Saturday, 25 August 2018

(২য় অংশ) ষষ্ঠীপূজার মন্ত্র ।(দুর্গা পূজোর পদ্ধতি)

১৪) মাস ভক্ত বলি :- (কলাপাতা /কাঁঠাল পাতা /মাটির নতুন মাটির খুড়ি তে মাসকলাই দই বা অভাবে গঙ্গা জল অথবা দুধ নিয়ে। মাস ভক্ত বলি দিতে হয়।)মন্ত্র :- বং এতেস্মৈ মাসভক্ত বলয়ে নম ।(তিন বার) এতধিপতয়ে দেবায় শ্রী বিষ্ণবে নম ।এতৎ সম্প্রদানায় ওঁ ভূত্যাদিভ্যোব নম ।এতে  গন্ধ পুষ্পে ওঁ ভূতাদিভ্যোব ।(হাত জোর করে) ওঁ ভূত প্রেত পিশ্চাস যে বসন্ত্র ভুতলে তে গৃহন্তু্ ময়া দত্ত বলিরেষ প্রসাদিতা পূজিতাা গন্ধ পুষ্প দৈবির্লিতর্পিতুস্তা। পূজাং পশ্যন্তু মৎ কৃতাম ।(সাদা সরিষা ছড়াতে ছড়াতে) ওঁঁ অসর্পন্তু তেভূতাা যে ভূতা বিঘ্ন করতারস্তেে নশ্যন্তু শিব আজ্ঞায় ।বেতালশ্চ পিশ্চাস রাক্ষশ্চাশ সরীসৃপ ।অপসর্পন্তুতে  চণ্ডিকাস্ত্রেন

তাড়িতা ।(এর পর আসনশুদ্ধি থেকে ষষ্ঠীপূজার বাকিটা অন্য পাতায়) 

  

Wednesday, 22 August 2018

(১ম অংশ) বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গা পুজো পদ্ধতি মন্ত্র সহ।

