Wednesday, 31 October 2018

স্ট্যাচু অফ ইউনিটি। সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলে মূর্তি। বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু স্থানে।

আগে অনেক বার লিখেছি যে আমাদের দেশে অনেক মানুষ স্বাধীনতার মাধ্যমে নিজেদের আখের গুছিয়ে নিতে ব্যস্ত। আবার কেউ কেউ পদ নিয়ে দরা দরি করছিল।কেউ তার পদবী দিয়ে বেঁচে থাকার বা চিরকালের জন্য ইতিহাস তৈরি করছিলেন। সদ্য দেশ স্বাধীন হয়েছে, অসংখ্য ছোট রাজ্য ছোট দেশ ছিল ভারত বর্ষের মধ্যে তারা অনেক স্বাধীনতা চাইছে। অনেক রাজ্য বা দেশ পাকিস্তানের সাথে থাকতে চাইছে। কারোর সে সব দিকে নজর নেই, তখন ব্রিটিশ কে বলে জেল খাটা স্বাধীনতা সংগ্রামীর দল, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস কে কী করে দেশে ঢুকতে না দেওয়া যায় তার ব্যবস্থা করতে ব্যস্ত। তাকে যুদ্ধ অপরাধী ঘোষণা করে সেই কাজে তারা সফল হয়েছে। আজাদ হিন্দ বাহিনীর যে সব সৈনিক সেদিন লালকেল্লার ভেতরে বন্দী তাদের জন্য মায়া কান্না কাঁদতে ওকালতি করে দেখিয়ে দিলেন। কেন তার একটা কারণ তখন বোম্বাই এ  ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর মধ্যে যে সব ভারতীয় সেনা জওয়ান ছিল তারা বিদ্রোহ করতে শুরু করেছে। দেশের অন্য অনেক জায়গায় সেনাবাহিনীর মধ্যে বিদ্রোহ দেখা দিয়েছে। এমত অবস্থায় কালো কোট গায়ে ওকালতি করা ছাড়া আর উপায় ছিল না। কে করে ছিল সেটা সত্যি কার ভারতের ইতিহাস পড়লে অবশ্যই জানাবেন। আর এই সময়ে দেশ কে এক ছাতার তলায় আনতে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দৌড়ে বেড়াচ্ছেন। যে মানুষ টি তিনি হলেন, সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলে।তিনি একা সর্বত্র পৌঁছতে পারেননি, যে খানে তার যেতে বা পৌঁছতে দেরি হয়ে গেছে। সেই সব রাজ্যে আজও গণ্ডগোল লেগে আছে, তিব্বত কে তো চীন দখল করে নিয়েছে। এখন ভুটান নেপালের দিকে তাদের লক্ষ্য যেমন করেই হোক শিলিগুড়ি করিডোর দখল নিয়ে পুর্ব ভারত কে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করা। আর বাংলাদেশের উপর নিজের প্রভাব বিস্তার করে ভারত কে চাপে রাখা। পাকিস্তান কে উন্নয়ন করে দেবার নামে প্রায় কিনে ফেলেছে। যেমন তারা হংকং কে করেছে, তাইওয়ান কে নিয়েছে, তিব্বতকে নিয়েছে। চীন কমিউনিস্ট হতে পারে কিন্তু দেশ দখলের আগ্রাসী মনোভাব তার আছে। উন্নয়ন করে দেওয়ার নামে ঢোকে, সেই দেশ কে ঋণের জালে বন্দী করে সেখানে চীনা টাউন বা কলোনি তৈরী করে। কারণ চীনের লোক সংখ্যা বেশি।তারা বাসস্থান খোঁজে এবং সেই সাথে সেই স্থানের অধিকার চীনের সেখানে যে দেশে তারা আছে তাদের আইন চলেনা বললেই চলে। উল্টো দিকে ভারত বা দেখুন বিশ্বে লোক সংখ্যায় দ্বিতীয়। পাশের দেশ চীন যে ভাবে টেকনিক্যাল থেকে সমস্ত দিয়ে উন্নতি করেছে , ভারত দুবছর আগে স্বাধীন হয়েও পারেনি। কারণ খুঁজে দেখুন দেখবেন সেই নেতা যারা ক্ষমতা দখল করতে বা গদিতে বসবে বলে মরিয়া তারা শিক্ষার জন্য কোনো নজর দেয়নি। সংবিধানের অনেক ধারা উপধারায় নিশ্চয়ই লেখা আছে এত সালের মধ্যেই সবাই কে শিক্ষিত করতে হবে।.  আগে চাই শিক্ষা মানুষ  শিক্ষিত নয়, সেই জন্যই আজও ভারতের মজবুত ইউনিটি আসেনি। এখনও বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নতাবাদ মাথা চারা দিচ্ছে। বিভিন্ন ভাষাভাষী ও বিভিন্ন ধর্মের এই দেশকে এক করতে পারে যে শিক্ষা সেই শিক্ষা দরকার। কারণ এই মূহুর্তে দেশে কোনো বল্লভ ভাই প্যাটেলে নেই, শুধু তার মূর্তি স্থাপন করে ইউনিটি বা একতা আনা সম্ভব যদি সঠিক শিক্ষা না দেওয়ার ব্যবস্থা থাকে।



