Sunday, 28 May 2017

গ্রামের দুই মহিলা কাণ্ড।

ছবি টি ভালো করে খেয়াল করুন দেখবেন এক মহিলা তার বাড়ির পোষ্যটি খাবার সংগ্রহ করছে, অপর জন তার পোষ্যটি এনে সেই কাটা ঘাস খাওয়াচ্ছে। দ্বিতীয় জনের ব্যবহার কী সত্যিই ভালো লাগলো আপনার? এখানে দ্বিতীয় জন যিনি ছাগলের দড়ি ধরে আছেন।

Wednesday, 24 May 2017

চাষিদের কথা

ওরে ওরা যে যায় লাঙল কাঁধে।
কাস্তে হাতে ওরা যে ধান কাটে।
ওরা যে সারাদিন মল খেটে।
ওরা যে ফসল ফলায়।
তাতে মোদের খাবার জোটে।
ওরা পেটে গামছা বাঁধে।
ওরে ওরা যায় লাঙল কাঁধে।
ওরা ফলায় সোনার ধান।
ফলায় বেগুন আলু পটল,
ওদের ফসল বিকোয় না আজ,
ওদের মাথায় পড়ে বাজ
ওদের কথা সবাই গেল ভুলে।
ওরা ঋণের ফাঁদে জড়িয়ে আজ,
ওরাই দেখো পটল তোলে।
ওদের দুঃখে পশু পাখি কাঁদে।
ওরে ওরা যায় লাঙল কাঁধে।
ওদের মাথায় পড়ে লাঠি।
ওরা আজ ঘর ছেড়ে গেছে চলে,
আজ থেকে ওদের কথা বলে।
যেন ওদের পথে হাঁটি।
ওরা যে পড়েছে ভীষন ফাঁদে।
ওরে ওরা যে যায় লাঙল কাঁধে।

গ্রামের শ্মশান কালী। (আর কত খাবি মা।)

আর কত খাবি মা ও মা শ্মশান কালী?
স র দা খেলি যা গেছে তা বলি।
গোলাপ ভূমি খেলি, কত মানুষ হল বলি।
শিবের ষাঁড়ের শিং এর গুঁতোয় মা।
ম্যাথ আর নারদে ঝগড়া লাগালি।
আর কত খাবি মা ও মা শ্মশান কালী?
কত চপ কার খানা হল মা তোর খোলা।
তবু গেল না মা বেকারত্বের জ্বালা।
বেকার ছেলে ট্রেনে বাসে বাদুর ঝোলা।
ভোট এলে মা বোম বন্দুক হাতে তুলে
ছোটে মা তোর দামাল ছেলে, কিছু বলে না
মা গো তোর টেবিল তলের পুলি।
আর কত খাবি মা ও মা শ্মশান কালী

কত রক্ত খেলে মা গো তুই শান্ত হবি, 

ভোট এলে মা তোর তোর ছেলেরা রনে মা রঙ্গে মাতে 

মা তোর আজব সব কথাতে রক্ত নিয়ে খেলে হলি, 

 বাংলা আজ আর সেই বাংলা তে, তোর চরণে হচ্ছে বলি কত জওয়ান বেকার যুবক বোমা আর গুলি তে। 








পশ্চিম বাংলা আজ রক্তাক্ত।

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আজ এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে বলার নয়। বিরোধী কন্ঠস্বর রোধ করতেই হবে। নইলে চলবে না। গত পুরসভার ভোটে দাপিয়ে বেড়িয়েছে বোমা পিস্তল হাতে দুস্কৃতি পুলিশ কিছু বলেনি। ভোট যা হয়েছে সে তো আমরা সবাই টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে দেখেছি। শুধু পৌরসভা কেন গত বছর বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকেই এই সব দুস্কৃতি দাপিয়ে বেড়িয়েছে পুলিশ কিছু বলেনি কাজ করে নি ঠিক মতো। কিন্তু যারা এগুলো সামান্য পয়সার বিনিময়ে করছে তারা ভাবছে না, যে যারা আমাদের এগুলো করাছে বা করতে বলছে বা বাধ্য করছে তারা ভোটে জিতে বা বড় নেতা হয়ে কোটি কোটি টাকা আয় করছে। কি জানি আমার ঠিক বুদ্ধিতে আসছে না, এরা শিক্ষিত তো? আসছে পঞ্চায়েত নির্বাচনে কী হবে সেটা ভেবেই গায়ে কাঁটা দিচ্ছে। যে ভাবে বীর পুলিশের দল শাসকের ভয়ে ছুটে পালানো, শাসকের ভয়ে টেবিলের তলায় লুকানো পুলিশ গতকাল ২২-০৫-২০১৭ বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের লাঠি পেটা করছে সত্যি বাংলা আজ রক্তাক্ত। ছবি টি গনশক্তি থেকে নেওয়া হয়েছে।

Monday, 22 May 2017

তবুও তো দিচ্ছে (রেশনের আটা)

