Monday, 5 November 2018

পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, যা বাম আমলে শুরু হয়েছিল। এবছর ৩৬ তম বর্ষ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।ছোটছোট  ছাত্র ছাত্রীরা খেলা ধূলোর করবে। রাজ্য স্তর পর্যন্ত, যাবে কারণ এই প্রতিযোগিতা সর্ব ভারতীয় নয়, হলে ভালো হতো । আমার বক্তব্য অন্য বাম আমল থেকে আমরা মানে আমার মতো বেশ কিছু শিক্ষক বলে আসছে, কী কথা না স্কুল স্তর যেখান থেকে খেলা শুরু হবে, সেই স্তর থেকে চক্র স্তর এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে মহকুমা স্তরের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পর্যন্ত শিক্ষকের চাঁদা তুলে খেলা হয়। আমার মনে পড়ছে বাম আমলে প্রথম চাকরি তে ঢুকে পঞ্চায়েত ও চক্র স্তরের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার জন্য চাঁদা দিয়ে ছিলাম ১৫ টাকা, 1990 সাল। আর এখন এই চাঁদা বাড়তে বাড়তে পৌঁছে গেছে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা কোথায়ও ১০০০ টাকা। যখন বাড়ানো হয় তখনই প্রতিবাদ ব্যাস ঐ পর্যন্তই তার পর শিক্ষকরা চাঁদা দিয়ে দেন, কারণ ছোট ছোট ছাত্র ছাত্রীরা খেলায় অংশ গ্রহণ করে সেই জন্য। যখন চক্র স্তরের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হয় তখন পঞ্চায়েত সমিতি একটা সামান্য টাকা তাদের ফাণ্ড থেকে দেয়, কিন্তু সিঙ্গুর পঞ্চায়েত সমিতি দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে এই টাকা দেয় না। অথচ মাঠে গিয়ে লম্বা চওড়া ভাষণ দিয়ে আসেন। সরকারি টাকা এখন নানা রকম ভাবে বিভিন্ন জায়গায় বরাদ্দ করা হচ্ছে, খালি এই বাচ্ছা রা খেলা ধুলো করবে সেদিকে নেই। আবার একটা বিষয় এখন শিক্ষকের বেতন বাজার দরের তুলনায় অনেক কম, কোথাও কোথাও শিক্ষক শিক্ষিকা দের হেনস্থা করা হচ্ছে, বেতন এতো কম যে তারাদের সাত মাসের বেতন কে বারো মাসে ভাগ করে দেওয়া হয়। আমি জানি না আমার লেখা কারা পড়ছেন, যদি কোন শিক্ষক শিক্ষিকা পড়েন তবে এই চাঁদা দেওয়া বন্ধ করবেন। এই সরকার পূজা কমিটি কে আঠাশ কোটি টাকা দেয়,আর যেসব জায়গায় টাকা বিলিয়ে দেওয়া হয়, সে সব আর লিখছি না,আরও বিভিন্ন জায়গায় টাকা  দেওয়া হয় সেসব অনেকে জানেন। আর আর কুড়ি না একুশ টা জেলার জন্য এক কোটি করে টাকা নেই! জেলার সংখ্যা হয়তো সঠিক হয়নি, কারণ এখন প্রতি ভোটের আগে দু চার টে করে জেলা বাড়ে। সরকারি কর্মীদের ও শিক্ষক দের বা আর যেসব কর্মী আছে তাদের বেতন বাড়ানো হয় না। যদি বা বাড়ানো হয় আবার পরে তা কমিয়ে দেওয়া হয়। যেমন হয়েছে আই সি ডি এস কর্মী দের সঙ্গে। এর প্রতিবাদ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন তারা ঘটনা টা ঝাড়গ্রাম জেলায় অন লাইন আনন্দ বাজার পত্রিকায় বেড়িয়ে ছিল ।
এই বিক্ষোভ সার সরকারের কোন হেল দোল নেই। কোন আন্দোলন কে এই সরকার গুরুত্ব দেয় না। বামফ্রন্ট সরকারের শেষ দিকে এরকম শুরু হয়েছিল। তবে তারা খেলার চাঁদা দেবেন কি না। 

