ভূমিকা :- আমি ঠিক গল্প লিখতে পারি না। তবু ও চেষ্টা করছি, এখন যে টি লিখব সেটি, একটি কাল্পনিক গোয়েন্দা গল্প।আমার গল্পের সখের গোয়েন্দা সত্যেন বোস বয়স ৩০ আর তার সহযোগী রজত ঘোষাল সেও সত্যেনের সম বয়সী। এই গল্প টি সম্পূর্ন আমার কল্পনা প্রসূত। কারো কোনো লেখা বা গল্প অনুকরণ বা অনুবাদ করে লেখা নয়। যদি হয় তবে সেটি অনিচ্ছাকৃত। নাম টা শুনে মনে হতে পারে এ বুঝি। ভীম বা হনুমানের সেই গদা যা সোনা দিয়ে তৈরি। আবার অনেকে ভাবতে পারেন
নারায়ণ বা গনেশের বা কুবেরের গদা নয়। একশো গ্রাম খাঁট সোনায় তৈরী করা এবং মাথায় একটি হীরে বসানো ভবতোষ বাবু দের পূর্ব পুরুষ দের গদা। এই গদা যা ঘটে ছিল তাই নিয়ে এই গল্প।
প্রথম ভাগ কুসুম ডিহার বিখ্যাত মজুমদার বাড়ি ঘটনাটি এখন লিখছি ঘটে ছিল ২৫ /৩০ আগে তখন,
ভবতোষ মজুমদারের বয়স আনুমানিক ৫০-৫৫ বছর। পুর্ব পুরুষ জমিদারি ছিলো। বর্তমানে জমিদারি নেই কিন্তু আভিজাত্য বজায় আছে। লোকে সমীহ করে চলে। মুখের উপর কিছু বলে না, কিন্তু সেদিন দিনটা ছিল মাঘ মাসের মাঝামাঝি ভোরের বেলা বেশ ঠান্ডা। ঘন কুয়াশা ঢাকা। আশে পাশে কিছু দেখা যায় না। ভবতোষ বাবু মোটা শীতের পোশাক পরে বাইরে বেড়িয়ে ছেন। মর্নিং ওয়াক করার জন্য, প্রতি দিন তিনি যান এ দিনও হাঁটতে হাঁটতে একটু এগিয়েছেন, এমন সময় একজন চাদর গায়ে মাংকি টুপি পরে পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে।। আর বলছেন "গদা টা ঠিক ঠাক আছে।" বলেই হন হন করে হেঁটে চলে গেল। গলার স্বর শুনে ভবতোষ বাবু বুঝতে পারলেন না, আসলে কে। এভাবে আরও কিছুটা এগিয়ে গিয়েছন, আর একজন একই কথা বলে চলে গেলেন। ভবতোষ বাবু দ্রুত পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরে এলেন। আর ভাবতে লাগলেন, প্রায় এক শ দেড় শ বছর আগের একটা জিনিসের কথা ওরা জানল কি ভাবে। তিনি সাত পাঁচ ভাবছেন। এমন সময় ছোট্ট বৌমা এসে, চা বিস্কুট দিয়ে গেল। এখানে জানিয়ে রাখি ভবতোষ বাবুর তিন ছেলে মহিতোষ, পরিতোষ, আর মনোতোষ ।বড় ছেলে হোমিওপ্যাথি ডাক্তার। মেজ বাইরে থাকে একটি বেসরকারি কোম্পানির ম্যানেজারের চাকরি করে। আর ছোট ছেলে, লেখা পড়া করেও চাকরি না করে যে টুকু জমি জায়গা আছে তাতে চাষ বাস করে। বড় ছেলের পসার ভালো সারা দিন অনেক রুগি আসে। অনেক রুগিকে বিনাপয়সায় ঔষুধ দ্যান। সেই জন্যও অনেকে আসে। তবে ইনকাম ভালোই হয়। মেজ ছেলে মাসে দু এক বার আসে, বাবা মা কে দেখতে। ও হ্যাঁ ভবতোষ বাবুর স্ত্রী গিরি বালা আছেন। আর দু নাতি ও এক নাতনি আছে। তিনি চা খাচ্ছেন আর ভাবছেন, লোক দু টি কী করে জানল? এমন সময় গিরি বালা দেবী এলেন, "ভজু কে কিছু পয়সা দাও একটু ভালো মাছ আনুক আর একটু আনাজ।" কেন ছোট খোকা আনাজ তোলেনি? - হ্যাঁ তুলেছে ঐ তো খালি বেগুন, ঐ দিয়ে কি জামাই কে ভাত দেওয়া যায়। "জামাই মানে,।" - সেকি আজ বড় মেয়ে আসবে। "-আমি তো একেবারে ভুলে গেছি।" - ছোট খোকা কে বল জেলে ডেকে সদর পুকুরে মাছ ধরতে। আমি ভজুকে পাঠাচ্ছি।" এই ভজু ওরফে ভজন বাড়িতে থাকে ফাই ফরমাস খাটে। আর বড় মেয়ে মানে ভবতোষ বাবুর বড় দাদা আশুতোষ বাবুর বড় মেয়ে। আশুতোষ বাবু বছর দুয়েক আগে মারা গেছেন, কিন্তু এক ছেলে ও এক মেয়ের বিয়ে হয়েছে। ভালো বাড়িতে জামাই ভালো সরকারি চাকরি করেন। ছেলে এই পুরানো বাড়িতে আছে। বাড়িটি কম বড়ো না পুরনো জমিদার বাড়ি। সব ভাই মিলে কিছু কিছু অংশ নতুন ভাবে সরিয়ে নিয়েছে। কিছু দিন আগে ঠাকুর ঘর সারানো হয়েছে। এখন প্রায় সকাল সাড়ে সাতটা বাজে। কথা গুলো আরও কয়েক দিন একই ভাবে বলেছে, তিনি গুরুত্ব দেননি, কিন্তু ভবতোষ বাবু আজ সকালের কথা গুলো ভুলতে পারছেন না। কি করে তারা জানল? এমন সময় কেশব এল, কেশব দাশগুপ্ত ভবতোষ বাবুর ছোট বেলার বন্ধু। আসলে কেশব দাদা মশায় ছিলেন এই জমিদার বাড়ির নায়েব। সেই থেকে এই দুজনের বন্ধুত্ব, ভবতোষ বাবু ভাবছেন, কেশব গদার কথা জানে না তো।
ভবতোষ - কেশব আমাদের ছোট বেলার কথা তোর মনে আছে। - কী কথা? - আমারা কি কি করতাম? - না বিশেষ কিছু মনে নেই তবে পূজোর সময় হলে যা যা হতো তার কিছু কিছু মনে আছে। এখানে কুমর এসে ঠাকুর তৈরী করত আমারা খেলতাম আর মাঝে মাঝে মন দিয়ে দেখতাম। এখানো অবশ্য কুমর এসে ঠাকুর তৈরি করে কিন্তু বাচ্ছা দের সেই টান আর নেই।
- ঠাকুরের সাজ গোজ সম্পর্কে কিছু মনে নেই।
সেরকম মনে নেই, তবে অনেক রকমের গয়না ছিল। এখন আর সেব নেই তাই না। সোনার তৈরি অনেক ধরনের জিনিস দেখছি।
কী কী দু একটার নাম বল দেখি। - সাত নরি হার, টিকলি দুল এরকম আরো অনেক কিছুর সাথে একটা গদার মত কিছু ছিল যার উপর আলো পড়লে আলো ঠিকরে পড়ত।
ভবতোষ অবাক শুনছিল ওর মুখে গদার মত কিছু একটা কথা শুনে চমকে উঠলেন।
কেশব বাবু সব দেখে শুনে বললেন "কী হলো বলতো তোর হঠাৎ এসব জিজ্ঞাসা করছিস!"