আজ ভারত বাসীর কাছে দুঃখের দিন। ভারতের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু দিন।

আজ থেকে ৩৪ বছর আগে ১৯৮৪ সালে ৩১ শে অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। দেহরক্ষীর গুলি তে নিহত হন, দিন টি ভারত বাসীর কাছে দুঃখের দিন।সেদিন সকালে বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে ভারত বর্ষের আপামর জনসাধারণের প্রিয় প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু এবং ঐ ভাবে মেনে নিতে পারে নি। সকল ভারত বাসির চোখের জল পড়ে ছিল। গোষ্ঠ পাল নামে এক লোকসংগীত লেখক ও গায়ক গান গেয়ে ছিলেন। ৩১শে অক্টোবর ১৯৮৪ কী খবর পেল ভারত বাসী। সত্যিই সে দিন সেই গান টি সারা বাংলার মানুষ সারা দিন শুনে ছিল। আমি তখন একজন ছাত্র, আমার কাছেও সংবাদ টা মর্মভেদী।
এরকম একজন মহান মানুষ কে আজ আমি সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করি। তিনি স্বর্গের যে লোকে থাকুন শান্তি তে থাকুন। আমার পক্ষ থেকে রইল সশ্রদ্ধ প্রণাম। 

Tuesday, 30 October 2018

বেতন বৃদ্ধি নিয়ে শিক্ষকের আন্দোলন নিয়ে, পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা মন্ত্রী কথায় সত্তর দশকের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।