আমার গয়া ভ্রমণ, এক বিরল অভিজ্ঞতা।

আমি গত 1-11-2018 গয়া যাবার টিকিট বুক করে ছিলাম। হাওড়া মুম্বই ভায়া গয়া মেলে, আর ফেরার টিকিট বুক ছিল শিপ্রা এক্সপ্রেসে। ফেরার টিকিট. কনফার্ম ছিল না। অবশ্যই অনলাইনে টিকিট বুক করে ছিলাম। 1-11-2018 রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে হাওড়া থেকে মুম্বই মেল ছাড়বে, আমরা সন্ধ্যা ৭ টা ২০মিনিটে হরিপাল স্টেশন থেকে ট্রেন করে হাওড়া গিয়ে মেল ধরব।  দুপুরে ম্যাসেজ এল ট্রেন ৭ ঘন্টা ২০ মিনিট লেট। মেল ট্রেন টি ছাড়বে 2 - 11-2018 ভোর ৫ টা ১৫ মিনিটে । আমাদের যাওয়ার খুব দরকার ছিল, তাই টিকিট বাতিল না করে হরিপাল থেকে তারকেশ্বর হাওড়া শেষ ট্রেন ধরে হাওড়া গেলাম। সারা রাত প্রায় জেগে, ট্রেনে A-1 কামার রিজার্ভ করা সিটে উঠলাম। মুম্বই মেল ৫ টা ১৫ মিনিটে হাওড়া থেকে ছাড়লো। খানা জংশন পর্যন্ত ট্রেনের গতি ঠিক ছিল, তারপর যে কী হলো বলতে পারছি না । যে স্টেশনে থামার কথা নয় সেখানেও ট্রেন দাঁড়িয়ে পড়ছিল। জানি না চেন টেনে ট্রেন থামানো হচ্ছিল কী না! গাড়ির গতি সে কথা না লেখা ভালো কখনো ৪৫ কিমি সর্বোচ্চ ১১০ কিমি ঘন্টায় মেল যাচ্ছিল। আমাদের পৌঁছে যাবার কথা ছিল বেলা ১১টা ৩৬ মিনিটে পৌঁছলাম দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে।
কাজ মিটিয়ে ফেরার সময়ে ঘটল আরেক বিপত্তি। আগেই বলেছি ফেরার টিকিট কনফার্ম ছিল না। টিকিট ছিল শিপ্রা এক্সপ্রেসে ১ ও ২ নং ওয়েটিং লিস্টটে। মাঝখানে উঠার স্টেশনে একই ভাবে শিপ্রা এক্সপ্রেসের A-1 কমপারমেন্টে, এবং বিকল্প আরও সাত টি ট্রেনের নাম দেওয়া ছিল। যখন আসতে দু ঘন্টা বাকি তখনও অনলাইন দেখাচ্ছে কনফার্ম হওয়ার সুযোগ ৮৭ % কিন্তু যে চার্ট ডিসপ্লে হচ্ছিল সেখানে শিপ্রা এক্সপ্রেসের ডিসপ্লে হচ্ছিল না। ছেলে এদিকে ওদিকে দেখতে লাগলো নেট সার্চ করতে যাচ্ছি নেটওয়ার্ক নেই। মুখ্য টিকিট পরীক্ষক কে জিজ্ঞেস করল তিনি বলেন ট্রেন লেট আছে, আপনাদের ও টিকিট বাতিল হয়ে গেছে। আপনারা জেনারেল টিকিট কেটে চলে যান। অনেক কষ্টে যখন নেটওয়ার্ক এলো আমরা চেষ্টা করছি পরের দিনের ভোরের কোনো টিকিট অনলাইন বুক করতে। কারণ ঐ রাতে স্টেশনের কাউন্টারে   রিজার্ভেশন টিকিট কাটা যাবে না। অনলাইনে দেখলাম একটা  (নামটি এখন ঠিক মনে করতে পারছি না) মেলে কলকাতা অর্থাৎ চিৎপুর স্টেশনে আসবে সেই মেলে 
AC 3 টায়ার সব টিকিট আছে কিন্তু আমরা টিকিট বুক করতে পারছি না। যতটা সম্ভব এই ট্রেন টি গয়া আসার কথা ২-১১-২০১৮ ভোর ৩ টে ১০ মিনিটে। দুজনে মিলে অনেক চেষ্টা করেও টিকিট বুক করতে পারছিলাম না। এই হতাশার মধ্যে দুজনে মিলে গিয়ে জেনারেল কামরার টিকিট কেটে আনলাম। তারপর ও অনেক চেষ্টা করলাম কিছুতেই 2-11-2018 ভোরের বা 3-11-2018 সকালের AC ওয়ান, টু এবং থ্রি যাই বলুক কোনো টিকিট বুক করতে না পেরে হতাশ হয়ে, রাত ১১টা ১০ মিনিটের ডাউন ট্রেন ধরতে বলে দু নম্বর স্টেশনে এলাম। একটা চিন্তা হচ্ছিল আমার বড়ো ছেলে সাথে ছিল ও একটু গরম সহ্য করতে পারে না। এখানে বলি রাত ১১টা ১০ মিনিটের ট্রেন গয়া এলো ১২টা ৪৫ মিনিটে।  ঘেমে চান করে যায় এবং খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে। ভয়ে ভয়ে ওকে নিয়ে জেনারেল কমপারমেন্টে উঠলাম। যথারীতি বসার জায়গা নেই, দাঁড়াবার জায়গা ও ঠিক মত নেই। দুজনে উঠে প্রসাবের গন্ধ শুঁকতে শুঁকতে আসছি, আর ছেলে কে বাপি একটু কষ্ট করে দাঁড়িয়ে থাক ধানবাদ এলে ঠিক বসার জায়গা পাব। যে সময়ে ধানবাদ আসার কথা এলো তার দু ঘন্টা পর। কারণ মাঝে মাঝে চেন টেনে ট্রেন দাঁড় করিয়ে মানুষ নেমে যাচ্ছিল। সত্যিই ধানবাদে বসার জায়গা পেলাম। টিকিট কেটে ছিলাম বর্ধমান পর্যন্ত, কারণ কষ্ট টা কম করার জন্য, বর্ধমানে নেমে দৌড়ে গিয়ে বড় পুত্র টিকিট কেটে নিয়ে এলো কর্ড বর্ধমান ট্রেনে কামার কুণ্ডু আসার। কারণ যোধপুর এক্সপ্রেস বর্ধমান ঢুকে ছিল লেটে তখন বর্ধমান কর্ড ফার্স্ট ট্রেন ছাড়ার ঘোষণা হচ্ছিল। যাহোক ধন্যবাদ ভারতীয় রেল, তোমার এতো সুন্দর ব্যবস্থাপনা খুব ভালো লাগলো। 