ষষ্ঠীর বোধন (পূজা পুরো টা বিল্ববৃক্ষে, পণ্ডিতেরা নিজ গুণে ক্ষমা করে দেবেন আমি জানি না মন্ত্রের কোন কপি রাইট হয় কিনা। কারণ আমি অনেক রকম বই পড়ে মন থেকে এসব লিখছি কোন পাণ্ডিত্য দেখা বার জন্য নয়। যদি কারো কাজে লাগে ভাল লাগবে। আবারও বলছি পণ্ডিতেরা নিজ গুণে ক্ষমা করে দেবেন কেমন।) বিল্ব বৃক্ষের পূজা।
দিয়ে পূজা শুরু হয়। ষষ্ঠী পূজোর করনীয় ক্রীয়ার সূচি পত্র। ১)আচমন
২)বিষ্ণু স্মরণ ৩)স্বত্ত্বি বাচন ।৪)স্বত্ত্বি সূক্ত ৫)সাক্ষ্য মন্ত্র ৬)বরণ (গৃহে পূজা হলে গৃহ কর্তা পুরোহিত ও তন্ত্র ধারক কে বরণ করে নেবেন) ৭)সংকল্প ৮)সংকল্প সুক্ত ৯)পঞ্চগব্য শোধন ।
১০)অধিবাস (ক) বরণডালা নিয়ে। (খ) মন্ত্রে
১১)সামান্য অর্ঘ স্থাপন ১২)দ্বার পূজা ১৩) বিঘ্ন অপসারণ
১৪)মাসভক্ত বলি ১৫ )আসন শুদ্ধি ১৬ )পুষ্প শুদ্ধি। ১৭) )প্রানায়াম ১৮ )কর শুদ্ধি। ১৯ )সংক্ষেপে ভুতশুদ্ধি। ২০)মাতৃকান্যাস ২১)অন্তর্মাতিকা ন্যাস ।২২)বাহ্য মাতৃকান্যস। ২৩ )সংহার মাতৃকান্যাস ২৪)পীঠন্যাস  ২৫)করন্যাস ২৬ )অঙ্গন্যাস ২৭ )ব্যাপক ন্যাস। ২৮ ঋষ্যাদি ন্যাস ।(কী প্যাডে রী কার না থাকার বানান ভুল হলো)
২৯ )ধ্যান ৩০)মানসপূজা ৩১ )বিশেষ অর্ঘ্য স্থাপন। ৩২ )পীঠ পূজা ৩৩ )ঘট স্থাপন। ৩৪ )কাণ্ড রোপন। ৩৫ ) সূত্র বেষ্ঠন ৩৬ )বেদি শোধন ৩৭ ) বিতান শোধন ।৩৮ )আবাহন
(ষষ্ঠী পূজা যেহেতু ঘটে তাই চক্ষু দান ও প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে না।) ৩৯ )পঞ্চ দেবতার পূজা ক) গনেশের পূজা খ) সূর্যের পূজা গ) বিষ্ণুর পূজা।
ঘ) শিবের পূজা ঙ) দুর্গা পুজা ৪০)ধ্যান করে প্রধান পূজা
৪১)পুষ্পাঞ্জলী ৪২ )প্রণাম ৪৩ )আরতি
এবার মন্ত্র :- ১)আচমন :- ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু।
২)বিষ্ণু স্মরণ :- ওঁ তদ্ব বিষ্ণু পরমং পদ সদা পশ্যন্তি সুরয় দ্বিবীব চক্ষুরাততম । ওঁ অপবিত্র পবিত্র বা গত হোপি বা যৎ স্মরেৎ পুণ্ডরীকাক্ষং
স্ব বাহ্য অভ্যান্তর শুচি। সর্ব মঙ্গল্য মঙ্গল্যে বরদাং বরনাং শুভম ।প্রারম্ভে সর্ব কর্মেন বিপ্র পুণ্ডরীকং স্মরেদ্ধরিম ।মাধব মাধব বাচী মাধব মাধব হৃদি স্মরণ্তি সাধব সর্বকার্যেসু মাধবম ।ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু।
৩)স্বত্ত্বি বাচন :- ওঁ কর্তব্যহোস্মিন কালিকা পুরান অন্তর্গত বার্ষিক শরৎ কালীন শ্রী শ্রী ভগব দুর্গা পূজার অন্তর্ভুক্ত বিল্ববৃক্ষাধিকরণে ষষ্ঠীর বোধন পূজা কর্ম্মানি ওঁ পূন্যাহম ভবন্তু ব্রুবন্তু ওঁ পূন্যাহম ভবন্তু ব্রুবন্তু ওঁ পুন্যাহম ভবন্তু ব্রুবন্তু ওঁ পুন্যাহম ওঁ পুন্যাহম ওঁ পুন্যাহম ।
ওঁ কর্তব্যহোস্মিন কালিকাপুরান অন্তর্গত বার্ষিক শরৎকালীন শ্রী শ্রী ভগব দুর্গা পূজার অন্তর্ভুক্ত বিল্ববৃক্ষাধিকরণে ষষ্ঠীর বোধন পূজা কর্ম্মাণি ।
ওঁ স্বত্ত্বি ভবন্তু ব্রুবন্তু ওঁ স্বত্ত্বি ভবন্তু ব্রুবন্তু ওঁ স্বত্ত্বি ভবন্তু ব্রুবন্তু ওঁ স্বত্ত্বি ওঁ স্বত্ত্বি ওঁ স্বত্ত্বি ।
ওঁ কর্তব্যহোস্মিন কালিকাপুরান অন্তর্গত বার্ষিক শরৎকালীন অন্তর্ভুক্ত ষষ্ঠীর বোধন পূজা কর্ম্মাণি