" না সে রকম কিছু না, সকালে না থাক ওসব বলা ভালো নয়।" কী বলা ভালো নয়। কী বলা ভালো নয়, দেখ ভাই সব কথা খুলে বল, মন হাল্কা হবে। তুই আমার ছোট বেলার বন্ধু, আমায় ভালো মত চিনিস। আমার পেট থেকে কথা বেরোবে না। " - সে আমি ভাল মত জানি। - তাহলে আমায় বলতে আপত্তি কোথায়? এমন সময় ভজহরি ওরফে ভজু দৌড়ে দৌড়ে এল, বাবু বাবু সদরে সদরে - বল না সদরে কী হয়েছে? বলছি বলছি সদর পুকুরে। - বড় মাছ পড়েছে। - ওটাই তো কেউ বুঝতে পারছি না। জেলে জাল টেনে তুলতে পারছে না। - - কেন রে? ওটাই তো বলতে ছি। - আবার ঐ তোর ভাষা বলিছিস। - না কর্তা বাবু আর বলবনি। - গাদা আবার। কেবশ বাবু থাকতে না পেরে বললেন, ওহে ভজহরি ঠিক করে বলো দেখি কী হয়েছে? ভজহরি - ছোড় দাববু জেলে ডেকে এনে জাল ফেলে ছিল। পেরথম বার জেলে জাল ফেলেল সদরের পূব পারে মাটের দিকে। কিন্তু জাল আর টেনে তুলতে পারছে না। - কেন পারছে না? - ওটাই তো বুঝতে পারছে না। ছোড়দা বাবু, আপনাকে ডাকছে?
ইতিমধ্যে খবর ছড়িয়ে পড়েছে, জমিদার দের পুকুরে জালে কী পড়েছে টেনে তুলতে পারছে না। পুকুর পাড় লোকেলোকারন্য, ভবতোষ বাবু পৌঁছলেন ।গিয়ে দেখলেন ইতিমধ্যে কে বা কারা পুলিশ কে খবর দিয়েছে তারাও এসে হাজির। জেলে তো ভেবে অস্থির কী করবে? সে জলে নেমে ডুব দিয়েও কোনো তল পায় নি। গভীর পুকুর, জেলে বেচারা শীতে কাঁপছে, ভবতোষ বাবু, পুলিশ কে বলে আগে তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দিলেন। তার জাল পড়ে রইল সে বাড়ি গেল। বার বার বলল বাবু আমি গরীব মানুষ আমার ঐ "একটাই জাল ওটা যেন আমি পাই।" ভবতোষ বাবু পুলিশের সামনে বলেন, "পুনীল, তুমি আজ থেকে আমাদের পুকুরে জাল দিচ্ছ না। তুমি নিশ্চিন্তে বাড়ি জালের কিছু হলে আমি ক্ষতি পূরণ দেব।" পুলীন, বাবুকে নমস্কার জানিয়ে, বাড়ির দিকে চলে গেল। ভবতোষ বাবু পুলিশ কে বললেন, কিছু যদি না মনে করেন তবে একটা কথা বলি। - - না না আমি কিছু মনে করব না। আমার নাম সুরেশ আমি এখানে নতুন এসেছি, আমি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম, হঠাৎ দেখি এখানে এতো লোকজন জমায়েত হয়েছে, সেই জন্য এলাম। - ও আমি ভাবলাম আপনাকে কেউ খবর দিয়েছে। ছোট তুই বাড়ি যা মনে হচ্ছে তোর দিদি স্টেশনে এসে গেছে নিয়ে আসতে হবে। - হ্যাঁ বাবা মশায় আমি যাচ্ছি। ভবতোষ বাবু জমায়েত হওয়া লোকজন কে বললেন, তোমারা সব যাও এখানে কিছু হবে না। যে যার কাজে যাও। লোকজনের মধ্যে গুঞ্জন উঠল, বিভিন্ন ধরনের কথা, কেউ কেউ বলছে আরে এদের অনেক কীর্তি আছে। কিছু বেড়িয়ে পরবে। পূর্ব পুরুষ জমিদার ছিল অনেক মানুষ কে ঠকিয়েছে, সেসব কিছু পুকুরে ডুবিয়ে ছিল। এখন উঠছে, দেখ ওসব বলিস না। এখনও যা আছে সেটা জলের তলায়। সুরেশ বাবু বলেন "আপনারা আসুন যা উঠবে জানতে, ওটা আমাদের তোলার ব্যবস্থা করতে দিন।" সমবেত লোকজনের মধ্যে থেকে ভেসে এলো, "ঠিক বলেছেন যা উঠবে আমরা জানতে পারব।" সুরেশ বাবু, "হ্যাঁ জানতে পারবেন। দেখুন আপনাকে একটা কথা বলিছি।" - "আমি ভবতোষ মজুমদার, এ আমার ছোট বেলার বন্ধু কেশব দাশগুপ্ত।" সুরেশ -" দেখুন ভবতোষ বাবু আমি একটা ব্যবস্থা করতে পারি যদি আপনি অনুমতি দেন। আর কিছু টাকা যদি খরচ করেন তবে। " কেশব বাবু" বললেন কী ব্যবস্থা? - - "কাছাকাছি শহর থেকে ডুবুরি আনিয়ে নামাতে পারি। কিন্তু কিছু টাকা খরচ করতে হবে। বিনা মজুরিতে সে কিছু করবে না।" ভবতোষ - সে করা যাবে আপনি ব্যবস্থা করুন। এসব কথা হওয়ার পর সুরেশ বাবু সেখান থেকে জিপ নিয়ে বেরিয়ে গেলেন। লোকজন অনেক টা কমে এসেছে। ভবতোষ বাবু কেশব বাবু কে বললেন, কেশব কী করা যাবে এতো ছেড়ে চলে যাওয়া যাবে না। " কেশব -" ঠিক কথা পুলিশ তো বলল ডুবরি নিয়ে আসবে। " ভবতোষ -" আবার আসবে তো! "কেশব - না না কথা শুনে মনে হল ভালো লোক, ও আবার আসবে।" জড়ো লোকজনের মধ্যে থেকে একজন বলল, " এ বড়ো বাবু ঠিক আসবে কথা যখন দিয়েছে তখন