Thursday, 1 November 2018

স্বাধীনতার সত্তর বছর পরেও আমরা পরাধীন।

স্বাধীনতার সত্তর বছর পরেও আমরা পরাধীন। একথা লিখছি কারণ আমাদের দেশ, আজও শিক্ষায় পিছিয়ে অর্থনৈতিক ভাবে পিছনে, কারণ এখনো আমাদের সেই জ্ঞান আসেনি আমি যা উপায় করি তার একটা অংশ সারা বছর পর ট্যাক্স বা কর হিসেবে দিতে হয়। যা দিয়ে দেশের উন্নয়নের কাজে লাগবে। আমরা সর্ব কিছুতেই পর নির্ভরশীল হব না। শিক্ষা, শিল্প, আধুনিক টেকনোলজি বা টেকনিক্যাল বা কারিগরি শিক্ষা সব কিছুতেই আমরা পরাধীন।
টেকনোলজি যুক্ত যে কোন জিনিস কিনতে যান সব বিদেশী। অথচ আমরা চাঁদে, মঙ্গল গ্রহে যন্ত্র পাঠাচ্ছি। স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে যাচ্ছে।  আধুনিক মিশাইল তৈরী করা হচ্ছে, কিন্তু মোটরবাইক বা চার চাকা গাড়ির প্রযুক্তি বিদেশী। ভালো সুতোর পোশাক পরবেন বিদেশে তৈরী। সুঁচ থেকে রেল ইঞ্জিন ভালো করতে হবে সেই বিদেশের উপর নির্ভর করতে হবে। একটি কম্পিউটার কিনবেন বিদেশে তৈরী, সামান্য কম দামে মোবাইল ফোন কিনতে যান। মোবাইল ভারতের তৈরি হলেও প্রযুক্তি বিদেশী। আর এব্যাপারে চীন পিছনে ফেলে দিয়েছে সকল কে ভারতের বাজারে ছেয়ে ফেলেছে চীনা প্রযুক্তির মোবাইল। এই আমি যে মোবাইল টি ব্যবহার করে লিখছি সেটা চীনের প্রযুক্তি। জানি না কারখানা টা কোথায়, ভারতে না চীনে। এতো স্যাটেলাইট পাঠানো হয়েছে সেখানে জিও আসার আগে নেট সার্চ করা ভাবা যেতো না। মাসে ২০০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা খরচ করে নেট পাওয়া যেত এক থেকে দুই জিবি এক মাসের জন্য। আর সার্চ ইঞ্জিন সেই গুগুল যা বিদেশী, এখন শুনছি ইউ সি সার্চ ইঞ্জিন আছে চীনের তৈরী। তা নয় আমরা সকাল থেকে শুতে যাবার আগে যেসব জিনিস ব্যবহার করি তার বেশির ভাগই চীনের তৈরী। তাহলে আমার দেশের আছে টা কী? যদি সত্যি এতো উপগ্রহ পাঠিয়ে থাকে এবং ভারতীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা তৈরী করে থাকেন, তাহলে একটা নেট সার্চ ইঞ্জিন তৈরি করতে পারে না কেন? যে টাকে মনে হয় অনেকে ব্রাউজার বলেন। এই যে আমি ব্লগ লিখছি এটাও গুগুলের, আমার দেশের এরকম কোন ব্রাউজার আছে যে খানে বিনা পয়সা বা খরচে আপনি ব্লগ লিখতে পারেন বা পত্রিকা লিখতে পারেন না নেই। একটা যে কোন ভারতীয় ভাষার নিউজ ওয়েব সাইট খুলতে যান, সার্চ ইঞ্জিন বা  ব্রাউজার  সেই গুগুল। ইউটিউব হোয়াটসএ্যাপ   সব গুগুলের   ক্রোম ব্রাউজার ব্লগতৈরি  করতে গেলে লাগে  ব্লগস্পট ডটকম এই সব গুগুলের।   