ওঁ ‌ঋদ্ধিং ভবন্তু ব্রুবন্তু ওঁঋদ্ধিং ভবন্তু ব্রুবন্তু ওঁ ঋদ্ধিং ভবন্তু ব্রুবন্তু ।ওঁ ঋদ্ধতাম ওঁ ঋদ্ধতাম ওঁ ঋদ্ধতাম ।
৪)স্বত্ত্বি সূক্ত :-ওঁ সোমং রাজনং বরুবরুণাগ্নিম্বারভামহে আদিত্যং বিষ্ণু সূর্য ব্রহ্মণাঞ্চ বৃহস্পতিম। স্বত্ত্বি ন ইন্দ্র বৃদ্ধ শ্রবা স্বত্ত্বি ন পূষা বিশ্ববেদা। স্বত্ত্বি নর্ত্রক্ষ অরিষ্ঠানমি ।স্বত্ত্বি ন বৃহস্পতির দধাতু। ওঁ স্বত্ত্বি ওঁ স্বত্ত্বি ওঁ স্বত্ত্বি ।
৫)সাক্ষ মন্ত্র :-ওঁ সোমং যমং কালং সন্ধ্যা ভূতানহক্ষপা পবনদিকপতি ভূমিরাকাশং। ব্রাহ্মণ শাসনমাস্ত্রায় কল্পধিহম ।
৬)বরণ :- গৃহে পূজা হলে এটি করতেই হবে)
যযমান :- সাধু ভাবানান্তাম। পুরোহিত :- সাব্ধমাসে যযমান :- অর্চ্চায়স্মি ভবন্তাম ।
পুরোহিত :- অর্চ্চায়াস্ম। যযমান :- এতানি গন্ধ পুষ্প যজ্ঞ উপবীতানি বস্ত্রাঙ্গুরীয় পুজক ব্রাহ্মণায় নম ।পুরোহিত :- ওঁ স্বত্ত্বি। যযমান :- ওঁ বিষ্ণুরোম তৎসদ্য (কর্তা অব্রাহ্মণ হলে বলবে "বিষ্ণুমোহর্দ্দ") অদ্য আশ্বিন মাসে শুক্ল পক্ষে কন্যা রাশিস্থে ভাস্করে পাদ্যাভি গন্ধাভি নৈবেদ্যাভি
সহ শ্রী শ্রী ভগব দুর্গা মহা পূজা কর্মণ মহং বৃণে
ব্রাহ্মণ :- ওঁ বৃহস্পতিম ।যযমান :- পূজন কর্ম যথা জ্ঞান কুরুবাণি। ব্রাহ্মণ ::- যথা জ্ঞান কুরু।
৭ )সংকল্প :- ওঁ বিষ্ণুরোম তৎসৎ অদ্য আশ্বিন মাসে শুক্ল পক্ষে কন্যা রাশিস্থে ভাস্করে ষষ্ঠান্তিতিথৌ
চতুবর্গসিদ্ধি কাম অমুক গোত্র অমুক দেবশর্ম্মণ মৎ সংকল্প কৃত অমুক গোত্র অমুক নাম বার্ষিক শরৎকালীন কালিকা পূরান অন্তর্গত শ্রী শ্রী ভগব দুর্গা মহা পূজা কর্মাঙ্গভূত বিল্ব বৃক্ষাধীকরণে ষষ্ঠীর বোধন পূজা করিষ্যমি (নিজের বাড়িতে হলে করিষ্যে এবং মৎ সংকল্প কৃত বাদ যাবে)
৮)সংকল্প সূক্ত :- (সাম বেদের) দেবব দ্রবিনোদা পূর্ণাং বিবষ্ঠাসিঞ্চম ।উদ্বা সিঞ্চধ্বমূপ বা পৃনধ্বমিদিদ বো দেব ওহতে। তন্মেনম: শিবায় সংকল্পায় মস্তূ অয়ম শুভ আরম্ভ ভবতু।
(যজু বেদ) ওঁ যজাগ্রত দূরা দূরমুদৈতি তদুসুপ্তস দৈবং তথৈবেতি দূরাঙ্গম জ্যোতিষাং জ্যোতিরেকং তন্মে নম শিবায় সংকল্পায় মস্তু অয়ম শুভারম্ভ ভবতু ।
৯)পঞ্চ গব্য শোধন :- সকল দ্রব্যের আলাদা করে মন্ত্র আছে। না হলে কেবল গায়ত্রী পাঠ করে শোধন করতে হয়।
১০)অধিবাস :-( ক) এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ গাং গনেশায় নম:
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ শ্রী বিষ্ণবে নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ শ্রী গুরবে নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ নম শিবায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ হ্রীং দুর্গায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ নারদা দি পার্শ্ব দেবভ্য নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ইন্দ্রাদি দশদিক পালভ্য নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মৎস্যাদি দশাবতারেভ্য নম।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ কল্যাদি দশম মহাবিদ্যাভ্য নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ইষ্ট দেবদেবীভ্য নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ কুল দেবদেবীভ্য নম।