ছবি টি ডেইলি হান্ট নিউজ ওয়েব সাইট থেকে নেওয়া ।উস্থি ইউনাইটেড নামে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক দের পি আর টি স্কেলে বেতন বৃদ্ধি নিয়ে দু দিনের অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়ে বর্তমান রাজ্য সরকারের শিক্ষা মন্ত্রী কলা শিক্ষা প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করতে গিয়ে যা বললেন, তাতে করে সত্তর দশকের শিক্ষক দের একটা আন্দোলনের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। আমার বাবার কাছে শুনেছি, তিনি এবং আরও অনেক শিক্ষক মিলে কলকাতায় অবস্থান বিক্ষোভ করছিলেন, দাবি ছিলো এক টাকা চিকিৎসা ভাতা দিতে হবে। আর বেতন বাড়ানোর জন্য সুব্যবস্থা নিতে হবে। আরো কয়েকটা দাবি ছিলো, অনেক দিন হলো বাবার কাছে শুনেছি, আমার বাবা একজন প্রাথমিক শিক্ষক ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, উক্ত দাবি নিয়ে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি বা শেষ অবস্থান বিক্ষোভ করছেন, ঐ শীতের রাতে হঠাৎ হোস পাইপের জল দিয়ে ভিজিয়ে দেওয়া হয়ে ছিল। তখন কার শিক্ষা মন্ত্রী নাম টা ভুল হতে পারে। অজয় মুখার্জি এবং মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন প্রফুল্ল সেন। বলে ছিলেন আমাদের সাধ আছে সাধ্য নেই। আর বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রী কলা কেন্দ্রের সভা থেকে একই কথাই বলছেন। কী বললেন, যে রাজ্যের আর্থিক অবস্থা খারাপ তাই তারা ঐ দাবি মানতে পারবে না। শিক্ষক দের প্রতি তারা সহানুভূতি শীল, তার সাথে আলোচনা করতে পারেন। ওসব দাবি নিয়ে আলোচনা আগে যোগ্যতা দেখান, একথা বলে উনি কী বোঝাতে চাইছেন। তবে শিক্ষা মন্ত্রীর কথার সাথে আমি একমত কারণ রাজ্যের আর্থিক অবস্থা সত্যিই খুব খারাপ। সেই জন্যই দুর্গা পুজো করতে আঠাশ কোটি, ক্লাব গুলো কে দু লক্ষ টাকা করে কয়েক বছর ধরে এক লক্ষ ক্লাব টাকা পেয়েছেন। আবার যার বাবা চার চাকা কিনে দিতে পারে তাকেও সাইকেল, এই সাইকেল দেওয়ায় সত্যিই দূরদর্শিতা আছে, সাইকেল সারাই এর দোকান গুলো যাতে সপ্তাহে একদিন করে সাইকেল সরিয়ে টাকা নিতে পারে তার ব্যবস্থা পাকা।কন্যাশ্রী সে তো কথাই নেই, সবাই পাবে লেখা পড়া করুক আর ছাই নাই করুক। বাবার মেয়ের বিয়ে তে খরচ করার ক্ষমতা আছে তাও সে পাবে।বয়সের কোনো বাধা নেই। আরেকটা বড়ো কারণ তোকে গ্রামের ছোট নেতা দের একটা ইনকামের রাস্তা করে দিতে হবে।
ছবি টি কোথা থেকে পেয়েছি তা ছবির উপর লেখা আছে । আমি এই ছবি দিচ্ছি এরা কন্যাশ্রী পেয়েছেন। এদের এ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকার পর কারা টাকা নিয়ে নিজের বলে নিয়েছেন। তাদের নামে একটি অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী কাছে লেখা হয়েছে। সেই চিঠি টি ও এখানে দেব। ঘটনা টি ঝড়খালির। বন্ধু শিক্ষকের এবং কর্মীদের বেতন বাড়ানোর টাকা নেই। বলতে পারবেন না, অপচয় হচ্ছে, কারণ উত্তর মুখস্থ করে ফেলেছেন বেশ করেছে। কারণ ঐ টাকা জনগণের ট্যাক্সের টাকা নয়, ওগুলো আলাদা জায়গা থেকে নেওয়া বা তোলা ট্যাক্স আদায় হলে ডিএ পাবেন এবং পে কমিশন পাবেন। তাও পাবেন কিনা সন্দেহ বামফ্রন্ট সরকার যে দেনা করে গেছেন সেটা শোধ করে টাকা বাঁচলে তবে পাবেন। এবার ঐ চিঠি টি
এটিও কলকাতা 24*7অন লাইন নিউজ পোর্টালে বেড়িয়ে ছিল ।দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঝড়খালির ঘটনা। একদম বেতন বাড়াতে বলবেন না, তাহলে বেতন  কনসোলিডেট  করে দেব বেতন আর কোন দিন বাড়বে না। আবার বলবেন না, বাম সরকার দেনা করুক যাই করুু বছরে দুবার ডিএ দিয়েছে সঠিক সময়ে পে কমিশন দিয়েছেন। শিক্ষক দের ১৯৮০ সালের আগে কোন বেতন কাঠামো ছিল না । নিয়মিত পেনশন ছিল না, বামফ্রন্ট সরকার শিক্ষকদের পে কমিশন ও পেনশন ফ্যামিলি পেনশন এর ব্যবস্থা করে দিয়ে ছিল। আর আজকের সরকার সত্ত্ত দশকের শিক্ষা মন্ত্রী সুরে কথা বলছেন। এই তফাৎ একটা সম্পুর্ণ উগ্র ক্ষমতা লোভী ডান পন্থী সরকারের সঙ্গে বামফ্রন্ট সরকারের। আমরা ভুল করে ফেলেছি, সেই ভুলের মাশুল আমাদের দিতে হবে। আমাদের মধ্যে এখনও অনেক শিক্ষক আছেন যারা এই সরকার কে সর্মথন করে যাচ্ছে। বেতন কম দিলেও যা করছে ভালো করছে। এই সরকার হাতেও মারছে ভাতেও মারছেে, এটা সকল কে বুঝতে হবে। আরো বড়ো আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। দল মত নির্বিশেষে সকল শিক্ষকে আহ্বান জানানো দরকার। আর শিক্ষক আন্দোলনের সঠিক ভাবে জানতে হবে। 