আমি দেখেছিলাম অনেক ব্লগে বা ব্লগ ওয়েব সাইটে গুগুল এ্যডসেন্স বিজ্ঞাপন দেয়। সে খান থেকে সামান্য কিছু টাকা ব্লগ লেখক বা ওদের ভাষায় পাবলিশার্স কে দেওয়া হয়। অনেক শর্ত আছে সে জন্য যদি দেখা যায় ওদের নির্ধারিত টাকার থেকে বেশি হয়ে গেছে তবে সেই ব্লগ সাইট থেকে এ্যাড তুলে নেয়। ব্লগার হয়তো জানেন না কে করেছেন তবুও তার শাস্তি এবং তার আগের যে সব আয় হয়েছে সব বন্ধ। পারলে ব্লগ লেখক বা পাবলিশার্স কে ফাঁসি দিয়ে দেবেন, এরকম ই মেইল আসে।
কারণ সে জানে আমি নেট দুনিয়ার  একা একটি বিজ্ঞাপন কোম্পানি। একচেটিয়া কারবার আমার কাছে কেউ নেই, ভারত সরকার ও তো তুচ্ছ, কারণ ভারতের এরকম কোনো প্রতিযোগী বা প্রতিষ্ঠান নেই আর হবে না। এরকম প্রতিষ্ঠান করতে হলে ভারত সরকার যে ট্যাক্স নেয় সেটা দিয়ে, এবং প্রথম শুরু করতে যে টাকা খরচ করতে হবে বিদেশের প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে। সে রকম কেউ নেই, ভারত সরকার ভারতীয় দের কম সুযোগ দেয়। বিদেশী রা যত তাড়াতাড়ি ঐ সুযোগ পায় যদি কোনো ভারতীয় আবেদন করে তাহলে সে যদি কুড়ি বছর বয়সে আবেদন করে, আবেদন মঞ্জুর হতে হতে তার বয়স হবে পঞ্চাশ বছর। এসব দেখে আমার মনে হয়, তাহলে ভারত যে এতো উপগ্রহ পাঠিয়েছে ও মঙ্গল যান চন্দ্র যান পাঠানো হচ্ছে অমার মনে সব কিছু বিদেশী শুধু ভারতীয় ছাপ দেওয়া হচ্ছে। ভারত এখনো স্বাধীন নয়, সব কিছুতেই বিদেশের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। তাহলে এই শিক্ষা ব্যবস্থা এত বিশ্ববিদ্যালয়ের এতো কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয়ের দরকার নেই। অভিভাবকেরা এতো টাকা খরচ করে ছেলে মেয়েদের যে কারিগরি শিক্ষা দিচ্ছেন তাহলে কোথায় যাচ্ছে সে সব প্রযুক্তি কোথায় গেল।
ওসব করতে হলে যত টাকা খরচ আম ভারতীয়র নেই, যদি কোনো শিল্পপতি করেন তবে হবে, আবার তিনি যদি আম জনতা ব্যবহার করতে পারেন এরকম ব্যবস্থা করেন যেমন গুগুল করে ফ্রি তে, কিন্তু আমি জানি তিনি ভারতীয় শিল্প পতি তিনি যে টাকা ট্যাক্স দিতে হবে সেটার থেকেও বেশি নেবেন, যাতে আম জনতা ব্যবহার করতে না পারেন। এই জন্য আমার ঐ হেডিং স্বাধীন হয়েও আমরা পরাধীন।





Wednesday, 31 October 2018

স্ট্যাচু অফ ইউনিটি। সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলে মূর্তি। বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু স্থানে।