১০)অধিবাস (খ)বরণ ডালা নিয়ে অধিবাস :- (এখানে সমগ্র বরণ ডালার প্রতিটি বস্তু নিয়ে মন্ত্র আছে, মাটি থেকে শুরু সূত্র পর্যন্ত আমি সংক্ষেপে লিখছি) অনেন প্রসস্তি পাত্রে ন ওঁ হ্রীং শ্রী শ্রী বিল্ব বৃক্ষ বাসীনি দুর্গায় নম। (এবার ঐ পাত্র চরণে পাঁচ বার আর মধ্যে তিন বার এবং মুখমন্ডলে তিন বার, কপাল ও চরণে ঠেকিয়ে যদি প্রতিমা থাকে তবে করবেন নচেৎ বরণ ডালা ঠেকিয়ে নেবেন ঘটে সুত্র বাঁধতে হবে না। ষষ্ঠীর বোধনের শেষে দেব দেবীর হাতে সুত্র বাঁধবেন। এবার সুত্র বাঁধার মন্ত্র।(অধিবাসের মধ্যে )সূত্র বন্ধন মন্ত্র :- ওঁ সূত্রাং পৃথিবীং দাম্যনেহেসং সুশর্মান সুপ্রনীতিম ।দৈবাং নাবাং সরিত্রানামনাগম স্রবন্তি মারুহ মা স্বস্তয়ে। অনেন মঙ্গল সূত্রেন ওঁ হ্রীং দুর্গায়ৈ নম ।(এই ভাবে সকল দেব দেবীর হাতে বাঁধতে হবে।দেবী হলে বাঁ হাতে আর দেব হলে ডান হাতে।)
১১) সামান্য অর্ঘ্য :- (ভূমিতে ত্রিকোন মণ্ডল এঁকে নিয়ে তার উপর পূজা)
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ আধার শক্তয়ে নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ কুর্ম্মায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনন্তায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্প ওঁ পৃথীবৈ নম ।
"ওঁ হ্রীং ফট নম ।"কোষায় জল ভরতে হবে। তার পর। কোষার অগ্র ভাগে এই তিনটি মন্ত্রে ফুল দিতে হবে। "ওঁ অং অর্কমণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মানে নম, ওঁ উং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মানে নম, ওঁ মং বহ্ণি মণ্ডলায় দশ কলাত্মানে নম।" এবার অঙ্কুশ মুদ্রায় জলে হাত দিয়ে মন্ত্র পাঠ করতে হবে।" ওঁ গঙ্গেচ যমুনে চৈব গোদাবরী সরস্বতী নর্মদে সিন্ধু কাবেরী জলহোস্মিন সন্নিধিংকরু।"
১২) দ্বার পূজা :- ওঁ দ্বার দেবতা গন ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিরুদ্ধ ইহসন্নিরুদ্ধম অত্রা ধিষ্ঠাং করু মম পূজাং গৃহান ভব ।
সংক্ষেপে :- এষ গন্ধ ওঁ দ্বার দেবগন ভ্য নম।
এতৎ পুষ্পম ওঁ দ্বার দেবগন ভ্য নম। এষো ধূপ দ্বার দেবগন ভ্য নম। এষো দীপ দ্বার দেবগন ভ্য নম। এতৎ নৈবেদ্যম ওঁ দ্বার দেবগন ভ্য নম।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ গাং গনেশায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মহালক্ষ্মীয়ৈ নম ।এতে গন্ধে পূষ্প ওঁ ক্ষাং ক্ষেত্রপালৈ নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ গাং গঙ্গায় নম। এতে গন্ধ পূষ্পে ওঁ যাং যমুনায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অস্ত্রায় নম ।।
১৩)বিঘ্ন অপসারণ :- ওঁ অস্ত্রায় ফট ।( বাঁ পায়ের গোরালি দিয়ে ভুমিতে আঘাত করতে হবে ।)