নিশ্চয়ই লোক নিয়ে আসবে।" এ সব কথা যখন হচ্ছে তখন জেলে এল, সংগে আরও দু - চার লোক আছে। জেলে বলল, " বাবু আপনি যদি বলেন তবে এরা একটু চেষ্টা করে, আমার জাল টাও উদ্ধার হয়।" - -" তুই দেখেছিস এখানে পুলিশ ছিল যদি অন্য কিছু হয়। সুরেশ বাবু আবার ডুবরি নিয়ে আসবে বলে গেছেন। "আমরা একটু চেষ্টা করি। "কেশব -" এই শীতে তোমাদের কষ্ট হবে।" এগারোটা বাজল তো একটু দেখি।" ওরা তৈরি হয়ে এসেছে, কথা বলতে বলতে নাছোড় বান্দা জেলেরা জলে নেমে পরেছে। একজন পাড়ে দাঁড়িয়ে বাকী রা জলে। শীতের কনকনে জলে ডুব দিচ্ছে। একজন ডুব দিয়ে অনেক খন পর জাল ধরে হাঁপাতে হাঁপাতে পাড়ের কাছে এসে বলল - " বাবু বড়ো একটা বাক্স মতো রয়েছে। মাছ গুলো ছটফট করছে আর বাক্স সমেত জড়িয়ে পরছে।" এসব যখন চলছিল সেই সময় সুরেশ বাবু জিপ নিয়ে হাজির। সঙ্গে দুজন লোক ওরা মনে হয় ডুবুরি। একজন তো পোশাক পরে তৈরি চট করে জলে নেমে পরল। আরেক জন তার কোমরে বাঁধা রশি ধরে আছে। জল থেকে উঠে এসে ডুবুরি বলল - নীচে সিন্দুক মত আছে। সুরেশ বাবু -" ওটা তোলার ব্যবস্থা করে ফেলুন।" পুনীল " বাবু আমার জাল রক্ষা করে করুন, গরীব মানুষ বাবু আমার জাল কেনার টাকা নেই।" ডুবুরি দের সব ব্যবস্থা ছিলো, গ্যাস সিলিন্ডার মুখোশ জামা সব, যে জলে নেমে ছিল। সেই আবার একটা হুক বাঁধা মোটা রশি নিয়ে জলের নিচে গেল, মানে ডুব দিল।
This is a news blog. Here I write story, social incidents, political incidents, & my life history etc.
Wednesday, 29 August 2018
সোনার গদা (শ্যামল বন্দ্যোপাধ্যায়) ১ম অংশ
Monday, 27 August 2018
আমরা ও নির্বাচন।
সম্প্রতি একটি রায় হয়েছে যে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত আইনের ই- মনোনয়ন লেখা নেই তাই যে খানে ই- মনোনয়ন জমা হয়েছে, সে গুলো অবৈধ, এবং যারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় জয় লাভ করেছেন সেটি বৈধ। কোর্টের রায় একেবারে সঠিক কোন সন্দেহ নেই। একদম সঠিক তবে আমি তো আইন পরিনি তাই ও নিয়ে বলে লাভ নেই। যারা পড়েছেন তারা ভালো বলতে পারবেন। আইন টায় কী আছে না আছে কোর্ট ভালোই রায় দিয়েছেন। আর একটা ভোটের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। আমি জানি না ঐ আইনে এটা আছে কীনা যে বোমা গুলি করে মানুষ মেরে ভোট হলেও সেটা বৈধ। আবার কোর্টের রায়ের পর বোর্ড গঠন কে কেন্দ্র করে যে বোমা গুলি চলছে টিভি তে যা দেখছি, সেটিও ঐ আইনে বৈধ। আবার ভোটের আগের দিন বল ভেবে বোম নিয়ে খেলতে গিয়ে বাচ্ছা মেয়ের হাত বাধ যাওয়া, এবং ভোট নিতে গিয়ে ভোট কর্মী কোচবিহারের সঞ্জয় বাবুর মৃত্যু সেটাও ঐ আইনে বৈধ। তাহলে সরকারি কর্মীরা সাবধান সামনে লোকসভা নির্বাচনে কাজ করতে যাবার আগে কারণ কেন্দ্রীয় নির্বাচন আইন কী আছে অনেক জানে না। আপনি মারা গেলে আপনার বাড়িতে কান্নার রোল উঠবে। তাতে নেতা মন্ত্রী দের কিছু যায় আসে না। তারা হাততালি দেবে। বিচার পাবে না। বিচিত্র দেশের আইন কানুন সর্বনেশে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার দরকার নেই। নেতা মন্ত্রী দের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। কারণ তারা জানে ভোটে জিতে নেতা মন্ত্রী হতে পারলে আঙুল ফুলে কলাগাছ। তাহলে বামফ্রন্ট সরকার ভুল আইন করেছে, এরকম মানুষ মারা আইন। এই জন্য মানুষ তাদের ভোট দেয় নি। আর বাঙালি মরলে বাঙালি কষ্ট পেলে দিল্লি সরকারের আনন্দ হয়। সেই স্বাধীনতা সময় থেকে, দেশ ভাগ করে স্বাধীনতা নিয়ে গদীতে বসতে গিয়ে বাংলা কে ভাগ করা হল। বাঙালির সেই দুঃখের শুরু, শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায় না থাকলে আজকের এই পশ্চিমবঙ্গ থাকতো না। কারণ তখন ওপার বাংলা থেকে আসা মানুষদের কোনো রকম সহযোগিতা করে নি, দিল্লির নেতারা। উল্টে একজন নোয়াখালী গিয়ে ছিলেন যাতে ওপার থেকে আর হিন্দুরা এপারে না আসে তার আবেদন নিয়ে।