আগে অনেক বার লিখেছি যে আমাদের দেশে অনেক মানুষ স্বাধীনতার মাধ্যমে নিজেদের আখের গুছিয়ে নিতে ব্যস্ত। আবার কেউ কেউ পদ নিয়ে দরা দরি করছিল।কেউ তার পদবী দিয়ে বেঁচে থাকার বা চিরকালের জন্য ইতিহাস তৈরি করছিলেন। সদ্য দেশ স্বাধীন হয়েছে, অসংখ্য ছোট রাজ্য ছোট দেশ ছিল ভারত বর্ষের মধ্যে তারা অনেক স্বাধীনতা চাইছে। অনেক রাজ্য বা দেশ পাকিস্তানের সাথে থাকতে চাইছে। কারোর সে সব দিকে নজর নেই, তখন ব্রিটিশ কে বলে জেল খাটা স্বাধীনতা সংগ্রামীর দল, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস কে কী করে দেশে ঢুকতে না দেওয়া যায় তার ব্যবস্থা করতে ব্যস্ত। তাকে যুদ্ধ অপরাধী ঘোষণা করে সেই কাজে তারা সফল হয়েছে। আজাদ হিন্দ বাহিনীর যে সব সৈনিক সেদিন লালকেল্লার ভেতরে বন্দী তাদের জন্য মায়া কান্না কাঁদতে ওকালতি করে দেখিয়ে দিলেন। কেন তার একটা কারণ তখন বোম্বাই এ  ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর মধ্যে যে সব ভারতীয় সেনা জওয়ান ছিল তারা বিদ্রোহ করতে শুরু করেছে। দেশের অন্য অনেক জায়গায় সেনাবাহিনীর মধ্যে বিদ্রোহ দেখা দিয়েছে। এমত অবস্থায় কালো কোট গায়ে ওকালতি করা ছাড়া আর উপায় ছিল না। কে করে ছিল সেটা সত্যি কার ভারতের ইতিহাস পড়লে অবশ্যই জানাবেন। আর এই সময়ে দেশ কে এক ছাতার তলায় আনতে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দৌড়ে বেড়াচ্ছেন। যে মানুষ টি তিনি হলেন, সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলে।তিনি একা সর্বত্র পৌঁছতে পারেননি, যে খানে তার যেতে বা পৌঁছতে দেরি হয়ে গেছে। সেই সব রাজ্যে আজও গণ্ডগোল লেগে আছে, তিব্বত কে তো চীন দখল করে নিয়েছে। এখন ভুটান নেপালের দিকে তাদের লক্ষ্য যেমন করেই হোক শিলিগুড়ি করিডোর দখল নিয়ে পুর্ব ভারত কে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করা। আর বাংলাদেশের উপর নিজের প্রভাব বিস্তার করে ভারত কে চাপে রাখা। পাকিস্তান কে উন্নয়ন করে দেবার নামে প্রায় কিনে ফেলেছে। যেমন তারা হংকং কে করেছে, তাইওয়ান কে নিয়েছে, তিব্বতকে নিয়েছে। চীন কমিউনিস্ট হতে পারে কিন্তু দেশ দখলের আগ্রাসী মনোভাব তার আছে। উন্নয়ন করে দেওয়ার নামে ঢোকে, সেই দেশ কে ঋণের জালে বন্দী করে সেখানে চীনা টাউন বা কলোনি তৈরী করে। কারণ চীনের লোক সংখ্যা বেশি।তারা বাসস্থান খোঁজে এবং সেই সাথে সেই স্থানের অধিকার চীনের সেখানে যে দেশে তারা আছে তাদের আইন চলেনা বললেই চলে। উল্টো দিকে ভারত বা দেখুন বিশ্বে লোক সংখ্যায় দ্বিতীয়। পাশের দেশ চীন যে ভাবে টেকনিক্যাল থেকে সমস্ত দিয়ে উন্নতি করেছে , ভারত দুবছর আগে স্বাধীন হয়েও পারেনি। কারণ খুঁজে দেখুন দেখবেন সেই নেতা যারা ক্ষমতা দখল করতে বা গদিতে বসবে বলে মরিয়া তারা শিক্ষার জন্য কোনো নজর দেয়নি। সংবিধানের অনেক ধারা উপধারায় নিশ্চয়ই লেখা আছে এত সালের মধ্যেই সবাই কে শিক্ষিত করতে হবে।.  আগে চাই শিক্ষা মানুষ  শিক্ষিত নয়, সেই জন্যই আজও ভারতের মজবুত ইউনিটি আসেনি। এখনও বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নতাবাদ মাথা চারা দিচ্ছে। বিভিন্ন ভাষাভাষী ও বিভিন্ন ধর্মের এই দেশকে এক করতে পারে যে শিক্ষা সেই শিক্ষা দরকার। কারণ এই মূহুর্তে দেশে কোনো বল্লভ ভাই প্যাটেলে নেই, শুধু তার মূর্তি স্থাপন করে ইউনিটি বা একতা আনা সম্ভব যদি সঠিক শিক্ষা না দেওয়ার ব্যবস্থা থাকে।



আজ ভারত বাসীর কাছে দুঃখের দিন। ভারতের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু দিন।