Thursday, 21 June 2018

বাঙালি হিন্দু কোথায়?

আজকের দিনে পশ্চিম বঙ্গের কেন, গোটা ভারত বর্ষের কোথাও সেই হিন্দু বাঙালি নেই যে গোটা দেশে হিন্দু জাতির নেতৃত্ব দিতে পারে। বাংলার শেষ হিন্দু রাজা যদি লক্ষণ সেন ধরা হয়, বাংলার হিন্দুদের পরাধীনতা সেই শুরু এক বিশেষ ধর্মের কাছে। বলবেন মাঝখানে ইংরেজ বা ব্রিটিশ শাসন ছিল। একটা অদ্ভূত ব্যাপার এই ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম করে ছিল তার নব্বই শতাংশ বাঙালি হিন্দু জাতির লোক ।কারণ মাষ্টার দা সূর্য সেন, রাস বিহারী বসু, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু এদের নাম তো স্বর্নাক্ষরে লেখা আছে। আরো অনেকে আছেন যারা হাসতে হাসতে ফাঁসির দড়ি গলায় পরেছেন। যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের শত সহস্র বীর ইংরেজ দের বিরুদ্ধে লড়াই করে ছিল। সেই হিন্দুরাই একটি বিশেষ ধর্মের কাছে মাথা নত করে দিয়েছে। দেশ স্বাধীন হবার সময়ে দুই বাঙালি বিদ্বেষী স্বঘোষিত নেতা প্রধানমন্ত্রী হবার লোভে (নেহরু আর গান্ধী)

Tuesday, 29 May 2018

কাকের বাসা।

ভালো করে খেয়াল করে দেখুন ছবি টি তে একটি কাকের বাসা দেখা যাচ্ছে। কত গুলো বাচ্চা পাখি আছে। জানি না সে গুলো কাকের না কোকিলের কারণ কাকের বাসায় কোকিল ডিম পাড়ে।পশ্চিমবঙ্গের অবস্থাও এই কাকের বাসার মতো। প্রকৃত বাঙালিরা শহর থেকে পিছিয়ে আসছে গ্রামের বড়ো বড়ো রাস্তার পাশে যেখানে একসময় ভালো ফসল ফলত সেগুলো আজ বসতি। আর একটা বিশেষ ধর্মের মানুষ ছারপোকার মতো বংশ বিস্তার করে ছলেছে ধর্মের দোহাই দিয়ে। বাংলায় আর বাঙালির জায়গা হবে তো। 