হিন্দু দের কচু কাটা করছে তাতে কী? বাঙালি হিন্দু রা মরছে, কেন এসব লিখছি কারণ বর্তমান দিল্লির সরকার যদি বাঙালির মৃত্যু দেখে আনন্দ না পেতেন তবে এত দিন পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়ে যেতো। এখন কার নেতা মন্ত্রী কী কেন্দ্রীয় কী রাজ্যের তারা নন্দদুলালের বংশ ধর। কে এই নন্দদুলাল ব্যানার্জি যিনি ব্রিটিশদের পা চাটা পুলিশ অফিসার বাংলার অগ্নি শিশু বীর ক্ষুদিরাম আর প্রফুল্ল চাকি কে ধরে ছিলেন। ব্রিটিশ আমলে এরকম অনেক তাঁবেদার পা চাটার দল ছিল। যারা পয়সা আর ক্ষমতার লোভে বাঙালি হয়েও, বাঙালি মরলে সে যে ভাবে হোক না খেতে পেয়ে বা চাবকে কারণ তখনকার বেশি ভাগ বাঙালি জমিদার নানা রকম অত্যাচার করে খাজনা আদায় করে ব্রিটিশদের দিত এবং অত্যাচার করে আনন্দ পেত। আর এখন কার নেতারাও ক্ষমতা আর টাকার লোভে গরীব খেটে খাওয়া মানুষ গুলো কে বোমা গুলি পিস্তল দিয়ে ভাই এর রক্তে হোলি খেলতে পাঠিয়ে দিচ্ছে। নিজেরা নিরাপত্তার ঘেরা টোপে থেকে বেঁচে থাকবে। আর ২৮০ টাকা কি করে ২৮০ কোটি হবে তার চিন্তায় মসগুল। দেখ ভাই এসবের দরকার কী সামনে লোকসভা নির্বাচন মানুষ গুলো ভোট দিতে আসবে পুলিশ সাজা নিরাপত্তা রক্ষী দিয়ে গুলি করে মেরে। ছারপোকার মতো বেড়ে ওঠা বাঙালি জাতি কিছু টা কমবে। না হলে আর বাঙালি কিসের? জানি না সামনের লোকসভা নির্বাচনের জন্য নেতা দের মনে কী আছে? কত জন বাঙালি মরবে? আর যদি প্রাণে মায়া দয়া মন বিবেক মনুষ্যত্ব থাকে তবে নির্বাচন হোক ভয় হীন। রক্ত হীন, জানি না আমার কথা ঠিক জায়গায় পৌঁছবে কীনা। তাহলে বলছি আজকের দিনে সব কিছু অন লাইন তাহলে ভোট হোক অন লাইনে। তাহলে অনেক অনেক খরচ বাঁচে। কাউকে ভোটের ডিউটি করতে গিয়ে মরতে হয় না। আর বাঁচা টাকা নেতা মন্ত্রীরা বেতন হিসেবে বাড়িয়ে পকেটে ভরতে পারবেন। প্রস্তাব টা ভেবে দেখবেন কেমন। কোর্টের কথা বলা যাবে না তারা মানে বিচারকরা দেবতা আইন গুলে খেয়ে ঐ জায়গায় রয়েছেন। সেই জন্য তো পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীদের ডিএ মামলার রায় আর হল না, 2016 র জানুয়ারি থেকে ত্রিশ শতাংশ হারে I. R. ঘোষণা হলো। কী একটা নতুন সংগঠন শিক্ষক দের PRT স্কেলের দাবিতে মামলা করেছে দেখা যাবে 2019 সাল পর্যন্ত মামলা চলবে আর এই সরকার একটা জগা খিচুড়ি পে কমিশন ঘোষণা করবে। ওনারা পাবেন 2016 জানুয়ারি থেকে আর বাকী রা 2019 এর জানুয়ারি থেকে। আর আদালত রায় দিল কী না দিল কিছু যায় আসে না। আদালতে রায় খুব কম হয়, শুধু দামিনী সিনেমা হয়। আগামী দিন খুব ভয়ঙ্কর বাঙালি জাতি নিজে রা মারা মারি কাটা কাটি করে মরবে কোথাও বিচার পাবেন না। বাঙালি বিদ্বেষী মানুষ সেই সুদূর অতীতেও ভারতবর্ষে ছিল, না হলে সুভাষ চন্দ্র বসু দেশে ঢুকতে দিল না। ইংরেজ দের সরযন্ত্র করে যুদ্ধ অপরাধী ঘোষণা করে দিয়ে ছিল।এখন যা তথ্য বেড়িয়ে আসছে আরও অনেক কিছুই আছে যা এই সরকার ও প্রকাশ করবেন না। তাহলে গান্ধী গন্ধী হয়ে যাবে। সেই জন্য বলছি দয়া করে নিজেদের ধ্বংস নিজেরা ডেকে আনবন না।কেউ দেখার থাকবে না। একটা কথা খুব ভয়ে ভয়ে এসব লিখছি। কখন কী হয় এই ভেবে? কিছু না হোক ভীতু বাঙালি তো।
Sunday, 26 August 2018
(৩য় অংশ) দুর্গা পূজার ষষ্ঠীর পূজার মন্ত্র
১৫) আসন শুদ্ধি :- ওঁ হ্রীং আঁধার শক্তয়ে কমলাসনায় নম। (আসনের নীচে ত্রিকোন মণ্ডল এঁকে আসন ধরে) ওঁ অস্য আসন উপবেসন মন্ত্রস্য মেরুপৃষ্ঠ রীষি (ইচ্ছা কৃত ত্রুটি নয় কী প্যাডে না থাকার জন্যে এই ত্রুটি) সুতলুং ছন্দ কুর্ম্ম দেবতা আসন উপবেসনে বিনিয়োগ।ওঁ পৃথ্বী ত্বয়া লোকা দেবী, ত্বং বিষ্ণু না ধৃতা তঞ্চ ধারায় মাং নিত্যং পবিত্রং কুরুচাসনম ।