আজ থেকে ৩৪ বছর আগে ১৯৮৪ সালে ৩১ শে অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। দেহরক্ষীর গুলি তে নিহত হন, দিন টি ভারত বাসীর কাছে দুঃখের দিন।সেদিন সকালে বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে ভারত বর্ষের আপামর জনসাধারণের প্রিয় প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু এবং ঐ ভাবে মেনে নিতে পারে নি। সকল ভারত বাসির চোখের জল পড়ে ছিল। গোষ্ঠ পাল নামে এক লোকসংগীত লেখক ও গায়ক গান গেয়ে ছিলেন। ৩১শে অক্টোবর ১৯৮৪ কী খবর পেল ভারত বাসী। সত্যিই সে দিন সেই গান টি সারা বাংলার মানুষ সারা দিন শুনে ছিল। আমি তখন একজন ছাত্র, আমার কাছেও সংবাদ টা মর্মভেদী।
এরকম একজন মহান মানুষ কে আজ আমি সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করি। তিনি স্বর্গের যে লোকে থাকুন শান্তি তে থাকুন। আমার পক্ষ থেকে রইল সশ্রদ্ধ প্রণাম। 

Tuesday, 30 October 2018

বেতন বৃদ্ধি নিয়ে শিক্ষকের আন্দোলন নিয়ে, পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা মন্ত্রী কথায় সত্তর দশকের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।

ছবি টি ডেইলি হান্ট নিউজ ওয়েব সাইট থেকে নেওয়া ।উস্থি ইউনাইটেড নামে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক দের পি আর টি স্কেলে বেতন বৃদ্ধি নিয়ে দু দিনের অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়ে বর্তমান রাজ্য সরকারের শিক্ষা মন্ত্রী কলা শিক্ষা প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করতে গিয়ে যা বললেন, তাতে করে সত্তর দশকের শিক্ষক দের একটা আন্দোলনের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। আমার বাবার কাছে শুনেছি, তিনি এবং আরও অনেক শিক্ষক মিলে কলকাতায় অবস্থান বিক্ষোভ করছিলেন, দাবি ছিলো এক টাকা চিকিৎসা ভাতা দিতে হবে। আর বেতন বাড়ানোর জন্য সুব্যবস্থা নিতে হবে। আরো কয়েকটা দাবি ছিলো, অনেক দিন হলো বাবার কাছে শুনেছি, আমার বাবা একজন প্রাথমিক শিক্ষক ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, উক্ত দাবি নিয়ে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি বা শেষ অবস্থান বিক্ষোভ করছেন, ঐ শীতের রাতে হঠাৎ হোস পাইপের জল দিয়ে ভিজিয়ে দেওয়া হয়ে ছিল। তখন কার শিক্ষা মন্ত্রী নাম টা ভুল হতে পারে। অজয় মুখার্জি এবং মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন প্রফুল্ল সেন। বলে ছিলেন আমাদের সাধ আছে সাধ্য নেই। আর বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রী কলা কেন্দ্রের সভা থেকে একই কথাই বলছেন। কী বললেন, যে রাজ্যের আর্থিক অবস্থা খারাপ তাই তারা ঐ দাবি মানতে পারবে না। শিক্ষক দের প্রতি তারা সহানুভূতি শীল, তার সাথে আলোচনা করতে পারেন। ওসব দাবি নিয়ে আলোচনা আগে