মানুষের সব কিছুর পরিবর্তন করে দিচ্ছে মিডিয়া।

আমার কথা বা লেখা সত্যিই কজন পড়েছেন? আমি ঠিক বুঝতে পারছি না কারণ কারও কোনও মন্তব্য আজ পর্যন্ত পেলাম না। জানি না কতটা ভালো লাগছে? কারণ আমি দেখেছি ইউ টিউবে চটুল ভিডিও দেখতে সবাই অভ্যস্ত লেখা পড়ে সময় নষ্ট করার সময় নেই। নিউজ পোর্টাল গুলো লেখার ধরণ পাল্টে ফেলেছে। খবর গুলো ছোট আকারের হয়েছে । প্রতিটি তে কোনো না কোনো ছবি থাকছে। ছবি না থাকলে এ্যমিনেশণ ছবি দিয়ে দিচ্ছে। আর ছোট খাটো নিউজ পোর্টাল প্রতিনিয়ত যৌন তা নিয়ে লিখছে। যে লেখা দশ দিন আগে অন লাইন ছিল সেই লেখা কে আবার পোষ্ট করে দিচ্ছে। আর কিছু আছে ইউটিউবে চটুল ভিডিও, দূর্বো ঘাসের রস খান যৌন উত্তেজনা বাড়বে বলে একটা নোংরা ছবি দিয়ে পোষ্ট করে দিচ্ছে। এবিষয়ে বাংলাদেশের মেয়েরা বেশি এগিয়ে, সব রকমের আবেদন গল্প পাবেন, গল্প মানে অডিও গল্প সামনে একটি ছবি। সারা রাত ধরে তাকে কি বলল কি করল বলছে ঐ সব অডিও। এই সব বেশি পাওয়া যাবে বাংলাদেশ থেকে পোস্ট করা ইউটিউব ভিডিও তে, কী করে সব করতে হবে সব শেখাচ্ছে। এগুলোর ভিউ বেশি মানুষ এগুলো তাহলে চাইছেন। কিছু সময় লেখা আছে আঠারো বছরের নীচে কেউ দেখবা না। আচ্ছা ঐ টুকু আবেদন কোনো সিস্টেম নেই যে আঠারোর নীচে হলে তাকে সাইটে ঢুকে বয়স জানাতে হবে, তবে খুলবে। বলবেন সামাজিক শিক্ষা হচ্ছে। এই যৌন শিক্ষা দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে না। এতো সামাজিক অবক্ষয় ডেকে আনতে পারে। সেই শিক্ষা দিতে বলা হচ্ছে, যে খানে চুমু খেলে পেগনেন্সি হয়েছে বলে, তামিল নাড়ুর মেয়ে টি গর্ভনিরোধক পিল খেয়ে ডাক্তারের কাছে এসে ছিল। এরকম পরিস্থিতিতে পড়তে না হয়, সেই জন্য সামাজিক শিক্ষা হিসেবে যৌন শিক্ষা দিতে হবে। আর ছোট শিশুদের মানে যারা নেট সার্চ সেই সব, কিশোর দের কথা ভাবতে হবে। প্রাচ্যের দেশ গুলো তে বিশেষ করে ভারতীয় উপমহাদেশে এখনও খোলা মেলা নয়। খোলা মেলা করা উচিত কি না সে বিতর্ক চলছে। জানে সবাই যৌন মিলন অপরিহার্য কিন্তু খোলা মেলা হলে যৌন রোগ গুলো অপ্রতিরোধ্য হয়ে ঢুকে যাবে শরীরে। আবার খোলা মেলা হলে এই মেয়ে দের উপর যে অত্যাচার সেটা কমবে। সবেরি ভালো মন্দ দুটো দিক থাকে।