বামে : গুরভ্য নম। পরম গুরভ্য নম। পরপর গুরভ্য নম। পরমেষ্ঠী গুরভ্যে নম । দক্ষিণে : ওঁ গাং গনেশায় নম । ঊর্ধ্বে : ওঁ ব্রাহ্মণে নম । পশ্চাতে : ওঁ ক্ষেত্রপালভ্য নম । মধ্যে : ওঁ শ্রী শ্রী ভগবতী দুর্গা দেবৈ নম ।১৬ )পুষ্প শুদ্ধি :- ওঁ পুষ্পকেতু রাজাহর্তে শতেয় সম্যকায় হুঁ। পুষ্পে পুষ্পে সু পুষ্পে মহা পুষ্পে পুষ্প চয়নকীর্বে চ হুং ফট স্বাহা ।
১৭) প্রানায়াম :- ওঁ হ্রীং মন্ত্রে।
১৮ ))করশুদ্ধি :- ওঁ হেঁসৌ বলে একটি লাল ফুল ডান হাতের কর তলে ঘসে ঈশান কোনে ছুঁড়ে দিতে হবে।
১৯ ) সংক্ষেপে ভূত শুদ্ধি :- রং (বলে জলের ছিটা দিয়ে অগ্নি মধ্যে আছি, কল্পনা করে নিয়ে। নিচের চার টি মন্ত্র বলতে হবে।)
১)ওঁ মুল শৃঙ্গাটচ্ছির সূষমান্ন পথেন জীবং শিবং পরম শিব পদে যোযয়ামি স্বাহা।
২)ওঁ যং লিঙ্গ শরীরং শোষয় শোষয় স্বাহা ।
৩)ওঁ সংকোচং শরীরং দহ দহ স্বাহা ।
৪)ওঁ সূষমান্ন পথেন পরম শিব পদে মূল সোল্লাস জ্বল জ্বল প্রজ্বল প্রজ্বল সোহংস স্বাহা ।
২০ )মাতৃকান্যাস :- ওঁ অস্য মাতৃকা মন্ত্রস্য ব্রহ্ম ঋষি গায়ত্রী ছন্দ মাতৃকা সরস্বতী হল বীজানি। মাতৃকান্যাসে বিনিয়োগ।
শিরসি - ওঁ ব্রাহ্মণে ঋষয়ে নম ।মুখে - ওঁ গায়ত্রী ছন্দসে নম । হৃদি - ওঁ মাতৃকা সরস্বতৈ নম ।পাদয় - ওঁ স্বরেভ্য শক্তেভ্য নম ।গুহ্যে - ওঁ হলেভ্য বীজেভ্য নম ।সর্বাঙ্গে - ওঁ অব্যক্ত কীলিকায় নম।।
(এখানে একবার করন্যাস ও অঙ্গন্যাস হয় যেটি তালিকায় নেই।কেউ যদি করেন তবে করতে পারেন) করন্যাস :- ওঁ আং কং খং গং ঘং ঙং অং অঙ্গুষ্ঠাভ্যাং নম ।ওঁ ইং চং ছং জং ঝং ঞং ঈং তর্জনীভ্যাং স্বাহা ।ওঁ উং টং ঠং ডং ঢং ণং ঊং মধ্যমাভ্যাং বষট ।ওঁ এং তং থং দং ধং নং ঐং অনামিকাভ্যাং হুং। ওঁ ওং পং ফং বং ভং মং ঔং কনিষ্ঠভ্যাং বৌষট ।ওঁ অং যং রং লং ষং শং সং হং ক্ষং অ: করতলপৃষ্ঠাভ্যাম অস্ত্রায় ফট ।
২১)অঙ্গ ন্যাস :- ওঁ আং কং খং গং ঘং ঙং অং হৃদয়ায় নম । ওঁ ইং চং ছং জং ঝং ঞং ঈং শিরসে স্বাহা । ওঁ উং টং ঠং ডং ঢং ণং ঊং শিখায় বষট । ওঁ এং তং থং দং ধং নং ঐং কবচায় হুং। ওঁ ওং পং ফং বং ভং মং ঔং নেত্রায় বৌষট । ওঁ অং যং রং লং ষং শং সং হং ক্ষং অ: করতলপৃষ্ঠাভ্যাম অস্ত্রায় ফট ।
(এ দুটি বাদ দিয়ে এরপর অন্তর মাতৃকান্যাস করতে পারেন কারণ পরে আবার এ দুটি অন্য ভাবে আছে)
২২ )অন্তর মাতৃকান্যাস :- ওঁ আঁধারে লিঙ্গ নাভৌ হৃদয়ে সরসিজে তালুমূলে ললাটে দৈপত্রে ষোড় শারে চতুস্কে দ্বিদশদশদলে দ্বাশর্দ্ধে বাসান্তে বালমধ্যে ড-ফ ক-ঠ সহিতে কণ্ঠদেশে স্মরণ্যাং ।হং ক্ষং তথার্থ যুক্ত সকল দল গত বর্ণরূপং নমামি। ওঁ অং আং ইং ঈং উং ঊং এং ঐং ওং ঔং অং অ: ইতি কণ্ঠে। ওঁ কং খং গং ঘং ঙং চং ছং ইতি হৃদয়। ওঁ জং ঝং ঞং টং ঠং ডং ঢং ইতি নাভৌ । ওঁ ণং তং থং দং ধং নং পং ফং ইতি লিঙ্গ মূলে। ওঁ বং ভং মং যং রং লং ইতি মূলধারে। ওঁ বং ষং শং সং হং ক্ষং ইতি ভ্রূমধ্য।
২৩) বাহ্যমাতৃকান্যাস :- ওঁ পঞ্চাশলি পিভির্বি ভক্ত মক্ষদা পন্ন মধ্যে বক্ষ স্হলম ভাস্ব মৌলি চন্দ্র শ কলা মাপীন তূঙ্গ স্তীনম। মুদ্রা মোক্ষ গুনং বিদ্যাঞ্চ হস্তা অম্বুজ বিবর্ণ ভ্যাঙ্গ বিশদ প্রভাং ত্রিনয়নাং বাগ দেবতামাশ্রয়ে। অং নম: (ললাটে) আং নম: (মুখ বৃত্তে) ইং ঈং নম: (চক্ষু) উং ঊং নম: (কর্ণ) ঋং ঋং নম : (নাসিকা)লীং লীং নম : (গণ্ড) এং নম :( ওষ্ঠ) ঐং নম: ( অধর) ওং নম : ( ঊর্দ্ধ দন্তে পংক্তৌ) ঔং নম ( অধ : দন্ত পংক্তৌ) অং নম ( মস্তকে) অ: নম : ( মুখে) কং নম: ( দক্ষিণ বাহু মূলে) খং নম : ( কর্পূরে) গং নম : ( মনি বন্ধে) ঘং নম : ( অঙ্গুলি মূলে) ঙং নম : ( অঙ্গুলি অগ্রে) চং নম : (বাম বাহু মূলে) ছং নম : ( কর্পূরে) জং নম : ( মনি বন্ধে) ঝং নম: ( অঙ্গুলি মূলে) ঞং নম : ( অঙ্গুলি অগ্রে) টং নম : ( দক্ষিণ পদ উরু মূলে)
ঠং নম : ( জানুনি) ডং নম : ( গুল্ ফে) ঢং নম :( অঙ্গুলি মূলে) ণং নম: ( অঙ্গুলি অগ্রে) তং নম : ( বাম পদ মূলে) থং নম : ( জানুনি) দং নম : ( গুল্ ফে) ধং নম : ( অঙ্গুলি মূলে) নং নম : ( অঙ্গুলি অগ্রে) পং নম : ( দক্ষিণ পার্শ্বে) ফং নম ( বাম পার্শ্বে) বং নম : ( পৃষ্ঠে) ভং নম : (নাভৌ) মং নম : ( উদরে) যং নম : ( হৃদি)