Wednesday, 27 December 2017

আজব দেশ।

আমার খুব মনে আছে যোগীন্দ্র নাথ সরকারের লেখা "মজার দেশ"। লেখকের নাম এবং কবিতার লাইন ভুল হলে মার্জনা করবেন। এক যে ছিল মজার দেশ সব রকমে ভালো। রাত্রিতে বেজায় রোদ, দিনে চাঁদের আলো।। ছিল এই লাইন গুলোও ঘুড়ির হাতে বাঁশের লাটাই উড়তে থাকে ছেলে। বঁড়শিতে মানুষ গেঁথে মাছেরা ছিপ ফেলে।
আমাদের দেশ ভারত বর্ষ আজব দেশ। যত ধর্ম তত রকম আইন। যাদের জন্য এই দেশ তাদের জন্য আইন কী কঠোর। সর্ব দিক দিয়ে, তাদের সমাজে এখনও উচ্চ নীচ ভেদা ভেদ খুব কঠোর। এই ভেদা ভেদের ফাঁক দিয়ে অন্য ধর্ম থাবা বসাছে। উচ্চ বর্ণের মানুষ এখনো সচেতন না হলে একদিন নিজ দেশে পরবাসি হয়ে যাবেন। এ কথা সকলে মানবেন কি না জানি না, যে দেশ ভাগ হয়ে ছিল ধর্মের ভিত্তিতে। আর সংবিধান রচনার সময় হয়ে গেল ধর্ম নিরপেক্ষ। সংখ্যা লঘুরা থাকবেন তাদের ধর্ম তারা পালন করবেন, এটাও ঠিক কিন্তু তাদের আলাদা আইন আর সংবিধানের আইন শুধু সংখ্যা গুরুরা মেনে চলবে। স্বাধীনতার ৭০ বছর পরেও চিন্তা ভাবনা হবে না। এক সম্প্রদায়ের মানুষ জন সংখ্যার বিস্ফোরণ ঘটাবেন আর ক্রমশ দেশের চাষ যোগ্য জমি বসত বাড়ীতে পরিবর্তন হয়ে যাবে।এখনি দেশের অর্ধেকের বেশি মানুষ খেতে পায় না। তাহলে কিছু বছর পর এই না খেতে পাওয়া মানুষের সংখ্যা আরও বাড়বে। যারা ধর্ম নিরপেক্ষতা নিয়ে এত ভাবেন আমার তো মনে হয় তারা আসলে ধর্ম নিরপেক্ষ নয়। শুধু মাত্র ভোটের রাজনীতি করেন। সব দলের ভেবে দেখা উচিত ভোটের রাজনীতি ছেড়ে দেশের গরীব মানুষের মঙ্গল। সব দল তো দেশের মানুষের ভালো চায় হয়তো ভাবনা বা মত পথ আলাদা। কোনো দল বা সম্প্রদায়ের লোক কে আঘাত করার জন্য নয়। সব রাজনৈতিক দলের কাছে আমারা আশা করা কি অনুচিত? না হলে তো আলেকজান্ডারের সেই বিখ্যাত উক্তি "সত্য সেলুকাস কী বিচিত্র এই দেশ।"  আমাদের দেশের
ধর্ম যখন রাজনীতির ভিত্তি, কোন কোন দল ধর্ম নিরপেক্ষতা করে করে কোনো না কোনো ধর্ম কে তোলাই দেয় ভোটের জন্য। আবার কেউ সরাসরি ধর্মের কথা বলে। সব দলকে অনুরোধ সকলে দেশের মানুষের ভাবুন।

Friday, 22 December 2017

নারকেল কুঁড়োর মামলা।

ঘটনা এমন যে একটি নারকেল নিয়ে মামলা পর্যন্ত হয়ে গিয়েছিল। কোথায় জায়গাটির নাম এখন আমার ঠিক মনে নেই। পৃথিবীতে কত ধরনের মানুষ থাকেন যারা অপরের সঙ্গে পায়ে পা দিয়ে ঝামেলা করে, আর মারা মারি ঝগড়া করার করার জন্য ওৎ পেতে থাকে। অপরাধ করে অস্বীকার করে, আর কিছুতেই অপরের ভালো দেখতে পারেন না। কিছুতেই নিজের দোষ দেখতে পায় না।
এরকম একজন ছিলেন পার্বতী পিসি, পাড়ার লোকজন তার নাম রেখে ছিল ঝামেলা পিসি। তারি পাশের বাড়িতে থাকত আরেক জন সুবলা পিসি। পাড়ার লোকজন নাম দিয়ে ছিল ঝঞ্ঝা পিসি। সত্যি বলতে কি এই দুজনের গ্রামের লোকজন কে ঝগড়া করে হারিয়ে দিত। কেউ এদের সাথে ঝগড়া করে পারত না। ঝগরুটে এরকম দুই মহিলার একটা ঘটনা ঘটে গেল, সুবলা পিসির একটি নারকেল গাছ ছিল। আর সুবলা পিসির বছর দশেকের একটি ছেলে আর পার্বতী পিসির এক ছেলে ও এক মেয়ে।
এক দিন সকালে পার্বতী পিসি নারকেল কুঁড়ো তিন টি ছেলে মেয়ে কে মুড়ি খেতে দিয়েছে।
সুবলার ছেলে কেও দিয়েছে, আর যায় কোথায় সুবলা ধরেছে তুই নারকোল পেলি কোথায়? পার্বতী যত বলে আমার বাপের বাড়ি থেকে এনেছি। সুবলার গলার জোর তত বাড়ে, তুই মিথ্যে বলছিস। ঝামেলা পিসিও কম আরম্ভ করে দিয়েছে। সুবলা তো তার বাচ্চা কে মুড়ি খেতে দিলে না। কেড়ে নিয়ে টান মেরে ফেলে দিল। ঝামেলা পিসির ছেলে মেয়ে হতবম্ব কি করবে বুঝতে পারছে না। ও দিকে দু মা মিলে তুমুল ঝগড়া করছে। কেউ কাউকে ছাড়বার পাত্র নয়। সুবলার ছেলে ভয়ে পালিয়ে বাবার কাছে ছুটেছে, যেখানে বাবা জমিতে কাজ করছিল। এদিকে তো ঝামেলা আর ঝঞ্ঝা মুগুর যুদ্ধ করছে। করছে পার্বতীর ছেলে মেয়ে দুটো পালিয়েছে।
সকল গ্রামের লোকজন ও ওদের স্বামীরা আসার আগেই সুবলা পিসি একটা অঘটন ঘটিয়ে ফেলল। ঝামেলা পিসির মাথায় মুগুর লেগে গেছে বা মেরে দিয়েছে। রক্ত বেড়তে দেখে পালিয়ে গেছে। পাড়ার লোকজন থানায় খবর পাঠিয়ে ছিল। ইতিমধ্যে থানা থেকে পুলিশ এসে হাজির, ঝামেলা পিসি কে হসপিটাল পাঠানো হলো। আর ঝঞ্ঝা পিসি কে ধরে নিয়ে গেল, তখন ঝঞ্ঝা পিসি কাঁদতে কাঁদতে বলছে আমি ইচ্ছা করে মারিনি লেগে গেছে। পুলিশ ওসব কথা শুনল না, নিয়ে চলে গেল। কিছু দিন পর সুবলা জামিন পেল বাড়িতে এল। পাড়া ঠান্ডা হলো কিন্তু সেই মামলা বা কেস এখনও চলছে।