গ্রামের একটি পরিবার রেশনের আটা নিয়ে এসেছে একটি যে এই আটা এক মাসের মধ্যে ব্যবহার করতে হবে। একটি প্যাকেটে তারিখ আছে ২৮-০৩-১৭ আর অন্যটি তে তারিখ আছে ১১-০৪-১৭ আর দিচ্ছে কবে 19-05-17। পাড়ার পাশের বাড়ির এক জন এনে ছাগলকে খাওয়াচ্ছে। তাহলে কাদের খাদ্য কারা খাচ্ছে। তবুও তো দিচ্ছে তাই না।

Sunday, 21 May 2017

নির্বাচন কমিশন ও জনগণ।

আমি আপনাদের অনুরোধ করছি যারা আমার ব্লগ দেখছেন দয়া করে মন্তব্য করুন। ভালো লাগলে অপরের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ করছি।
আজ ইন্টারনেটের বিভিন্ন সংবাদ পত্রের নেট সংস্করণে পড়লাম যে নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দল গুলোকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে যে ইভিএম মেশিনে রিগিং করে দেখাতে। আমি সাধারণ মানুষ কোন দল করি না কিন্তু আমি জানি ওই রাজনীতি করা দল গুলো আমার জীবনের চলাফেরা থেকে শুরু করে সব জিনিস নিয়ন্ত্রণ করে। দেখা গেল মেশিনে কোন কারচুপি করা গেল না। তাহলে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন দেড় মাস ধরে হল। জনগণ টিভির পর্দায় দেখল কেমন করে সব নেতা মন্ত্রীরা টাকা নিচ্ছে। সারদা রোজভ্যালি কান্ড দেখল। তবুও পশ্চিমবঙ্গের আমার মত বোকা জনগন গিয়ে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করে এল। যদি হ্যাঁ হয় মিটে গেল না তবুও প্রশ্ন থাকে যেখানে ভোটের মেশিনের দুটি পাট ব্যালট ইউনিট ও কন্ট্রোল ইউনিট বা কাউন্টিং ইউনিট। যে কাউন্টিং ইউনিট গুলো 1ম দফায় ভোট এভাবে ভোট হতে হতে এক মাস দশ বারো দিন ধরে ভোট হলো। তার পর গননা। যারা পাহারা দিচ্ছিল তারা তো ভালো নিশ্চয়ই।।।কারণ কাউন্টিং ইউনিট কাগজের স্টিপ সীল করা থাকে ওই একই নাম্বারের স্টিপ ছাপাতে কতখন লাগে। আমার আরেক টি প্রশ্ন আছে যদি ভোট মেশিন ঠিক থাকে তবে যে সব সমবায় বা অন্য কোন সংস্থায় ব্যালটে নির্বাচন হচ্ছে বিরোধীরা কীভাবে জয়ী হচ্ছে।

Saturday, 20 May 2017

আজকের দিনে সাধারণ মানুষের ভূমিকা।

লেখার প্রথমে বলি কেউ যদি আমার ব্লগ দেখেন তবে মন্তব্য করুন। তবে ভালো লাগবে।
যে বিষয়ে এখন লিখতে যাচ্ছি সেটি অত্যন্ত জটিল। আর লিখছি কারণ কিছুক্ষণ আগে কলকাতা 24*7 একটি খবর পড়লাম একজন গৃহবধূ হত্যা ঘটনাটি খুব দুঃখজনক কারণ যার সন্তান বা কাছের লোক এই ভাবে অকালে চলে যায় সেই জানে ব্যথা কী। কিন্তু বর্তমানে আমাদের সমাজ হয়ে গেছে স্বার্থপর কেউ কারো জন্যে ভাবে না। যে যার সে তার নিয়ে ব্যস্ত। কাদের বুদ্ধিজীবি বলা হয়েছে বুঝতে পারছি না। কারণ যে মানুষ গুলো রিজানুরের রাস্তায় নেমে মোমবাতি মিছিল করে ছিল তাদের স্বার্থ রক্ষা হয়ে গেছে। সেই কাকের ছবি আঁকা লোকজনকে এসব ঘটনায় আর ভাবায় না। আর পুলিশ প্রশাসন আজ বলে নয় সেই স্বাধীনতার আগে থেকেই পরিচালিত হত বিট্রিশ দ্বারা আর এখন পরিচালিত হয় দল দ্বারা। সে যে সরকার আসুক যতই বদল হোক এর বদল হয়নি আর হবে বলে মনেও হয় না। আর বাঙালি জাতির মধ্যে এমন একটা মানসিকতা আছে যে অল্প খেটে বা না খেটে পয়সা রোজগার করব। সেই জন্য পণ প্রথা কিছু তেই যাচ্ছে না। প্রথম হয়তো বলছেন কিছু লাগবে না পরে এমন দাবি করেছেন যা অনেকের সাধ্যের বাইরে। এই প্রথার বলি হচ্ছে মেয়েরা। আগের সতীদাহ প্রথার নব রূপ। আর বাঙালিদের মেরুদন্ড ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে স্বাধীনতার সময় বিট্রিশের মিলে আমাদের দেশের কতগুলো অবাঙালী ক্ষমতা লোভী নেতা। সেই যে মেরুদণ্ড ভাঙা হয়েছে তা আর সোজা হয় নি। আর হবে বলে মনে হচ্ছে না। কারণ সেই রত্নগর্ভা বাঙালি মায়ের আজ বড়ো অভাব।