রং নম : ( দক্ষিণ কস্কন্ধে) লং নম : ( কুকুদি) বং নম : ( বামস্কন্ধে) ষং নম : ( হৃদায়াদি দক্ষিণ হস্তে) শং নম : (হৃদয়াদি বাম হস্তে) সং নম : ( হৃদয়াদি দক্ষিণ পদ ) হং নম : ( হৃদয়াদি বাম পদ) লং নম ( হৃদয় দুয়ারে) ক্ষং নম ( হৃদয় মুখে)
( এরপর সংহার মাতৃকা ন্যাস পরে লেখা হলো)
Saturday, 25 August 2018
(২য় অংশ) ষষ্ঠীপূজার মন্ত্র ।(দুর্গা পূজোর পদ্ধতি)
১৪) মাস ভক্ত বলি :- (কলাপাতা /কাঁঠাল পাতা /মাটির নতুন মাটির খুড়ি তে মাসকলাই দই বা অভাবে গঙ্গা জল অথবা দুধ নিয়ে। মাস ভক্ত বলি দিতে হয়।)মন্ত্র :- বং এতেস্মৈ মাসভক্ত বলয়ে নম ।(তিন বার) এতধিপতয়ে দেবায় শ্রী বিষ্ণবে নম ।এতৎ সম্প্রদানায় ওঁ ভূত্যাদিভ্যোব নম ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ ভূতাদিভ্যোব ।(হাত জোর করে) ওঁ ভূত প্রেত পিশ্চাস যে বসন্ত্র ভুতলে তে গৃহন্তু্ ময়া দত্ত বলিরেষ প্রসাদিতা পূজিতাা গন্ধ পুষ্প দৈবির্লিতর্পিতুস্তা। পূজাং পশ্যন্তু মৎ কৃতাম ।(সাদা সরিষা ছড়াতে ছড়াতে) ওঁঁ অসর্পন্তু তেভূতাা যে ভূতা বিঘ্ন করতারস্তেে নশ্যন্তু শিব আজ্ঞায় ।বেতালশ্চ পিশ্চাস রাক্ষশ্চাশ সরীসৃপ ।অপসর্পন্তুতে চণ্ডিকাস্ত্রেন
তাড়িতা ।(এর পর আসনশুদ্ধি থেকে ষষ্ঠীপূজার বাকিটা অন্য পাতায়)
Wednesday, 22 August 2018
(১ম অংশ) বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গা পুজো পদ্ধতি মন্ত্র সহ।
দিয়ে পূজা শুরু হয়। ষষ্ঠী পূজোর করনীয় ক্রীয়ার সূচি পত্র। ১)আচমন
২)বিষ্ণু স্মরণ ৩)স্বত্ত্বি বাচন ।৪)স্বত্ত্বি সূক্ত ৫)সাক্ষ্য মন্ত্র ৬)বরণ (গৃহে পূজা হলে গৃহ কর্তা পুরোহিত ও তন্ত্র ধারক কে বরণ করে নেবেন) ৭)সংকল্প ৮)সংকল্প সুক্ত ৯)পঞ্চগব্য শোধন ।
১০)অধিবাস (ক) বরণডালা নিয়ে। (খ) মন্ত্রে
১১)সামান্য অর্ঘ স্থাপন ১২)দ্বার পূজা ১৩) বিঘ্ন অপসারণ
১৪)মাসভক্ত বলি ১৫ )আসন শুদ্ধি ১৬ )পুষ্প শুদ্ধি। ১৭) )প্রানায়াম ১৮ )কর শুদ্ধি। ১৯ )সংক্ষেপে ভুতশুদ্ধি। ২০)মাতৃকান্যাস ২১)অন্তর্মাতিকা ন্যাস ।২২)বাহ্য মাতৃকান্যস। ২৩ )সংহার মাতৃকান্যাস ২৪)পীঠন্যাস ২৫)করন্যাস ২৬ )অঙ্গন্যাস ২৭ )ব্যাপক ন্যাস। ২৮ ঋষ্যাদি ন্যাস ।(কী প্যাডে রী কার না থাকার বানান ভুল হলো)
২৯ )ধ্যান ৩০)মানসপূজা ৩১ )বিশেষ অর্ঘ্য স্থাপন। ৩২ )পীঠ পূজা ৩৩ )ঘট স্থাপন। ৩৪ )কাণ্ড রোপন। ৩৫ ) সূত্র বেষ্ঠন ৩৬ )বেদি শোধন ৩৭ ) বিতান শোধন ।৩৮ )আবাহন
(ষষ্ঠী পূজা যেহেতু ঘটে তাই চক্ষু দান ও প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে না।) ৩৯ )পঞ্চ দেবতার পূজা ক) গনেশের পূজা খ) সূর্যের পূজা গ) বিষ্ণুর পূজা।
ঘ) শিবের পূজা ঙ) দুর্গা পুজা ৪০)ধ্যান করে প্রধান পূজা
৪১)পুষ্পাঞ্জলী ৪২ )প্রণাম ৪৩ )আরতি
২)বিষ্ণু স্মরণ :- ওঁ তদ্ব বিষ্ণু পরমং পদ সদা পশ্যন্তি সুরয় দ্বিবীব চক্ষুরাততম । ওঁ অপবিত্র পবিত্র বা গত হোপি বা যৎ স্মরেৎ পুণ্ডরীকাক্ষং
স্ব বাহ্য অভ্যান্তর শুচি। সর্ব মঙ্গল্য মঙ্গল্যে বরদাং বরনাং শুভম ।প্রারম্ভে সর্ব কর্মেন বিপ্র পুণ্ডরীকং স্মরেদ্ধরিম ।মাধব মাধব বাচী মাধব মাধব হৃদি স্মরণ্তি সাধব সর্বকার্যেসু মাধবম ।ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু।
৩)স্বত্ত্বি বাচন :- ওঁ কর্তব্যহোস্মিন কালিকা পুরান অন্তর্গত বার্ষিক শরৎ কালীন শ্রী শ্রী ভগব দুর্গা পূজার অন্তর্ভুক্ত বিল্ববৃক্ষাধিকরণে ষষ্ঠীর বোধন পূজা কর্ম্মানি ওঁ পূন্যাহম ভবন্তু ব্রুবন্তু ওঁ পূন্যাহম ভবন্তু ব্রুবন্তু ওঁ পুন্যাহম ভবন্তু ব্রুবন্তু ওঁ পুন্যাহম ওঁ পুন্যাহম ওঁ পুন্যাহম ।
ওঁ কর্তব্যহোস্মিন কালিকাপুরান অন্তর্গত বার্ষিক শরৎকালীন শ্রী শ্রী ভগব দুর্গা পূজার অন্তর্ভুক্ত বিল্ববৃক্ষাধিকরণে ষষ্ঠীর বোধন পূজা কর্ম্মাণি ।
ওঁ স্বত্ত্বি ভবন্তু ব্রুবন্তু ওঁ স্বত্ত্বি ভবন্তু ব্রুবন্তু ওঁ স্বত্ত্বি ভবন্তু ব্রুবন্তু ওঁ স্বত্ত্বি ওঁ স্বত্ত্বি ওঁ স্বত্ত্বি ।