আমাদের খাদ্যাভ্যাস পাল্টে যাচ্ছে, অনেক অখাদ্য যা বাঙালি খেত না। সে গুলো আজ তাদের খাদ্য তালিকায় ঢুকে পড়েছে। মদ খাওয়া এখন কিশোর কিশোরী রাও বাবা মায়ের সঙ্গে বসে মদ্যপান করছে। ইংরেজ রা দেশ ছেড়ে চলে গেছে ৭০ বছর আগে, কিন্তু তাদের পোশাক ও ঐ মদ্যপান রেখে গেছে। যা আমরা এখন অভ্যাসে পরিনত করে ফেলেছি। কেউ কেউ ধর্মীয় অনুশাসন দিয়ে ধরে রাখতে চাইছেন। সেই অনুশাসনের ফাঁকে আমরা আরও বেশি করে মদ্যপান করে চলেছি। খাদ্য অভ্যাস পাল্টানোর জন্য দেওয়া হচ্ছে যৌনতার সুরসুরি, যাতে খায় তার জন্যে চটক দার বিজ্ঞাপন। এসব পড়ে অনেক বলবেন আপনি তো মশাই সেকালের মানুষের মতো ব্যাকডেটেট কথা লিখছেন। মানুষ কি চিরকাল একই রকম থেকে যাবে, পাল্টাবে না, হ্যাঁ নিশ্চয়ই পাল্টাবে কিন্তু খারাপ হবে এরকম কিছু না করে পাল্টাবে। রামকৃষ্ণের সেই কথা মনে রেখে পাল্টাবে, তিনি বলেছেন, "খারাপ টা বাদ দিয়ে ভালো টা নিতে হবে।" আসুন আমরা সেই ভাবে আমাদের পাল্টাই যা আমাদের সুস্থ সমাজ ব্যবস্থা তৈরিতে সাহায্য করে দেবে। আমরা ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিই, ভালো মন্দ বিচার করে সিদ্ধান্ত নিই। আমরা আধুনিক বিজ্ঞানের শিক্ষা নিই, যে বিজ্ঞান মানুষের জীবন কে পাল্টে দিতে পারে।নিজের আব্রু বজায় রেখে আধুনিক পোশাক পরি। নিজের শরীর কে সুস্থ রেখে খাদ্যাভ্যাস পাল্টাই। নিজেকে সংযত করে শ্লালিনতা বজায় রেখে মানুষের সাথে মেলামেশা করি, কথা বার্তা বলি। আসুন সমাজ পাল্টাই কিন্তু সব কিছু কে বিসর্জন দিয়ে নয়। অন্ধের মতো অনুকরণ করে নয়। অপরের সব ভালো আর আমার যা আছে সবটা খারাপ বা আমার যা আছে সব ভালো অপরের সব জিনিস খারাপ এটা না করে। বিচার বিবেচনা করে নিজেকে পাল্টাই।


