঐং বিশুদ্ধয়ৈ নম ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ ওং নন্দনৈ নম ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ ঔং সুপ্রভায়ৈ নম ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ অং বিজয়ায়ৈ নম ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ অঃ সর্বসিদ্ধিদায়ৈ নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ ওং বজ্রনখদ্রষ্টায়ূধায় মহাসিংহায় হুং ফট নম ।
৩৩) ঘটস্হাপন :- ( মাটি /কাদার তাল) ওঁ মহীত্রান বস্তু দ্যূক্ষং মিত্রসার্য্যযমন দুরাধর্ষং বরুণস্য । ( ঘট) ওঁ আবিশেন কলসং সূত বিশ্ব অর্ষন্ন ভিশ্রিয়তে। ইন্দ্রানু ইন্দ্রিয় ধীয়তে । সিন্দুর সিন্দুরোচ্ছাসে পতনোণমুখং হিরণ্যপাব পশমপশু গৃভ্যনতে ।(জল) ওঁ মিত্রাবরুণা ঘৃতগৈব্যুতি মুক্ষতম । মধ্বা রজহংসি সক্রতু ।( পল্লব) ওঁ অয়ামুর্জাবত বৃক্ষ উর্জীব ফলানিভব। পর্ণ বনস্পতে নূত্তা নূত্তা চ সূয়তাংরয়ি । ( ধান) ওঁ ধানবন্ত করমনিভমপুপন্তমূকথিনম । ইন্দ্র পাতুতর্য্যষন। ( ফল) ওঁ ইন্দ্র নরনেমেধিতা হবন্ত যৎপার্যা জুনযতে ধীয়স্তে । শূর নৃষতা শ্রবশ্চকাম আগোমতি ব্রজে ভজ ত্বং । ( বস্ত্র) ওঁ যুবা সুবাসা পরিবীত আগতা স উ শ্রেয়ান ভাবতি জায়মান। ত্বং ধীরসা কবয়া উন্নয়নতি স্বাধ্বে মনসা দেবয়ন্ত ।( পুষ্প) ওঁ পবনমান বশ্নুরশ্মি ভিবর্জসাতম ।দধোস্তত্রে সুবীর্যম ।
(যে হেতু বিল্ব বৃক্ষের পূজা তাই, প্রাণ প্রতিষ্ঠা ও চক্ষু দান হবে না। তাই আহবানের পর পঞ্চ দেবতার পূজা করে নিতে হবে।)
৩৪) আহ্বানঃ -( প্রতি দেবতার আহ্বানে পঞ্চ মুদ্রা প্রদর্শন করতে হয়।অহবানের শুরুতে ধ্যান করে নিতে হয়। বিল্ব বৃক্ষের ধ্যান, " ওঁ চতুর ভূজং বিল্ব বৃক্ষ) ওঁ ভূবর্স্ব শ্রী শ্রী ভগবতী বিল্ব বৃক্ষ বাসীনি দুর্গে সায়ূধ বাহন সহিতে পরিবার সমন্বিতে ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ট ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধস্ব ইহসন্নিরূধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব ।
৩৫)কান্ড রোপন :- ( তীর কাঠি ধরে) ওঁ কাণ্ডাৎ কাণ্ডাৎ প্রহরোন্তি পুরুষ পুরুষ পরি। এবেন দূর্বেন প্রতেনু সহস্রেন শতেন চ ।
৩৬)সূত্র বেষ্টন :- ওঁ পৃথিবীং দাম্যনেহ্রেসং সুশর্মান সুপ্রনীতিম ।দৈবাং নাবাং সরিস্তামনাগমাসব্রন্তি মারুহেমা সস্ত্রয়ে ।