যোগ্যতা দেখান, একথা বলে উনি কী বোঝাতে চাইছেন। তবে শিক্ষা মন্ত্রীর কথার সাথে আমি একমত কারণ রাজ্যের আর্থিক অবস্থা সত্যিই খুব খারাপ। সেই জন্যই দুর্গা পুজো করতে আঠাশ কোটি, ক্লাব গুলো কে দু লক্ষ টাকা করে কয়েক বছর ধরে এক লক্ষ ক্লাব টাকা পেয়েছেন। আবার যার বাবা চার চাকা কিনে দিতে পারে তাকেও সাইকেল, এই সাইকেল দেওয়ায় সত্যিই দূরদর্শিতা আছে, সাইকেল সারাই এর দোকান গুলো যাতে সপ্তাহে একদিন করে সাইকেল সরিয়ে টাকা নিতে পারে তার ব্যবস্থা পাকা।কন্যাশ্রী সে তো কথাই নেই, সবাই পাবে লেখা পড়া করুক আর ছাই নাই করুক। বাবার মেয়ের বিয়ে তে খরচ করার ক্ষমতা আছে তাও সে পাবে।বয়সের কোনো বাধা নেই। আরেকটা বড়ো কারণ তোকে গ্রামের ছোট নেতা দের একটা ইনকামের রাস্তা করে দিতে হবে।
ছবি টি কোথা থেকে পেয়েছি তা ছবির উপর লেখা আছে । আমি এই ছবি দিচ্ছি এরা কন্যাশ্রী পেয়েছেন। এদের এ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকার পর কারা টাকা নিয়ে নিজের বলে নিয়েছেন। তাদের নামে একটি অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী কাছে লেখা হয়েছে। সেই চিঠি টি ও এখানে দেব। ঘটনা টি ঝড়খালির। বন্ধু শিক্ষকের এবং কর্মীদের বেতন বাড়ানোর টাকা নেই। বলতে পারবেন না, অপচয় হচ্ছে, কারণ উত্তর মুখস্থ করে ফেলেছেন বেশ করেছে। কারণ ঐ টাকা জনগণের ট্যাক্সের টাকা নয়, ওগুলো আলাদা জায়গা থেকে নেওয়া বা তোলা ট্যাক্স আদায় হলে ডিএ পাবেন এবং পে কমিশন পাবেন। তাও পাবেন কিনা সন্দেহ বামফ্রন্ট সরকার যে দেনা করে গেছেন সেটা শোধ করে টাকা বাঁচলে তবে পাবেন। এবার ঐ চিঠি টি
এটিও কলকাতা 24*7অন লাইন নিউজ পোর্টালে বেড়িয়ে ছিল ।দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঝড়খালির ঘটনা। একদম বেতন বাড়াতে বলবেন না, তাহলে বেতন  কনসোলিডেট  করে দেব বেতন আর কোন দিন বাড়বে না। আবার বলবেন না, বাম সরকার দেনা করুক যাই করুু বছরে দুবার ডিএ দিয়েছে সঠিক সময়ে পে কমিশন দিয়েছেন। শিক্ষক দের ১৯৮০ সালের আগে কোন বেতন কাঠামো ছিল না । নিয়মিত পেনশন ছিল না, বামফ্রন্ট সরকার শিক্ষকদের পে কমিশন ও পেনশন ফ্যামিলি পেনশন এর ব্যবস্থা করে দিয়ে ছিল। আর আজকের সরকার সত্ত্ত দশকের শিক্ষা মন্ত্রী সুরে কথা বলছেন। এই তফাৎ একটা সম্পুর্ণ উগ্র ক্ষমতা লোভী ডান পন্থী সরকারের সঙ্গে বামফ্রন্ট সরকারের। আমরা ভুল করে ফেলেছি, সেই ভুলের মাশুল আমাদের দিতে হবে। আমাদের মধ্যে এখনও অনেক শিক্ষক আছেন যারা এই সরকার কে সর্মথন করে যাচ্ছে। বেতন কম দিলেও যা করছে ভালো করছে। এই সরকার হাতেও মারছে ভাতেও মারছেে, এটা সকল কে বুঝতে হবে। আরো বড়ো আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। দল মত নির্বিশেষে সকল শিক্ষকে আহ্বান জানানো দরকার। আর শিক্ষক আন্দোলনের সঠিক ভাবে জানতে হবে। 