ওঁ কর্তব্যহোস্মিন কালিকাপুরান অন্তর্গত বার্ষিক শরৎকালীন অন্তর্ভুক্ত ষষ্ঠীর বোধন পূজা কর্ম্মাণি
ওঁ ঋদ্ধিং ভবন্তু ব্রুবন্তু ওঁঋদ্ধিং ভবন্তু ব্রুবন্তু ওঁ ঋদ্ধিং ভবন্তু ব্রুবন্তু ।ওঁ ঋদ্ধতাম ওঁ ঋদ্ধতাম ওঁ ঋদ্ধতাম ।
৪)স্বত্ত্বি সূক্ত :-ওঁ সোমং রাজনং বরুবরুণাগ্নিম্বারভামহে আদিত্যং বিষ্ণু সূর্য ব্রহ্মণাঞ্চ বৃহস্পতিম। স্বত্ত্বি ন ইন্দ্র বৃদ্ধ শ্রবা স্বত্ত্বি ন পূষা বিশ্ববেদা। স্বত্ত্বি নর্ত্রক্ষ অরিষ্ঠানমি ।স্বত্ত্বি ন বৃহস্পতির দধাতু। ওঁ স্বত্ত্বি ওঁ স্বত্ত্বি ওঁ স্বত্ত্বি ।
৫)সাক্ষ মন্ত্র :-ওঁ সোমং যমং কালং সন্ধ্যা ভূতানহক্ষপা পবনদিকপতি ভূমিরাকাশং। ব্রাহ্মণ শাসনমাস্ত্রায় কল্পধিহম ।
৬)বরণ :- গৃহে পূজা হলে এটি করতেই হবে)
যযমান :- সাধু ভাবানান্তাম। পুরোহিত :- সাব্ধমাসে যযমান :- অর্চ্চায়স্মি ভবন্তাম ।
পুরোহিত :- অর্চ্চায়াস্ম। যযমান :- এতানি গন্ধ পুষ্প যজ্ঞ উপবীতানি বস্ত্রাঙ্গুরীয় পুজক ব্রাহ্মণায় নম ।পুরোহিত :- ওঁ স্বত্ত্বি। যযমান :- ওঁ বিষ্ণুরোম তৎসদ্য (কর্তা অব্রাহ্মণ হলে বলবে "বিষ্ণুমোহর্দ্দ") অদ্য আশ্বিন মাসে শুক্ল পক্ষে কন্যা রাশিস্থে ভাস্করে পাদ্যাভি গন্ধাভি নৈবেদ্যাভি
সহ শ্রী শ্রী ভগব দুর্গা মহা পূজা কর্মণ মহং বৃণে
ব্রাহ্মণ :- ওঁ বৃহস্পতিম ।যযমান :- পূজন কর্ম যথা জ্ঞান কুরুবাণি। ব্রাহ্মণ ::- যথা জ্ঞান কুরু।
৭ )সংকল্প :- ওঁ বিষ্ণুরোম তৎসৎ অদ্য আশ্বিন মাসে শুক্ল পক্ষে কন্যা রাশিস্থে ভাস্করে ষষ্ঠান্তিতিথৌ
চতুবর্গসিদ্ধি কাম অমুক গোত্র অমুক দেবশর্ম্মণ মৎ সংকল্প কৃত অমুক গোত্র অমুক নাম বার্ষিক শরৎকালীন কালিকা পূরান অন্তর্গত শ্রী শ্রী ভগব দুর্গা মহা পূজা কর্মাঙ্গভূত বিল্ব বৃক্ষাধীকরণে ষষ্ঠীর বোধন পূজা করিষ্যমি (নিজের বাড়িতে হলে করিষ্যে এবং মৎ সংকল্প কৃত বাদ যাবে)
৮)সংকল্প সূক্ত :- (সাম বেদের) দেবব দ্রবিনোদা পূর্ণাং বিবষ্ঠাসিঞ্চম ।উদ্বা সিঞ্চধ্বমূপ বা পৃনধ্বমিদিদ বো দেব ওহতে। তন্মেনম: শিবায় সংকল্পায় মস্তূ অয়ম শুভ আরম্ভ ভবতু।
(যজু বেদ) ওঁ যজাগ্রত দূরা দূরমুদৈতি তদুসুপ্তস দৈবং তথৈবেতি দূরাঙ্গম জ্যোতিষাং জ্যোতিরেকং তন্মে নম শিবায় সংকল্পায় মস্তু অয়ম শুভারম্ভ ভবতু ।
৯)পঞ্চ গব্য শোধন :- সকল দ্রব্যের আলাদা করে মন্ত্র আছে। না হলে কেবল গায়ত্রী পাঠ করে শোধন করতে হয়।
১০)অধিবাস :-( ক) এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ গাং গনেশায় নম:
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ শ্রী বিষ্ণবে নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ শ্রী গুরবে নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ নম শিবায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ হ্রীং দুর্গায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ নারদা দি পার্শ্ব দেবভ্য নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ইন্দ্রাদি দশদিক পালভ্য নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মৎস্যাদি দশাবতারেভ্য নম।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ কল্যাদি দশম মহাবিদ্যাভ্য নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ইষ্ট দেবদেবীভ্য নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ কুল দেবদেবীভ্য নম।
১০)অধিবাস (খ)বরণ ডালা নিয়ে অধিবাস :- (এখানে সমগ্র বরণ ডালার প্রতিটি বস্তু নিয়ে মন্ত্র আছে, মাটি থেকে শুরু সূত্র পর্যন্ত আমি সংক্ষেপে লিখছি) অনেন প্রসস্তি পাত্রে ন ওঁ হ্রীং শ্রী শ্রী বিল্ব বৃক্ষ বাসীনি দুর্গায় নম। (এবার ঐ পাত্র চরণে পাঁচ বার আর মধ্যে তিন বার এবং মুখমন্ডলে তিন বার, কপাল ও চরণে ঠেকিয়ে যদি প্রতিমা থাকে তবে করবেন নচেৎ বরণ ডালা ঠেকিয়ে নেবেন ঘটে সুত্র বাঁধতে হবে না। ষষ্ঠীর বোধনের শেষে দেব দেবীর হাতে সুত্র বাঁধবেন। এবার সুত্র বাঁধার মন্ত্র।(অধিবাসের মধ্যে )সূত্র বন্ধন মন্ত্র :- ওঁ সূত্রাং পৃথিবীং দাম্যনেহেসং সুশর্মান সুপ্রনীতিম ।দৈবাং নাবাং সরিত্রানামনাগম স্রবন্তি মারুহ মা স্বস্তয়ে। অনেন মঙ্গল সূত্রেন ওঁ হ্রীং দুর্গায়ৈ নম ।(এই ভাবে সকল দেব দেবীর হাতে বাঁধতে হবে।দেবী হলে বাঁ হাতে আর দেব হলে ডান হাতে।)