Sunday, 17 December 2017

শম্ভুর সংকট ।

বন্ধুরা আমি ভেবেছিলাম আপনারা শম্ভুর জীবন কাহিনী পড়বেন, এবং লিঙ্কে কমেন্ট করবেন। কিন্তু না সে কমেন্ট পেলাম না। অবশ্য খুবই অল্প সংখ্যক বন্ধু লাইক করেছেন, সেই সকল বন্ধুকে ধন্যবাদ। আমার লেখা পড়ে হয়তো কার ভালো লাগে নি। আশায় রইলাম আপনারা পড়বেন ও মন্তব্য করবেন কেমন।
শম্ভু এত কিছুর পর কী করে ছিল। বা কী করা উচিত ছিল সে ব্যাপারে শম্ভু যা করেছে সেটা ঠিক কিনা? এসব প্রশ্ন রয়ে গেল।
আগেই বলেছি আমি শম্ভু আমি খুব গরীবের ছেলে। তাই আমার কথা লিখব আমার গৃহীনীর ব্যপারে আমি কী সিদ্ধান্ত নিলাম, সেটাই লিখব বা বলব। দেখুন আমি জানি না আপনারা কী আমি জানি গর্ভের সন্তান আমার নয়, তবু আমি তাকে গর্ভাবস্থায় তাড়িয়ে না দিয়ে এবং গর্ভপাত না করে আমার কাছে রেখে দিলাম। ছেলের জণ্ম হল। এর ঠিক পাঁচ বছর পর যখন বললাম আরেকটি সন্তান হোক, তখন আবার বাহানা শুরু হলো। এ রকম করে আরো দু বছর পর এক জৈষ্ঠ মাসে বাবার বাড়ি থেকে ষষ্ঠ সেরে ফিরে রাজি হলো। আমি হ্যাঁ বললাম যা হোক দু জন নতুন প্রাণের জণ্ম হলো। দুটি সন্তান সহ আমার কাছে রইল বড়ো হলো। লেখা পড়া হলো বড়ো হলো, আমার যে বংশ সেটা থেমে গেল। ওদের কে দত্তক পুত্র বলে মেনে নিয়ে আছি। আমি নপংসুক নই, আমাকে রীতিমত ঠকিয়ে কীভাবে আছি আমি জানি। আমার দুটি সন্তান গর্ভে এসেছিল, কিন্তু দুটি কেই গর্ভপাত করিয়ে এল। একটি তো আমার বিনা অনুমতি তে। আমার কি করণীয় এখনও বুঝে উঠতে পারি নি। আপনাদের মতামতের আশায় রইলাম। আশা করি মতামত দেবেন।