মানুষের সব কিছুর পরিবর্তন করে দিচ্ছে মিডিয়া।

আমার কথা বা লেখা সত্যিই কজন পড়েছেন? আমি ঠিক বুঝতে পারছি না কারণ কারও কোনও মন্তব্য আজ পর্যন্ত পেলাম না। জানি না কতটা ভালো লাগছে? কারণ আমি দেখেছি ইউ টিউবে চটুল ভিডিও দেখতে সবাই অভ্যস্ত লেখা পড়ে সময় নষ্ট করার সময় নেই। নিউজ পোর্টাল গুলো লেখার ধরণ পাল্টে ফেলেছে। খবর গুলো ছোট আকারের হয়েছে । প্রতিটি তে কোনো না কোনো ছবি থাকছে। ছবি না থাকলে এ্যমিনেশণ ছবি দিয়ে দিচ্ছে। আর ছোট খাটো নিউজ পোর্টাল প্রতিনিয়ত যৌন তা নিয়ে লিখছে। যে লেখা দশ দিন আগে অন লাইন ছিল সেই লেখা কে আবার পোষ্ট করে দিচ্ছে। আর কিছু আছে ইউটিউবে চটুল ভিডিও, দূর্বো ঘাসের রস খান যৌন উত্তেজনা বাড়বে বলে একটা নোংরা ছবি দিয়ে পোষ্ট করে দিচ্ছে। এবিষয়ে বাংলাদেশের মেয়েরা বেশি এগিয়ে, সব রকমের আবেদন গল্প পাবেন, গল্প মানে অডিও গল্প সামনে একটি ছবি। সারা রাত ধরে তাকে কি বলল কি করল বলছে ঐ সব অডিও। এই সব বেশি পাওয়া যাবে বাংলাদেশ থেকে পোস্ট করা ইউটিউব ভিডিও তে, কী করে সব করতে হবে সব শেখাচ্ছে। এগুলোর ভিউ বেশি মানুষ এগুলো তাহলে চাইছেন। কিছু সময় লেখা আছে আঠারো বছরের নীচে কেউ দেখবা না। আচ্ছা ঐ টুকু আবেদন কোনো সিস্টেম নেই যে আঠারোর নীচে হলে তাকে সাইটে ঢুকে বয়স জানাতে হবে, তবে খুলবে। বলবেন সামাজিক শিক্ষা হচ্ছে। এই যৌন শিক্ষা দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে না। এতো সামাজিক অবক্ষয় ডেকে আনতে পারে। সেই শিক্ষা দিতে বলা হচ্ছে, যে খানে চুমু খেলে পেগনেন্সি হয়েছে বলে, তামিল নাড়ুর মেয়ে টি গর্ভনিরোধক পিল খেয়ে ডাক্তারের কাছে এসে ছিল। এরকম পরিস্থিতিতে পড়তে না হয়, সেই জন্য সামাজিক শিক্ষা হিসেবে যৌন শিক্ষা দিতে হবে। আর ছোট শিশুদের মানে যারা নেট সার্চ সেই সব, কিশোর দের কথা ভাবতে হবে। প্রাচ্যের দেশ গুলো তে বিশেষ করে ভারতীয় উপমহাদেশে এখনও খোলা মেলা নয়। খোলা মেলা করা উচিত কি না সে বিতর্ক চলছে। জানে সবাই যৌন মিলন অপরিহার্য কিন্তু খোলা মেলা হলে যৌন রোগ গুলো অপ্রতিরোধ্য হয়ে ঢুকে যাবে শরীরে। আবার খোলা মেলা হলে এই মেয়ে দের উপর যে অত্যাচার সেটা কমবে। সবেরি ভালো মন্দ দুটো দিক থাকে।আমাদের খাদ্যাভ্যাস পাল্টে যাচ্ছে, অনেক অখাদ্য যা বাঙালি খেত না। সে গুলো আজ তাদের খাদ্য তালিকায় ঢুকে পড়েছে। মদ খাওয়া এখন কিশোর কিশোরী রাও বাবা মায়ের সঙ্গে বসে মদ্যপান করছে। ইংরেজ রা দেশ ছেড়ে চলে গেছে ৭০ বছর আগে, কিন্তু তাদের পোশাক ও ঐ মদ্যপান রেখে গেছে। যা আমরা এখন অভ্যাসে পরিনত করে ফেলেছি। কেউ কেউ ধর্মীয় অনুশাসন দিয়ে ধরে রাখতে চাইছেন। সেই অনুশাসনের ফাঁকে আমরা আরও বেশি করে মদ্যপান করে চলেছি। খাদ্য অভ্যাস পাল্টানোর জন্য দেওয়া হচ্ছে যৌনতার সুরসুরি, যাতে খায় তার জন্যে চটক দার বিজ্ঞাপন। এসব পড়ে অনেক বলবেন আপনি তো মশাই সেকালের মানুষের মতো ব্যাকডেটেট কথা লিখছেন। মানুষ কি চিরকাল একই রকম থেকে যাবে, পাল্টাবে না, হ্যাঁ নিশ্চয়ই পাল্টাবে কিন্তু খারাপ হবে এরকম কিছু না করে পাল্টাবে। রামকৃষ্ণের সেই কথা মনে রেখে পাল্টাবে, তিনি বলেছেন, "খারাপ টা বাদ দিয়ে ভালো টা নিতে হবে।" আসুন আমরা সেই ভাবে আমাদের পাল্টাই যা আমাদের সুস্থ সমাজ ব্যবস্থা তৈরিতে সাহায্য করে দেবে। আমরা ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিই, ভালো মন্দ বিচার করে সিদ্ধান্ত নিই। আমরা আধুনিক বিজ্ঞানের শিক্ষা নিই, যে বিজ্ঞান মানুষের জীবন কে পাল্টে দিতে পারে।নিজের আব্রু বজায় রেখে আধুনিক পোশাক পরি। নিজের শরীর কে সুস্থ রেখে খাদ্যাভ্যাস পাল্টাই। নিজেকে সংযত করে শ্লালিনতা বজায় রেখে মানুষের সাথে মেলামেশা করি, কথা বার্তা বলি। আসুন সমাজ পাল্টাই কিন্তু সব কিছু কে বিসর্জন দিয়ে নয়। অন্ধের মতো অনুকরণ করে নয়। অপরের সব ভালো আর আমার যা আছে সবটা খারাপ বা আমার যা আছে সব ভালো অপরের সব জিনিস খারাপ এটা না করে। বিচার বিবেচনা করে নিজেকে পাল্টাই।