১১) সামান্য অর্ঘ্য :- (ভূমিতে ত্রিকোন মণ্ডল এঁকে নিয়ে তার উপর পূজা)
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ আধার শক্তয়ে নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ কুর্ম্মায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনন্তায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্প ওঁ পৃথীবৈ নম ।
"ওঁ হ্রীং ফট নম ।"কোষায় জল ভরতে হবে। তার পর। কোষার অগ্র ভাগে এই তিনটি মন্ত্রে ফুল দিতে হবে। "ওঁ অং অর্কমণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মানে নম, ওঁ উং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মানে নম, ওঁ মং বহ্ণি মণ্ডলায় দশ কলাত্মানে নম।" এবার অঙ্কুশ মুদ্রায় জলে হাত দিয়ে মন্ত্র পাঠ করতে হবে।" ওঁ গঙ্গেচ যমুনে চৈব গোদাবরী সরস্বতী নর্মদে সিন্ধু কাবেরী জলহোস্মিন সন্নিধিংকরু।"
১২) দ্বার পূজা :- ওঁ দ্বার দেবতা গন ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিরুদ্ধ ইহসন্নিরুদ্ধম অত্রা ধিষ্ঠাং করু মম পূজাং গৃহান ভব ।
সংক্ষেপে :- এষ গন্ধ ওঁ দ্বার দেবগন ভ্য নম।
এতৎ পুষ্পম ওঁ দ্বার দেবগন ভ্য নম। এষো ধূপ দ্বার দেবগন ভ্য নম। এষো দীপ দ্বার দেবগন ভ্য নম। এতৎ নৈবেদ্যম ওঁ দ্বার দেবগন ভ্য নম।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ গাং গনেশায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মহালক্ষ্মীয়ৈ নম ।এতে গন্ধে পূষ্প ওঁ ক্ষাং ক্ষেত্রপালৈ নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ গাং গঙ্গায় নম। এতে গন্ধ পূষ্পে ওঁ যাং যমুনায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অস্ত্রায় নম ।।
১৩)বিঘ্ন অপসারণ :- ওঁ অস্ত্রায় ফট ।( বাঁ পায়ের গোরালি দিয়ে ভুমিতে আঘাত করতে হবে ।)
Thursday, 21 June 2018
বাঙালি হিন্দু কোথায়?
আজকের দিনে পশ্চিম বঙ্গের কেন, গোটা ভারত বর্ষের কোথাও সেই হিন্দু বাঙালি নেই যে গোটা দেশে হিন্দু জাতির নেতৃত্ব দিতে পারে। বাংলার শেষ হিন্দু রাজা যদি লক্ষণ সেন ধরা হয়, বাংলার হিন্দুদের পরাধীনতা সেই শুরু এক বিশেষ ধর্মের কাছে। বলবেন মাঝখানে ইংরেজ বা ব্রিটিশ শাসন ছিল। একটা অদ্ভূত ব্যাপার এই ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম করে ছিল তার নব্বই শতাংশ বাঙালি হিন্দু জাতির লোক ।কারণ মাষ্টার দা সূর্য সেন, রাস বিহারী বসু, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু এদের নাম তো স্বর্নাক্ষরে লেখা আছে। আরো অনেকে আছেন যারা হাসতে হাসতে ফাঁসির দড়ি গলায় পরেছেন। যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের শত সহস্র বীর ইংরেজ দের বিরুদ্ধে লড়াই করে ছিল। সেই হিন্দুরাই একটি বিশেষ ধর্মের কাছে মাথা নত করে দিয়েছে। দেশ স্বাধীন হবার সময়ে দুই বাঙালি বিদ্বেষী স্বঘোষিত নেতা প্রধানমন্ত্রী হবার লোভে (নেহরু আর গান্ধী)
Tuesday, 29 May 2018
কাকের বাসা।
ভালো করে খেয়াল করে দেখুন ছবি টি তে একটি কাকের বাসা দেখা যাচ্ছে। কত গুলো বাচ্চা পাখি আছে। জানি না সে গুলো কাকের না কোকিলের কারণ কাকের বাসায় কোকিল ডিম পাড়ে।পশ্চিমবঙ্গের অবস্থাও এই কাকের বাসার মতো। প্রকৃত বাঙালিরা শহর থেকে পিছিয়ে আসছে গ্রামের বড়ো বড়ো রাস্তার পাশে যেখানে একসময় ভালো ফসল ফলত সেগুলো আজ বসতি। আর একটা বিশেষ ধর্মের মানুষ ছারপোকার মতো বংশ বিস্তার করে ছলেছে ধর্মের দোহাই দিয়ে। বাংলায় আর বাঙালির জায়গা হবে তো।