Monday, 29 October 2018

শিশু আজ শিশু কে খুন করছে।

ছবি টি ডেইলি হান্ট নিউজ ওয়েব সাইট থেকে নেওয়া হয়েছে।
প্রায় প্রতিদিনই অন লাইন নিউজ পোর্টাল গুলো খুললেই খবর থাকে শিশুরা শিশুর উপর অত্যাচার করছে। আবার কোন পাষণ্ড শিশুর উপর  অঅত্যাচার করছে।  যেমন উপরের ছবিটি দীল্লির । আজকের নিউজ পোর্টালে বেড়িয়ে ছিল ।শিশু টি কে কে বা কারা মেরে দিয়েছে। আবার আরেকটা নিউজ পোর্টালে Zee 24 ঘন্টায় বেড়িয়ে ছিল। পশ্চিমবঙ্গের একটি গ্রামে ফিরহাদ নামের একটি বাচ্ছা ছেলেকে কাল থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। আজ সকালে তাকে খালের জল থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে । আরো লেখা ছিলো তার সম বয়সি বন্ধু তাকে বাড়িতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে ছিল। তার সাইকেল সহ জুতো খালের ধারে পাওয়া গেছে। কেন এই সব প্রবনতা তৈরী হচ্ছে। বাচ্ছারাও অপরাধ করে ফেলছে? বাংলায় একটা প্রবাদ আছে বাচ্ছারা শেখে বড়ো দের দেখে, বড়োরা এমন কোনো কথা বলছেন বা কাজ করছেন, শিশু মনে প্রভাব ফেলছে। আর সঙ্গে আছে বিভিন্ন গেম, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার খবর যেখানে খুনের দৃশ্য দেখানো হচ্ছে। আর আছে নেট দুনিয়া ফেসবুক হোয়াটস এ্যাপে মেসেজ থাকছে, আর ইউ টিউবে সে তো কথাই নেই। যা দেখতে চাইবেন তাই পাবেন ইউটিউবে, শুধু শুধু ভিউ বাড়বে বলে খারাপ ছবি কথা বলছেন লিখেছেন। বেশি আছে দেখলাম বাংলা দেশের।
শিশু মন অনুকরণ প্রিয় তারা যা দেখে তাই শেখে, যা শোনে সেটা মনে রেখে দেয়। অনেকেই ভাবছেন শিশু শিশু অবস্থায় যা শুনল বা দেখল বেশি দিন মনে রাখতে পারে না। এসব ধারণা কিন্তু ভুল ছোট বেলায় শোনা সমস্ত কথার মধ্যে যেটা তার মনে দাগ কাটে সে সেটা সে দীর্ঘ দিন মনে রাখতে পারে। অনেক কথা বা ঘটনা সারা জীবন মনে রাখে। মহাভারতের অভিমুন্যুর কথা যে মাতৃ গর্ভে থাকা কালীন, শুনে ছিল চক্রবূহে কী করে ঢুকতে হয়, কিন্তু বেড়িয়ে আসার কথা শুনতে পাননি কারণ তার মা ঘুমিয়ে পড়ে ছিলো।
আর এখন এই সব নেট দুনিয়াতে বিভিন্ন ভাবে ভিডিও ফুটেজ খবর প্রতিনিয়ত আপলোড হয়েছে। সেখানে রক্ত মাখা ছুরি, খুন হওয়া বডির ছবি, আর গলায় ফাঁস দেওয়া দেহের ছবি অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রতিনিয়ত আসছে । অনেকেই এসব দৃশ্য বাচ্ছা দের থেকে লুকিয়ে রাখতে পারে না। তাই অনলাইন নিউজ পোর্টালে ঐসব ছবি দেওয়ার আগে ভেবে দেখুন। শিশু মন কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, আপনি আপনার চ্যানেলের ভিউ বাড়বে বলে ধরে নিলাম ঐ সব ছবি দিচ্ছেন। কিন্তু শিশু মন কীভাবে নেবে ভাবা যাবে না। আর অনলাইন গেম খেলতে দেওয়া উচিত কিনা ভেবে দেখুন। আপনি মোবাইল ফোন থেকে বাচ্চা দের দূরে রাখুন নিজের মোবাইল এ গেম এ্যাপ ডাউনলোড করতে দিতে পারেন যে সব গেমের কোনো খুন খারাপি নেই। আর অনলাইন নিউজ পোর্টালে ছবি গুলো বন্ধ করে দিন ইউটিউবে অনেক শিক্ষা মুলক চ্যানেল আছে। সে গুলো দেখতে দিন তাদের সামনে খারাপ কথা খারাপ আলোচনা না করাই ভালো। শিশু কে সুস্থ ভাবে মানুষ হলে অনেক কিছু নিজেদের ত্যাগ করতে হবে। নিজেদের মধ্যে অশান্তি ঝগড়া ঝাঁটি, অভাব প্রত্যেক বাড়িতে আছে কারণ আজকের দিনে সাধারণ গরীব মানুষের উপায় কমেছে। বর্তমানে রাজ্যে অর্থ নৈতিক জরুরী অবস্থা চলছে, মানুষের আয় কমেছে ক্রয় ক্ষমতা কমে গেছে। বিশেষ করে চাষিদের, যে হারে ফসল ফলাতে খরচ তাতে করে ফসলের দাম নেই।শিশু রা আমাদের ভবিষ্যৎ তাদের কথা ভেবে অনেক কিছু সহ্য করে বেঁচে থাকতে হবে। শিশু ভীষণ অনুকরণ প্রিয়। তাই এই শিশু দের সামনে এমন কোনো কথা বলা বা কাজ করা থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে । সমাজের খারাপ মানুষের কাছ থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করে যেতে হবে। তাকে বোঝানো দরকার কিন্তু মারধর বন্ধ করে নিজের রাগ কেকে সংযত করে রাখতে। কথায় বলে রাগ চণ্ডাল, মানুষ যদি তার রাগ কন্ট্রোল করতে পারে তবে সে ঐ খারাপ কাজ করতে যাবে না। অনেক ভালো কাজ করা যাবে। নিজেকে বশে রাখতে রাগ হলে একটু দূরে সরে যান ইষ্ট দেবতার নাম করুন। বিশ্বের অনেক বড়ো বড়ো মানুষ নিজেদের রাগ কে বশে রেখে অনেক ভালো কাজ করে গেছেন। শেষ করব যৌবনের কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ছাড় পত্র কবিতার কয়েক টি লাইন দিয়ে।" চলে যাব তবু যত ক্ষণ দেহে আছে প্রাণ পনে দু হাতে সরাব জঞ্জাল। এবিশ্ব কে এ শিশুর বাস যোগ্য করে যাব আমি। নবজাতকের কাছে আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।" প্রতিটি শিশুর সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার অধিকার আছে, তাদের ঐ অধিকার কে সুনিশ্চিত করতে হবে আমাদের। আমরাই আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য সুন্দর পরিবেশ তৈরি করে দেব। আজ থেকে এই শপথ নিতে হবে। আসুন আমরা সবাই মিলে এই প্রতিজ্ঞা করি আজ থেকে একটি শিশুও যেন অত্যাচারিত না হয়।

Sunday, 28 October 2018

গ্রামের দিকে গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া সমস্যা।

ছবি টি ডেইলি হান্ট নিউজ ওয়েব সাইট থেকে নেওয়া ।
উজ্জ্বলা যোযনা হোক বা সুজ্জ্বলা গ্রামের মানুষের রান্না করা সেই কাঠ জ্বালা আর গুল কয়লা জ্বেলে ধোঁয়া খাওয়া খুব একটা বন্ধ হয়নি। কারণ কোথাও কোথাও গ্যাস পাওয়া দুষ্কর হয়ে দাঁড়ায়। একটা অজুহাত যেখান থেকে গ্যাস সেন্টার দূরে। গ্যাস নাকি বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নয় গিয়ে নিয়ে আসতে হবে।
 আমার অভিজ্ঞতা লিখি, আমি ২০১৬ সালে বাসস্থান পরিবর্তনের জন্য পূর্বের বাসস্থানের গ্যাস সিলিন্ডার টা ভাই এর নামে করে দিয়ে আসি। ঐ কাজ টা কি তে গিয়ে আমাকে এমন পরিস্থিতি সম্মুখীন হতে হয়েছিল। প্রায় ছমাস আমার জুতোর শুকতলা খয় গিয়ে ছিল ।একবার বেগমপুরের গ্যাস অফিস থেকে বের করে দিয়ে ছিল। বলল যান আমি করব না। যাহোক ভাই এর নামে করে দিয়ে ২০১৭, আমি এবাড়িতে গ্যাস ডবল সিলিন্ডার ওভেন সমেত যে করে দিল তাকে দিলাম ১১ হাজার টাকা।যিনি গ্যাস কানেকশন করে দিলেন, তিনি টাকা তো নিলেন, কিন্তু রসিদ দিলেন ছয় হাজারের একটু বেশি টাকার। প্রশ্ন করা যাবে না, তাহলে কানেকশন হবে না। আমরা এলাকায় নতুন একবছর গ্যাস কানেকশন নেবার জন্য হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়িয়ছি,  সমস্যা সমাধান করতে পারিনি। হরিপালের HP আছে সেখানে গেছি ইণ্ডেন এখানে কাছাকাছি নেই। আবার HP যে আছে সেও শুনলাম এখানে একটা দোকান আসল যিনি তিনি গজার মোরের ইণ্ডেন ও ওখানে আছে। গজার মোর হরিপাল স্টেশন থেকে অটোয় প্রায় আধ ঘণ্টা লাগে। এরকম করে হরিপালের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যায়। আবার গ্যাস সিলিন্ডার বুক করতে যিনি গ্যাস কানেকশন করে দিলেন তাকে ফোন করে বুক করতে হবে। IVR এ করা যাবে না। তিনি তাঁর মর্জি মতো গ্যাস পৌঁছে দেবেন। দামও তাঁর মর্জি মতো। কোন রসিদ নেই একটা ব্লু বুক আছে সেটা দেওয়া নেই। বললেই হুমকি আপনি নিজে নিয়ে আসবেন। এই গ্যাস সিলিন্ডার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নয়।
ভর্তুকি কোনো সময় ঢোকে কোনো সময় ঢোকে না। যিনি গ্যাস দিয়ে যান তাঁরা বাড়ি মালিয়ায়। তাহলে বুঝে নিন হরিপালের মানুষ গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া নিয়ে কতো সুখে আছে। টাকা বেশি তো লাগে তাও সময় মতো পেলে হতো। তাই বলছি ঐ উজ্জ্বলা বা সুজ্জ্বলা যাই হোক মানুষ যদি নিজের থেকে পরিবর্তন না হলে যতই পরিবর্তন হোক, কিছু হবে না।






শুভ দীপাবলির আগাম শুভেচ্ছা।


আমি জাানি না আমার ব্লগ ক'    জন পড়েছেন ।যে ক'জন পড়ছেন তাদেরকে এবং নতুন ভাবে যাার আমার ব্লগ     দেখবেন প্রত্যেক কে আমার পক্ষ থেকে, শুভ দীপাবলির আগাম শুভেচ্ছা রইল। এই আলোর ছটায় সকলের জীবন থেকে সমস্ত অন্ধকার দূর হয়ে যাক। মায়ের কাছে আমার প্রার্থনা সকলের শুভ হোক। সকলে ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন, মা সকল অশুভ শক্তির বিনাশ করে সকলের মঙ্গল করুন।